ব্রাউজার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ব্রাউজার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৩

বন্ধ হওয়া বা ব্লক সাইট দেখুন বিকল্প উপায়ে

ব্লক করা ওয়েবসাইট দেখার জন্য যে ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয় তাকে প্রক্সি সাইট বলা হয়। এই প্রক্সি সাইট দিয়ে ব্লক করা বা নিষিদ্ধ সব সাইটে সহজেই প্রবেশ করা যায়। ইন্টারনেটে এরকম শত শত প্রক্সি সাইট রয়েছে, যা দিয়ে ডোমেইনের মাধ্যমে ব্লক করা সাইট দেখা যায় সহজেই। এই প্রক্সি সাইটগুলোর মধ্যে

রবিবার, ১৫ মে, ২০১১

অপেরা ব্রাউজার (এডঅন সমগ্র)


এ্যড ব্লক
ad sweep অন্যান্য যে কোনো এডব্লক থেকে এটার পারফর্মেন্স সব থেকে ভালো। অনেক এডঅন-ই আছে যেটা পেজ লোড করতে টাইম বেশী নেয়।
hide gmail ads জিমেইলের এ্যড গুলো বন্ধ করে দেয়।
hide wikipedia donation banner উইকিপিডিয়াতে যাদের ঢু মারার অভ্যাস আছে তারা জানেন প্রতিটা পেজেই একটা বিরক্তিকর ডোনেশন ব্যানার দেখানো হয়, সেটা থামিয়ে দিন এই এ্যড অন ব্যবহার করে।
youtube adsfree ইউটিউবের এ্যডগুলো ব্লক করে দেয়।

ডাউনলোড
fastestTube ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোডের সবথেকে কার্যকর এ্যড অন এটি। এটি ইন্সটল করার পর ভিডিওর নিচে শেয়ারের পাশে ডাউনলোড নামের একটা বাটন দেখতে পাবেন, সেটায় ক্লিক করে ইচ্ছামত রেজুলেশনে নামিয়ে নিতে পারবেন যে কোনো ভিডিও।
download media bar আগের এডঅন টি দিয়ে শুধু ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করা যাবে, আর এটা দিয়ে সব ধরনের মিডিয়া ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড করতে ইন্সটালেশনের পর যেকোনো ভিডিওর নিচের ছোট্ট মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন।
youtube sound ripper ইউটিউবের ভিডিও এম্পিথ্রি আকারে ডাউনলোড করা যায়।
google images direct গুগলে আমরা যখন কোনো ইমেজ খুজি, তখন দেখা যায় কাঙ্খিত ইমেজটি পেতে হলে মূল পেজে গিয়ে তারপর আবার ক্লিক করে সেই ইমেজটি ডাউনলোড করতে হয়। এই এডঅন টি ইনাবল করলে সার্চের পর সরাসরি সেই ইমেজে চলে যেতে পারবেন, এতে ব্রাউজিং এর খরচও কিছুটা বাচবে।

ডকুমেন্ট
document preview পিডিএফ বা অন্যান্য ইবুক ডাউনলোডের আগে দেখে নিতে চাইলে এই এডঅন টি ইন্সটাল করুন।

ইউটিলিটি
let me see img আমার মত যারা খরচ বাচাতে ইমেজ অফ করে ক্যাচি মুডে ব্রাউজ করেন,তারা এই এডঅন দিয়ে কিছুটা উপকৃত হতে পারবেন।
bug me not কোনো সাইটে লগইন করার জন্য বললে এই এডঅন টি আপনাকে ফেক আইডি দেবে যেটি দিয়ে আপনি সহজেই লগ ইন করতে পারবেন।
youtube autoplay killer ইউটিউবের কোনো লিঙ্কে ক্লিক করলে অটোপ্লে হওয়া থামাতে এই এ্যড অনটি ব্যবহার করুন।

ব্রাউজিং সহায়ক
image preview popup যেকোনো ইমেজের উপর কার্সর নিয়ে গেলেই ইমেজটা পপ আপ করে বড় আকারে দেখাবে, খুবই কাজের একটা এড-অন, মাস্ট ইউজ !
to read sites যে সব সাইট পরে পড়ার জন্যে মার্ক করতে চান, তাদের এক ক্লিকে লিস্টেড করুন এই এডঅন দিয়ে।
save text ব্লগে যারা লেখালিখি করেন তাদের জন্যে চরম একটা এডঅন এটা ! যেখানেই যা কিছু লিখবেন কোনো কারনে ক্রাশ করলে বা ভুল বশত ইউন্ডো ক্লোজ হয়ে গেলেও এর মাধ্যমে পুরো টেক্সট ফিরে পাবেন এই ছোট্ট এডঅনটা ব্যবহার করে।
auto coplete টেক্সটবক্সে অটো কম্পলিট ইনাবল করুন এই এড অন ইন্সটাল করে
focus on textbox এটা ইনাবল করলে টেক্সটবক্স গুলো হালকা নীল বর্ডার দিয়ে শো করবে

সোশাল কমিউনিটি
facebook এই এড অনটি ইন্সটল করলে ফেসবুক অপেরা মিনির মতো লেআউটে একপাশে ওপেন হবে ।
facebook for opera ফেসবুক বন্ধুদের সাথে কোনো কন্টেন্ট এক ক্লিকে শেয়ার করা যায় এটি দিয়ে।
facebook status যে কোনো সাইটে ব্রাউজ করতে করতে স্ট্যটাস আপডেট করার জন্যে এইএড অন টি ব্যবহার করুন। 
facebook photo theater killer ফেসবুকের ফটো দেখার নতুন একটা পদ্ধতি হচ্ছে থিয়েটার ভিউ। যেকোনো ফটোতে ক্লিক করলেই চারপাশ কালো হয়ে সেই ইমেজটি লোড হতে থাকে। ব্যায়সাপেক্ষ ফটো থিয়েটারকে রুখে দিন এই এডঅন ইন্সটাল করে। 
facechat যারা ফেসবুকে চ্যাট করেন তাদের জন্য সহজ একটি এড অন।
facebook chat message count ফেসবুক মিনিমাইজ করা অবস্থায় চ্যাটে কেউ নক করলে এই এডঅনটি ট্যাবে সেটা দেখাবে।

অন্যান্য
weather forcast ব্রাউজারের পাশে সর্বশেষ আবহাওয়া সতর্কতা পেতে এই স্টাইলিশ এডঅন টি ব্যবহার করুন 
Calendar ব্রাউজারের পাশে আজকের তারিখ আর ক্যালেন্ডার শো করা এই এ্যড অন এর কাজ।
islamic date যেকোনো সময় হিজরী চন্দ্রমাসের তারিখ দেখার জন্যে এই এড অন ব্যবহার করতে পারেন।

কোনও লিঙ্ক কাজ না করলে এখান থেকে সহজেই খুজে নিতে পারবেন এডঅনগুলো, আর অপেরার চলতি ভার্শনটি ডাউনলোড করুন এখানে গিয়ে 

রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১১

ব্রাউজার নিয়ে পাগলামি

আপনি কয়টা ব্রাউজার ব্যবহার করে নেট ইউজ করেন ?দুনিয়াতে হাজার হাজার ব্রাউজার থাকলেও আমি কিন্তু এই মুহুর্তে মাত্র ৮টা ব্রাউজার ব্যবহার করি । আমার ভাল লাগা ব্রাউজার গুলি নিচে দিলাম । আর সিরিয়াল টা ভাল লাগার উপরে নির্ভর করে সাজালাম । নামের নিচে ডাউনলোড লিংক দিয়ে দিলাম ।

Cometbird. আমি এটাকে ফায়ারফক্সের নকল বলব । তবে এটাতে আরো বেশ কিছু আছে যা ফায়ারফক্সে নাই । বিশেষত এই ব্রাউজার ব্যবহার করলে যে কোন ভিডিও ডাউনলোড করেত অন্য কোন সফটওয়্যার লাগে না । আর ফায়ারফক্সের সব এডঅন্সতো একানে আছেই ।



Firefox 4 beta . এটা নিয়ে কি আর কিছু বলার আছে ?



Epic browser এটা প্রথম ইন্ডিয়ান ব্রাউজার । ফায়ারফক্সের মতই ।ট্রাই করেই দেখেন না অনেক সুন্দর লাগবে ।

আপনি কয়টা ব্রাউজার ব্যবহার করে নেট ইউজ করেন ?দুনিয়াতে হাজার হাজার ব্রাউজার থাকলেও আমি কিন্তু এই মুহুর্তে মাত্র ৮টা ব্রাউজার ব্যবহার করি । আমার ভাল লাগা ব্রাউজার গুলি নিচে দিলাম । আর সিরিয়াল টা ভাল লাগার উপরে নির্ভর করে সাজালাম । নামের নিচে ডাউনলোড লিংক দিয়ে দিলাম ।

Cometbird. আমি এটাকে ফায়ারফক্সের নকল বলব । তবে এটাতে আরো বেশ কিছু আছে যা ফায়ারফক্সে নাই । বিশেষত এই ব্রাউজার ব্যবহার করলে যে কোন ভিডিও ডাউনলোড করেত অন্য কোন সফটওয়্যার লাগে না । আর ফায়ারফক্সের সব এডঅন্সতো একানে আছেই ।



Firefox 4 beta . এটা নিয়ে কি আর কিছু বলার আছে ?






Epicbrowser এটা প্রথম ইন্ডিয়ান ব্রাউজার । ফায়ারফক্সের মতই ।ট্রাই করেই দেখেন না অনেক সুন্দর লাগবে ।




গুগল ক্রোম / চড়ম ঃ আহ ব্রাউজার একখান ।

 




৫। সাফিরা .এটা ব্রাউজারের ভিতরে সব থেকে বেশি স্টাইলিশ । এটাই স্টাল আমার কাছে ভাল লাগে তাই ব্যাবহার করি




৬.ইন্টারনেট এক্সপ্রোলার ঃ. এটার ৮ ভার্সন টা আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছে ।তবে মাঝে মাঝে স্পীড কম থাকলে হ্যাং করে ।এটাই বড় সমস্যা ।




সী মানকি. ঃ ভালই তবে বেশ কিছু ল্যাগ আছে তবে এটাতে পেজ তাড়াতাড়ি লোড হয় তাই এখনো রেখেছি




অপেরা ঃ ব্রাউজার একখান ।মিজাজটাই মাঝে মাঝে কিলায়ে দেয় ,তবে একটা বিশেষ কারনে ওটাকে ব্যবহার করি ।




এছাড়া আরো বেশ কিছু ব্রাউজার আছে আমার কাছে তবে তা ব্যবহার করা হয় না ।যেমন ঃ কামীনো. ,কে-মিলিয়ন,নেস্টসক্যাপ নেভিগেটর ম্যাক্সটন- ব্রাউজার , স্লীম-ব্রাউজার. Avant  ইত্যাদি ।

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১১

সবচেয়ে দ্রুতগতির ব্রাউজার "কমেটবার্ড"




ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আমরা অনেক ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকি। যেমনঃ মজিলা ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম, অপেরা , নেটস্কেপ, ইন্টারনেট এক্স প্রোরার। কিন্তু একেকটি ওয়েব ব্রাউজারের কাজ একেক রকম। কোনটির পেজ লোডিং টাইম বেশি আবার কোনটির পেজ লোডিং টাইম কম। আমার নিজের কথায় বলিঃ আমি প্রথম প্রথম ইন্টারনেট এক্সপ্রোরার ব্যবহার করতাম। ব্যবহার করার সময় এর গতি নিয়ে বেশ মাথা খারাপ হতো। তার পর থেকে মজিলা ফায়ার ফক্স ব্যবহার করা শুরু করি। আমি গত ১ মাস ধরে কমেটবার্ড ব্যবহার করছি। আমি প্রথম দিন যখন এটির গতি দেখলাম তখনই আমার মাথা খারাপ হয়ে গেল। এই ব্রাউজারটির লডিং টাইপ এতো দ্রুত যে বলার বাহিরে। কমেটবার্ডের নতুন ভারশন গত অক্টোবরে বের হয়েছে। এটা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো করবো ভেবে ভেবে আর শেয়ার করা হয়ে ওঠে নি। আজ শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না। এবার ব্যবহার করে দেখুন তার পর বলবেন এর ব্রাউজিং যাদু। কমেডবার্ডের আপডেট ভার্শনটি হলো ৩.৬.৬ যা আরো বেশী শক্তিশালী। নিচের ছবিটিতে ক্লীক করে ডাউনলোড করে নিন। 


যে সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবেঃ
১. Online Bookmark Manager
২. Bookmaks Synchronizer
৩. Online Video Download
৪. Download Manager
৫. Integrated Web Search
৬. Tabs
৭. Smart Location Bar
৮. Add-ons Manager
৯. Word Translator
১০. CometMarks Notes
১১. Coloured Tabs


নিচের ছবিগুলো ক্লীক করে স্ক্রীন শট দেখুনঃ









যেভাবে ডাউনলোড ম্যানেজার সেট করবেনঃ
কমেটবার্ড এ অটোমেটিক ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার সেট আপ হয় না। এ জন্য এখানে ক্লীক করে ডাউনলোজ পেজে যান। তার পর প্লাগইনটি সেটআপ দিয়ে কমেটবার্ড ব্রাউজারটি রিষ্টার্ট দিন।

সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

ফায়ারফক্সের কার্যকারিতা বাড়ান

নানা কারণে মজিলা ফায়ারফক্সের গতি কমে যায়। অনেক সময় ফায়ারফক্স খুলতে বেশ সময় লাগে। স্পিডি ফক্স নামের একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারেন। মাত্র ৪৫৮ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি http://www.mediafire.com/?6s97hpsg7dv69x9 ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন। এরপর জিপ ফাইলটি খুলুন। সফটওয়্যারটি বহনযোগ্য বলে ইনস্টলের ঝামেলা নেই।

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১১

উইন্ডোজ এক্সপি’র ব্রাউজিং গতি আনুন

উইন্ডোজ এক্সপি’র ব্রাউজিং-এ গতি আনার জন্য একটি দারুন টিপস্। এটি আসলে একটি বাগ, যা উইন্ডোজ ২০০০ এ ছিল। এর কাজ হল Scheduled Task এর Shared File স্ক্যান করা। আপনি যখন একটি Shared Network এ কোন ফাইল দেখেন, তখন এটি ঐ কম্পিউটারের কোন Scheduled Task আছে কি না চেক করে। এই জন্য ৩০ সেকেন্ড দেরী হয়। তাই নিচের কাজটি করলে এটি আর Shared File চেক করে না। ফলে ইন্টারনেটের স্পিড কিছু হলেও বাড়ে। এজন্য Registry Editor খুলে HKEY_LOCAL_MACHINE> Software> Microsoft> Windows> Current Version>Explorer>RemoteComputer> NameSpace এ যান এবং {D6277990-4C6A- 11CF-8D87-00AA0060F5BF} এই Key টি ডিলিট করুন। এই Key টি উইন্ডোজ কে Scheduled Tasks করার Instruction দেয়।

আরও একটি উপায়

Start>Run>gpedit.msc তে যান। এবার administrative templates> network branch> QoS Packet Scheduler এ গিয়ে limit reservable bandwidth কে এনাবল করুন। এরপর “Bandwidth limit %”- এর মান ০ করে দিন। এটি counter what XP does(QoS) এর একটি অপশন, যা ডিজেবল করা থাকলেও এক্সপির জন্য ২০% Bandwidth ব্যবহার করে।
আশা করি টিপসটি কাজে লাগবে।

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১১

speed বাড়ান আপনার internet browsing


speed বাড়ান আপনার internet browsing
ছোট টুলস এর সাহায্য আপনার browsing speed বাড়ান,
এ ক্ষেত্রে আপনার browser এর আসা এ্যড গুলিকে শেষ ফেলে আপনার browsing speed বাড়িয়ে দেবে এই টুলসটি
Download করুন, নীচে থেকে।
http://majorgeeks.com/Glary_Utilities_d5870.html

শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১১

কম্পিউটারে নট রেসপন্ডিং প্রোগ্রাম বন্ধ

উইন্ডোজ এক্সপিতে Not Responding লেখা বার্তা এলে Close বাটনে ক্লিক করতে হয়। ফলে সব কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ সমস্যাটি এড়ানোর জন্য Start থেকে Run-এ গিয়ে regedit লিখে Enter চাপুন। এখন HKEY_CURRENT_USER/Control Panel/Desktop-এ যান। এবার ডান পাশের AutoEndTask অপশনে দুবার ক্লিক করুন এবং এখানে Value data হিসেবে ০-এর পরিবর্তে ১ লিখে বের হয়ে আসুন।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১০

পাঁচটি কম পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম

সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বলতে আমরা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমকেই (Windows Operating System) চিনি। বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের বেশিরভাগ ডেস্কটপ পিসি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলে। ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে যত সচেতনতা বাড়ছে, ততই লিনাক্স সম্পর্কে সমাজে আগ্রহের পরিমাণও বাড়ছে। আপনারা জানেন আমি "বাংলা হ্যাকস" ব্লগে এর আগে "পাপি লিনাক্স" (Puppy Linux) নিয়ে আলোচনা করেছি। আগামীতে সময়সুযোগ পেলে আরও করবো। এছাড়াও "উবুন্টু লিনাক্স" (Ubuntu Linux) নিয়েও মাঝেমধ্যে আলোচনা করে থাকি। মানুষের মধ্যে উইন্ডোজের প্রতি নির্ভরতা কমুক, ওপেন সোর্সের (Open Source) ধারণা ছড়িয়ে পড়ুক। মেধার বাস্তব ও সঠিক মূল্যায়ন হোক এইটুকু শুধু প্রত্যাশা আমার। উইন্ডোজ, পাপি লিনাক্স বা উবুন্টু লিনাক্স ছাড়াও আরও অনেক অনেক অপারেটিং সিস্টেম আছে যা মানুষ নিজেদের বিভিন্নরকম প্রয়োজনে ব্যবহার করে চলেছে। আজ আমরা জানবো কিছু কম বা অপরিচিত অপারেটিং সিস্টেমের কথা।

DSL (Damn Small Linux)
Damn Small Linux
এটা খুব ছোট সাইজের একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন। মাত্র ৬৪ মেগাবাইট আকারের এই অপারেটিং সিস্টেমটি উইন্ডোজ বা লিনাক্স এনভায়রনমেন্টের মধ্য থেকেও চালানো সম্ভব। আপনি ইচ্ছে করলে একটি ইউএসবি কার্ডের মধ্যে একে ইনস্টল করে নিয়ে অনায়াসে পুরনো কম্পিউটারগুলো থেকে বুট করতে পারেন। মূলত পুরনো এবং কম শক্তিশালী হার্ডওয়ারের মেশিনকে টার্গেট করে এই "ড্যাম স্মল লিনাক্স"কে বানানো হয়েছে।
মূল ওয়েবসাইটঃ http://www.damnsmalllinux.org
This is damn small linux run easily on any usb stick.Minix3
Minix 3
মিনিক্স ৩ তার পূর্ববর্তি ভার্সনগুলোর চাইতে এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর। আগের মিনিক্স ১ এবং মিনিক্স ২ তে যেসব সমস্যা ছিল, সেসব সমস্যা দূর করে মিনিক্স ৩ এখন অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছে।
নতুন এই সংস্করণটিতে বিভিন্নরকম ড্রাইভারগুলো আলাদা আলাদাভাবে কাজ করে। ফলে কোন একটি ড্রাইভারের ত্রুটির জন্য সম্পূর্ণ সিস্টেমটি ডাউন হয়ে যায় না।
কম শক্তির পুরনো পেন্টিয়াম কম্পিউটারে এটা খুব ভালভাবে চলবে। মাত্র ১৬ মেগাবাইট RAM হলেই এর ক্ষুধা মিটে যায়। ইনস্টলের জন্য মাত্র ৫০ মেগাবাইট জায়গা প্রয়োজন। কিন্তু যদি সব এপ্লিকেশন ইনস্টল করা হয়, তাহলে হার্ডডিস্কের ৬০০ মেগাবাইট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। মিনিক্স এর উন্নয়ন কাজ এখনও চলছে। আপনি যদি আগ্রহী হন, তাহলে আপনার জন্য দ্বার সম্পূর্ণ খোলা আছে।
ওয়েবসাইটঃ http://www.minix3.org/
Minix OS is perfect for educational system. Students can learn and play with it.Mona OS
Mona Os
মোনা অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে তার ওয়েবসাইটে খুব অল্প তথ্য দেয়া হয়েছে। এটাও ওপেন সোর্স এবং সুন্দরভাবে সাজানো গোছানো একটি অপারেটিং সিস্টেম। শিক্ষামূলক কাজে এর বিদ্যালয়ে এর ব্যবহার করা যেতে পারে।
ওয়েবসাইটঃ http://monaos.org
Mona OS came from Japan. It also targeted for educational work.React OS
React OS
ReactOS® উইন্ডোজ এক্সপি/ ২০০৩ এর স্ক্র্যাচ এর উপর দাঁড় করানো একটি আধুনিক ও বিনেপয়সার অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজ এনটি'র আর্কিটেকচারকে ফলো করে একে ডিজাইন করা হয়েছে। এটা কোন লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম নয়। আবার ইউনিক্সের কোন কিছু এতে ব্যবহার করা হয়নি।

ReactOS® এর মূল উদ্দেশ্য হল উইন্ডোজ এর একটি কমপ্যাটিবল তৈরি করা। ফলে এতে উইন্ডোজের জন্য তৈরি করা সফটওয়ারগুলো সব কাজ করবে। উইন্ডোজ ব্যবহার করতে গিয়ে যেমন অনুভব করতেন, তেমনই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। কোন অপরিচিত প্লাটফরম মনে হবে না।
তবে এটা এখনও আলফা অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান ভার্সন ০.৩.১১। এর উন্নয়ন কাজ এখনও চলছে। তাই প্রাত্যাহিক কাজের জন্য এটা এখনও উপযুক্ত হয়ে উঠেনি।
ওয়েবসাইটঃ http://www.reactos.org/
React OS want to replace windows operating system.Slax
Slax
Slax একটি আধুনিক, বহনযোগ্য, ছোট আকারের দ্রুততর লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম। এর সুন্দর নজরকাড়া ডিজাইন সহজে সবার আগ্রহ তৈরি করবে। স্লাক্স এর মধ্যে প্রতিদিনের ব্যবহারযোগ্য বেশ কিছু সফটওয়ার আগে থেকেই দিয়ে দেয়া আছে। এর গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস বেশ সহজ। মাউস দিয়েই বেশিরভাগ কাজ সারা যায়। তবে যদি পছন্দের কোন সফটওয়ার বাদ থেকে যায়, তাহলে সহজে এর মডিউলটি ডাউনলোড করে শুধুমাত্র কপি করে রেখে দিলেই হল। কোনরকম ইনস্টল বা কনফিগার করতে হবে না।

এটা এত সহজ ও কাজের অপারেটিং সিস্টেম যে একে সিডি, ইউএসবি ড্রাইভ, এমপিথ্রি প্লেয়ার, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং হার্ডডিস্ক যে কোন মাধ্যম থেকেই রান করতে পারবেন। ফাইল সাইজ মাত্র ২০০ মেগাবাইট।

স্লাক্স অপারেটিং সিস্টেমের সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে যে অনলাইন থেকে আপনি পছন্দমতো এপ্লিকেশন সিলেক্ট করে নিয়ে একটিমাত্র ISO ফাইল হিসেবে সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেমটিকে ডাউনলোড করতে পারবেন। অর্থাৎ নিজের প্রয়োজনমতো করে একটি অপারেটিং সিস্টেম আপনি নিজেই তৈরি করে নিতে পারবেন। অবশ্য এর জন্য সাইটে লগইন করে নিতে হবে।

রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১০

আপনার Browser এর হোমপেজ বদলে দিন আপনার নাম অথবা আপনার ছবি দিয়ে

আমরা সবাই নানারকম browser ব্যাবহার করি ।যার ফলে আমাদের browser এর হোমপেজটা -ও আসে ভিন্ন ভাবে। আমরা সবাই চাই যাতে আমাদের নিজেদের নাম অথবা অথবা নিজেদের ছবি যেন হোমপেজ এ থাকে । কিন্ত না জানার কারনে তা আর করা সম্ভব হয়ে উঠে না।
চলুন জেনে নেয়া যাক কি করে এটি সম্ভব পর হয়ে উঠে ।

১। প্রথমেই নাম দিয়ে পরিবর্তন করা :
এরপর এখানে click to select style এ ক্লিক করে style বেছে নিব এবং পাশের বক্স এ আমার নাম লিখবো।
আমি বেছে নিলাম burning guitar . এবং আমার browser এর নাম দিলাম ROMEL .
77 google2 আপনার Browser এর হোমপেজ বদলে দিন আপনার নাম অথবা আপনার ছবি দিয়ে  | Techtunes
এরপর enter চাপুন । দেখুন তো কোন পরিবর্তন দেখতে পান কিনা !
76 untitled আপনার Browser এর হোমপেজ বদলে দিন আপনার নাম অথবা আপনার ছবি দিয়ে  | Techtunes
ব্যাস হয়ে গেল ।তবে একবারেই শেষ না ,আরও আছে। এবার আপনার URL লিঙ্ক টা copy করে আপনার browser এর tools এ যান।
tools থেকে option এ যান। এখানে homepage এ আপনার কপি করা লিঙ্ক টি paste করে দিয়ে apply/ok করুন।
এবার restart করুন আপনার browser. দেখুন তো মজা পান কি না !

২। ছবি যোগ করে পরিবর্তন করা :
এবার এখানে ক্লিক করুন। এরপর enter চাপুন।
এখন আপনার ছবি browse করে upload করে দিন

শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১০

লিনাক্স কি এবং এর জনপ্রিয়তা এত বেশী কেন?

প্রত্যেকটি ডেক্সটপ কম্পিউটার কোন একটি অপারেটিং সিষ্টেম এর মাধ্যমে চলে। বর্তমান যুগে সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিষ্টেমগুলো হচ্ছে:

  • উইন্ডোজ
  • ম্যাক ওএস
  • ইউনিক্স
ইউনিক্স এর যে সংস্করণটি বিগত কয়েক বছরে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে তারই একটি হচ্ছে লিনাক্স
অপারেটিং সিষ্টেম হচ্ছে কম্পিউটার প্রোগ্রাম। কম্পিউটার চালু করার পর সবার আগে যে সফটওয়ারটি চলে তা হচ্ছে অপারেটিং সিষ্টেম। অপারেটিং সিষ্টেম নিজেই নিজেকে মেমোরীতে ধারণ করে নেয় এবং কম্পিউটারের রিসোর্সগুলোর ব্যবস্থাপনা করতে থাকে। ইউজার যে এ্যাপ্লিকেশন চালাতে চায় তাকে দরকার অনুযায়ী পরিমানমত এই রিসোর্সগুলো দেয়া হয়। অপারেটিং সিষ্টেম যে কাজ করে থাকে:
  • টাস্ক সিডিউলার – বিভিন্ন ধরনের টাস্কের মধ্যে সি.পি.ইউ. বন্টন করে দেয় এই টাস্ক সিডিউলার। এই টাস্কগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউজার কর্তৃক চালানো বিভিন্ন ধরনের এ্যাপ্লিকেশন এবং কিছু অপারেটিং সিষ্টেম টাস্ক। টাস্ক সিডিউলার অপারেটিং সিষ্টেমের সেই অংশ যেটা আপনাকে একই সাথে একটি উইন্ডোতে ওয়ার্ড প্রসেসর থেকে কোন ডকুমেন্ট প্রিন্ট এবং আরেকটি উইন্ডোতে কোন একটি ফাইল ডাউনলোড আবার তৃতীয় কোন উইন্ডোতে একটি স্প্রেডশীট পুনর্বার হিসাব করে দেয়।
  • মেমোরী ম্যানেজার – এটি কম্পিউটারের RAMকে নিয়ন্ত্রন করে এবং হার্ড ডিস্ক এর একটি ফাইলের মাধ্যমে সাধারনত RAM এর চেয়ে বড় ভার্চুয়াল মেমোরী সৃষ্টি করে।
  • ডিস্ক ম্যানেজার – এটি ডিস্কের(হার্ড ডিস্ক) ভিতরে ডিরেক্টরী এবং ফাইল তৈরী এবং ব্যবস্থাপনা করে থাকে। যখন আপনি কোন একটি ফাইল চাবেন, ডিস্ক ম্যানেজার ডিস্ক থেকে ফাইলটি বের করে দিবে।
  • নেটওয়ার্ক ম্যানেজার – এটা কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক এর মধ্যে চলমান সকল তথ্য বা ডাটা নিয়ন্ত্রন করে।
  • অন্যান্য আই/ও (ইনপুট/আউটপুট) সার্ভিস ম্যানেজার – অপারেটিং সিষ্টেম কিবোর্ডমাউসভিডিও ডিসপ্লেপ্রিন্টার ইত্যাদি ব্যবস্থাপনা করে।
  • সিকিউরিটি ম্যানেজার – অপারেটিং সিষ্টেম কম্পিউটারের ভিতরে ফাইলগুলোর তথ্যের গোগনীয়তা রক্ষা করে এবং কে কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে তা ঠিক করে।
অপারেটিং সিষ্টেম সাধারনত সিষ্টেমের ইউজার ইন্টারফেস দিয়ে থাকে। একটা সাধারন উইন্ডোজ এক্সপি তে আপনি দেখতে পাবেন স্টার্ট বাটন, টাস্ক বার ইত্যাদি। অন্যদিকে ম্যাক ওএস ম্যাকিনটোস কম্পিউটারের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটি লুক এ্যান্ড ফিল দিয়ে থাকে।
অপারেটিং সিষ্টেম বলে লিনাক্সও এরকমই একটি জিনিস। লিনাক্সের এত জনপ্রিয়তা সম্পর্কে জানতে চাইলে এর ইতিহাসের খানিকটা জানার দরকার আছে। ইউনিক্স এর ১ম ভার্সন তৈরী হয় কয়েক যুগ আগে। তখন এটা প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষনার জন্য ব্যবহার করা হত। ১৯৮০ সালের দিকে চলে আসে সান(Sun)এর মত কম্পানীর অতি-শক্তিশালী ইউনিক্স নির্ভর ডেস্কটপ ওয়ার্কষ্টেশন। এরপর এই ওয়ার্কষ্টেশনের জগতে সান এর প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভাব ঘটে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান: এইস.পি.(HP), আই.বি.এম (IBM), সিলিকন গ্রাফিক্স, এ্যাপোলো এবং আরও অনেকে। দূর্ভাগ্যবশত এদের প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা ইউনিক্স এর সংস্করণ ছিল। এবং এটা সফ্টওয়ারের এর বাজার কঠিন করে তুলছিল। উইন্ডোজ এন.টি. এই বাজারের জন্য খুব ভাল এক পণ্য ছিল। ইউনিক্স অপারেটিং সিষ্টেমের সকল দিকগুলোই ছিল এই এন.টি.র মধ্যে – সিকিউরিটি, একাধিক সি.পি.ইউ. এর সাপোর্ট, প্রচুর মেমোরী এবং ডিস্ক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি – কিন্তু এই ফিচারগুলো এতে এমনভাবে থাকত যেন প্রায় সকল উইন্ডোজ এ্যাপ্লিকেশনের সাথে এরা কম্পাটিবল হত।
হাই-এন্ড ওয়ার্কষ্টেশন এর জগতে মাইক্রোসফ্ট এর আগমন এক বিশাল গতির সঞ্চার করল।  বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অপারেটিং সিষ্টেমের মালিক হওয়ায় এবং ইউনিক্স ওয়ার্ল্ড এর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রন পর্যাপ্ত না থাকায় ইউনিক্স দূর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু মাইক্রোসফ্ট নিয়ে বহু মানুষের ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল।  এই ধরনের একটি অবস্থায় লিনাক্স প্রবেশ করে এবং ব্যাপক আকর্ষন লাভ করে।
লিনাস টরভাল্ডস এর তৈরী লিনাক্স কার্নেল সবার জন্য বিনা পয়সায় উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। তারপর কার্নেলে যোগ দেয়ার জন্য টরভাল্ডস সবাইকে আমন্ত্রন জানান এবং তারা সবাই নিজ নিজ অবদান করেন বিনা পয়সায়। হাজার-হাজার প্রোগ্রামার লিনাক্সকে সমৃদ্ধ করতে থাকেন এবং লিনাক্স খুব দ্রুত তৈরী হয়ে যায়। যেহেতু এটি ফ্রি এবং একটি পি.সি. প্লাটফর্মের উপর চলে, হার্ড কোর ডেভেলপারদের মধ্যে একটি অংশ খুব তাড়াতাড়ি এর ভক্ত হয়ে যান।
বেশ কিছু বিভিন্ন ধরনের মানুষের কাছে লিনাক্স এর জন্য একটি বিশেষ আকর্ষন এবং প্রাপ্তি আছে:
  • যারা আগে থেকেই ইউনিক্স জানেন এবং পি.সি. ধরনের হার্ডওয়্যারে এটা চালাতে চান
  • যারা অপারেটিং সিষ্টেম প্রিন্সিপাল নিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করতে চান
  • যারা অপারেটিং সিষ্টেম এর উপর ভালো দখল অর্জন করতে চান বা যাদের এটা দরকার আছে
  • যাদের মাইক্রোসফট এর সাথে ব্যক্তিগত সমস্যা আছে
সাধারনত, উইন্ডোজ এর মত কোন অপারেটিং সিষ্টেম এর থেকে লিনাক্স নিয়ন্ত্রন করা বেশ কঠিন কিন্তু এতে বেশী কনফিগারেশন অপশন পাওয়া যায় এবং এগুলো বেশ সহজ।