ক্যামেরা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ক্যামেরা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

Mobile Specification সম্পর্কেঃ-২

Megapixel / মেগাপিক্সেল কি?

মেগাপিক্সেল হচ্ছে ১০ লক্ষ পিক্সেল এর সংক্ষিপ্ত রূপ। পিক্সেল হল একটি ইমেজ ফাইলের একক(একটি মাত্র ডট যা ছবির তথ্য সংবলিত) মেগাপিক্সেল ছবি যেকোনো আকৃতির হতে পারে। এটা আসলে ইমেজের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গুনফলের মাধ্যমে পাওয়া যায়। বেশি মেগাপিক্সেল মানে বড় আকৃতি এবং অধিক তথ্য
 সংবলিত ছবি।

Camera Pixel / ক্যামেরা পিক্সেল কি?

ক্যামেরা পিক্সেল বা, ক্যামেরা রেজোলিউশন হচ্ছে, ক্যামেরা দ্বারা ধারণকৃত সর্বোচ্চ আকৃতির ছবির আকার। উপরে উল্লেখিত মেগাপিক্সেল গননা করার পদ্ধতিতেই ক্যামেরা পিক্সেল বা, ক্যামেরা রেজোলিউশন গননা করা হয়।ক্যামেরা রেজোলিউশন যত বেশি, ছবি তত বিস্তারিত এবং অনেক বেশি

মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১১

ভাল ছবির জন্য কোনটা বেশী গুরুত্বপূর্ণ? – ক্যামেরা নাকি লেন্স?

উৎসর্গঃ রিয়াজ উদ্দিন - নাদিম ভাইকে;  যিনি শয়নে, স্বপনে, জাগরনে ফটোগ্রাফী নিয়ে ভাবেন। 
Nikon D7000 + 18-105/3,5-5,6 VR
আমরা সবাই জানতাম, একটি ভালো কোয়ালিটির ছবির জন্য প্রয়োজন একটি ভালো মানের ক্যামেরা। এই ধারনা বহু বছর আগে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন সবাই জানে, একটি ভালো কোয়ালিটির ছবির জন্য প্রয়োজন একটি ভালো মানের ক্যামেরা ও তার সাথে একটি ভালো মানের লেন্স। কিন্তু কোনটি বেশী গুরুত্বপূর্ণ? ভালো ক্যামেরা নাকি ভালো লেন্স? আনেকেই হয়তো বলে থাকবেন অবশ্যই ভালো মানের ক্যামেরা। আর ভালো মানের ক্যামেরার সাথে তো একটা কিট লেন্স দিয়ে দেয়। ওইটা দিয়ে তো খুব ভালো ছবি তোলা যায়। কিট লেন্সের সাথে খুব সুন্দর একটা UV Filter ফ্রি দিয়ে দেয়। আর সব লেন্সের ছবির কোয়ালিটি তো প্রায় কাছাকাছি। খালি চোখে ধরা যায় না। তার চাইতে বেশী দাম দিয়ে ক্যামেরা কিনলে বেশী megapixel এর সাথে আরো কত কিছু থাকবে। গত ৬ মাস আগে আমারো এই ধারণা ছিল। শুধু নতুনদের দোষ দিব না, আমি অনেক সিনিয়র ফটোগ্রাফার দেখেছি যারা এই দৌড়ে নতুনদের চাইতে খুব বেশী পিছিয়ে নাই।

Canon EOS 1D Mark IV

একটা কথা বলে রাখা ভালো, কিট লেন্সের সাথে যে UV Filter ফ্রি দেওয়া হয় ওইটা নকল। ওইটা আসলে Safety filter. আপনার লেন্সে যাতে ময়লা না পরে তাই এটা দেওয়া হয়। এটার মূল্য মাত্র ১০০ টাকা। মনে রাখবেন এই নকল filter আপনার ছবির কোয়ালিটি একটু হলেো কমিয়ে দিবে।  সাইজ আর কোয়ালিটির উপড় নির্ভর করে একটা অরিজিনাল UV filter এর মূল্য ৭০০-৩,৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

শুনতে কষ্ট লাগলেও সত্যি কথা হচ্ছে, একটা ভালো মানের ছবির পিছনে ক্যামেরার অবদান খুব কম। যারা অনেক দাম দিয়ে ক্যামেরা কিনেছেন আর সাথে ব্যবহার করেন শুধু একটা কিট লেন্স, তাদের জন্য দু্ঃখ প্রকাশ করা ছাড়া  আর কিছু করার নাই। ক্যামেরার কাজ হচ্ছে অটোমেটিক্যালি অথবা আপনার করা settings অনুযায়ী exposure (Shutter, aperture, ISO, White balance, metering) এর মাধ্যমে ছবিটা sensor থেকে memory card এ Transfer করা। আর বর্তমান কালের সব ক্যামেরায় এইসব থাকে। তাহলে ভালো ছবির জন্য একটা ক্যামেরার সাথে আর একটার পার্থক্য কোথায়? অনেক পার্থক্য আছে। যেমন : Body type, Technology, Sensor type (1x, 1.3x, 1.6x), Processor type, In camera processing feature, ISO range, Noise reduction system etc……) এত পার্থক্য দেখে যে কেউ বলবে এগুলোই তো অনেক কিছু ভালো ছবি তোলার জন্য। ধারণটা অনেকাংশে ভুল। এক ক্যামেরা থেকে অন্য ক্যামেরার মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে Color reproduction system। এই Color reproduction এর কাজ করে মূলত Processor। Sensor তাকে এ কাজে সাহায্য করে। একটা ছবি যখন লেন্সের মাধ্যমে ক্যামেরায় আসে তখন তা Sensor এ এসে পরে। Sensor তা RAW আকারে ধারণ করে Processor এ পাঠায়। Processor তখন Metering আর White balance অনুযায়ী তা গ্রহণ করে। তারপর ছবিটাকে লক্ষ লক্ষ Pixel এ ভাগ করে তার color rearrange/reproduction করে। সম্পূর্ণ ছবিটা color দিয়ে এডিট করা হয় এই সময়। সব কাজ শেষ হলে processor তা Memory card এ Transfer করে। তারপর আমরা ছবিটা মেমরি থেকে দেখতে পারি, কপি/ডিলিট করতে পারি। Processing এত তাড়াতাড়ি হয় যে তার মিলিসেকেন্ডের মধ্যে মেমরিতে চলে আসে। এই হচ্ছে সহজ ভাষায় বর্তমান DSLR ক্যামেরার কার্যপ্রণালী। এজন্য Canon ক্যামেরার color অন্য যেকোন ক্যামেরা কোম্পানী থেকে ভালো। এখন পর্যন্ত Canon এর Processor কে পৃথিবীর সবচাইতে Advance processor বলা হয়। Canon বর্তমানে সব ক্যামেরায় DIGIC IV processor ব্যবহার করে থাকে।

একবার ভেবে দেখুন তো, যখন চোখে ছানি পরে তখন কেন সব ঝাপসা দেখা যায়? কারণ চোখ ঝাপসা বলে আপনি যা দেখছেন তা আপনার মস্তিস্কে ঝাপসা ভাবে উপস্থাপন হচ্ছে। ক্যামেরাকে মস্তিস্ক আর লেন্সকে মানব চোখের সাথে তুলনা করুন। লেন্স দিয়ে যদি ছবি পরিষ্কারভাবে এবং বাস্তবের মত হবহু প্রবেশ করতে না পারে তাহলে আপনার ক্যামেরা যত দামী হোক তা ছবিটাকে কখনো পরিষ্কার করে save করতে পারবে না। কিন্তু যদি আপনার ক্যামেরা বাজারের সব চাইতে কম দামী হয় যা color rearrange/reproduction খুব দূর্বলভাবে করে save করছে তখন আপনি কি করবেন। Editing software আপনাকে অনেক স্বধীনতা দিয়ে এইসব Limitation দূর করেছে। আপনি খুব সহজে ছবিটা Edit করে কালার ঠিক করে ফেলতে পারবেন। কিন্তু দূর্বল সস্তা লেন্সের কারনে যদি ছবিটা unsharp এবং ভুলভাবে ক্যামেরায় প্রবেশ করে তখন আপনি তা আর ঠিক করতে পারবেন না। পারলেও তা খুব সিমীত আকারে। তাহলে কি ভালো ক্যামেরার দরকার নাই? অবশ্যই আছে। ভালো ক্যামেরা আপনাকে ভালো কাজের জন্য সাপোর্ট দিবে। কিন্তু লেন্সের প্রাধান্য বেশী।

কিট লেন্স হচ্ছে খুব Lower grade এর লেন্স। এগুলো থেকে কখনো প্রফেসনাল কোয়ালিটি আশা করবেন না। আর কখনো Focal length বেশী দেখে আর কিছু চিন্তা না করে লেন্স কিনবেন না। সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ হচ্ছে একটা Wide, একটা Tele, আর একটা Prime lens রাখা। ভালো সাপোর্ট চাইলে 18-200mm এই টাইপ লেন্স কিনবেন না। বাজেট খুব বেশী থাকলে Nikon ব্যবহারকারীরা G series আর Canon ব্যবহারকারীরা L series লেন্স কিনতে পারেন। মেটাল বডির লেন্সগুলোর Sharpness খুব ভালো হয়। Canon এর চাইতে Nikon লেন্সের Sharpness বেশী।

Canon EF-S 55-250/4,0-5,6 IS

এই Post থেকে আমি শুধু একটা জিনিস বুঝানোর চেষ্টা করেছি, দামী ক্যামেরা না কিনে দামী লেন্স কিনার চেষ্টা করুন। অনেক ভালো ফল পাবেন।

সোমবার, ৬ জুন, ২০১১

কোন DSLR ক্যামেরা আপনার জন্য উপযোগী?



উৎসর্গঃ রিয়াজ উদ্দিন - নাদিম ভাইকে;  যিনি শয়নে, স্বপনে, জাগরনে ফটোগ্রাফী নিয়ে ভাবেন। 


খুব কম তরুণ, তরুণী আছে যারা ফটোগ্রাফি পছন্দ করে না। কিন্তু সবার পক্ষে পুরোদমে ফটোগ্রাফিতে আসা হয়ে উঠে না। টাকা এখানে একটি বড় বাধা। একটা প্রফেসনাল ক্যামেরার অনেক দাম। সবার পক্ষে কিনা সম্ভব হয়না। কারো কারো উদ্যোগের অভাবে আর হয়ে উঠে না। 

আমরা কি একটু ভেবে দেখেছি যে আমরা কত দিকে কত টাকা খরচ করছি? দামি মোবাইল, আড্ডা, ধূমপান (যাদের অভ্যাস আছে), কাপড় এই সবের পিছনে প্রতি বছর আমরা কত টাকা খরচ করছি তা কি আমরা হিসাব করে দেখেছি? শুধু ঈদে আমরা অনেক টাকা খরচ করি। এই সব অবশ্যই করব। কিন্তু এখান থেকে যদি কিছু টাকা জমা রাখতে পারি শুধু তা দিয়ে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড ক্যামেরা কিনা যায়। ১৫,০০০-২০,০০০ টাকা বাজেট করলে দেখেশুনে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড ক্যামেরা কিনা যায়। 

আমি অনেক নতুন ফটোগ্রাফার দেখেছি যারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যে কোন ক্যামেরা তারা কিনবে। ওরা তখন দোকানদার, অন্য ফটোগ্রাফারদের সিদ্ধান্তে ক্যামেরা কিনে ফেলে। পরে দেখা যায় যে জিনিসটা সে চাইছে তা ওই ক্যামেরার মধ্যে নাই। একটা ক্যামেরা কিনার জন্য টাকা যোগার করতে যার ঘাম ছুটে যায় তার পক্ষে আগের ক্যামেরা বিক্রি করে আরো কিছু টাকা দিয়ে নতুন আর একটা কিনা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। সব DSLR ক্যামেরা ভাল। কিন্তু এক একটার এক এক বৈশিষ্ঠ্য। এখানে আমি শুধু ১,০০,০০০ টাকার কম দামের NIKON আর CANON DSLR নিয়ে বলব। 

NIKON এর ভাল দিক : 
1. More sharp lens compare to CANON
2. Cheap price compare to CANON
3. Well build body
4. More user friendly
5. Large lens lineup
6. Suite for any type of weather
7. Made in Thailand
8. Easy use

CANON এর ভাল দিক :
1. Higher ISO compare to NIKON
2. Made in JAPAN
3. Large lens lineup
4. Feel more professional
5. A lot of dedicated key
6. Fantastic Color and white balance
7. More option compare to NIKON
8. Light weight compare to NIKON
9. Famous for "L" series lens

মনে রাখবেন, স্বল্প মূল্যের NIKON এ সব লেন্স Autofocus করেনা, কিন্তু CANON এ করে । বাঙলাদেশের আবহাওয়ার জন্য NIKON খুব ভাল। কড়া রোদে CANON মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যায়। NIKON এর চাইতে CANON এর ছবির কালার অনেক ভাল হয়। প্রফেশনালরা এজন্য CANON খুব পছন্দ করে। সাদা রঙের CANON "L" series lens প্রফেশনালদের খুব প্রিয়। NIKON এর কমদামি লেন্স এর কোয়ালিটি CANON এর চাইতে অনেক ভাল। DSLR এ সব চাইতে বড় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে ISO Noise আর Grain. এগুলো ভাল ছবিকে নষ্ট করে দেয়। এক্ষেত্রে CANON খুব ভাল। CANON এ ISO খুব বেশি কিন্তু Noise আর Grain অনেক কম। ক্যামেরার ISO পারফরমেন্স ভাল না হলে কম আলোতে ফ্লাশ ছাড়া ছবি তোলা আর না তোলা সমান। NIKON এর বডি CANON থেকে শক্ত।
এখন আপনি কি চাইছেন তার উপড় নির্ভর করবে কোনটা নিবেন। NIKON এর ছবি sharp বেশী, CANON এর ছবিতে কালার ভাল।

# আপনি কম দামে sharp আর ভাল কোয়ালিটির লেন্স, আবহাওয়া উপযোগী ক্যামেরা চাইলে NIKON এর দিকে যান। 

# আপনি ছবিতে উন্নত মানের কালার, অসাধারণ ISO পারফমেন্স, বেশী dedicated key চাইলে CANON এর দিকে যান। 

কিছু ক্যামেরার আনুমানিক মূল্য (টাকায়) দেওয়া হল :
1. 35,000 Tk = Canon EOS 1000D + Canon 18-55 IS lens
2. 35,000 Tk = NIKON D3000 + Nikon 18-55 VR lens
3. 42,000 Tk = Nikon D5000 + Nikon 18-55 VR lens
4. 50,000 Tk = Canon EOS 500D + Canon 18-55 IS lens
5. 50,000 Tk = Nikon D3100 + Nikon 18-55 VR lens
6. 57,000 Tk = Canon EOS 550D + 18-55 IS lens
7. 65,000 Tk = Canon EOS 50D + 18-55 IS lens
8. 74,000 Tk = Nikon D90 + 18-105mm lens
9. 82,000 Tk = Canon EOS 60D + Canon 18-55mm IS lens
10. 1,00,000 Tk = Canon EOD 7D + 18-55mm IS lens 

এখানে শুধু ক্যামেরার বিভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে বলা হল। লেন্স নিয়ে অন্য  ব্লগে লিখবো । 

শনিবার, ৪ জুন, ২০১১

বাংলাদেশে কোন ক্যামেরা কোথায় পাবেন এবং ক্যামেরা নিয়ে সকল ধরনের পরামর্শ

উৎসর্গঃ রিয়াজ উদ্দিন - নাদিম ভাইকে;  যিনি শয়নে, স্বপনে, জাগরনে ফটোগ্রাফী নিয়ে ভাবেন। 



যাদের ছবি তোলার শখ আছে তাদের জন্য ক্যামেরা এর খোজ খবর নেওয়াটা জরুরী। ব্লগে ইদানিং অনেককেই ফটো নিয়ে কথা বলতে দেখা যায়।
আসুন তাহলে দেশের বাজারে কোথায় কি পাবেন, তা জেনে নেই 
ক্যামেরা কেনার আগে ইন্টারনেটে সেই ক্যামেরার ভালমন্দ জেনে নেবেন এটাই স্বাভাবিক। ক্যামেরার বর্ননা ছাড়াও এক্সপার্ট রিভিউ বলে দেয় সেই ক্যামেরার দোষত্রুটি আছে কিনা। আর ইউজার রিভিউ বলে দেয় তাদের অভিজ্ঞতার কথা। ক্যামেরা বাছাই করার পরই প্রশ্ন আসে সেটা বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাবে কি-না, দাম কত, ইত্যাদি। হতাশ করে দিয়ে বলতে হচ্ছে এখনও ইন্টারনেটে এই ব্যবস্থা চালু হয়নি। 
তারপরও আপনি ক্যামেরা কেনার জন্য কি করতে পারেন ধারনা পেতে পারেন এখানে।

বাংলাদেশে নাইকন  এবং অলিম্পাস ক্যামেরার ডিলার ফ্লোরা লিমিটেড। তাদের ওয়েবসাইটে কিছু মডেল দেখা যাবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দাম লেখা নেই। ফোন করে জেনে নিতে হবে।

 
  
ক্যানন 
ক্যামেরার ডিলার জেএএন। তাদের ওয়েবসাইট নেই। আইডিবি ভবনে শোরুম রয়েছে সেখানে গিয়ে খোজ নিতে হবে।
প্যানাসনিকের ডিলার এসিআই। তাদেরও ওয়েবসাইট নেই। তবে বিভিন্ন বিক্রেতার মাধ্যমে প্যানাসনিক ক্যামেরা বিক্রি হয়। বসুন্ধরা সিটিতে একটি শোরুম রয়েছে।

সনির ডিলার র‌্যাংস। তাদেরও ক্যামেরার ওয়েবসাইট নেই। বিভিন্ন শোরুমে গিয়ে খোজ নিতে হবে।

কোডাকের ডিলার কম্পিউটার সোর্স। তাদের ওয়েবসাইটে দামসহ ক্যামেরার উল্লেখ রয়েছে।

এর বাইরে অন্য ক্যামেরা কিনতে হলে সরাসরি দোকানে গিয়ে খোজ নিতে হবে। আইডিবি ভবনে অনেকগুলি দোকানে ক্যামেরা বিক্রি হয়। বসুন্ধরা সিটি ক্যামেরা বিক্রির জন্য তেমন পরিচিত না হলেও সেখানে নতুন মডেলের সুপারজুম ক্যামেরাগুলি পাওয়া যায়। আর সবশেষ যায়গা বায়তুল মোকাররম এবং ষ্টেডিয়াম মার্কেট।
আরেকটি বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন, ডিলার ক্যামেরা বিক্রি করে ওয়ারেন্টি সহ, তাদের ট্যাক্স দিয়ে ক্যামেরা আনতে হয়।
যদি দামের সুবিধে পেতে চান তাহলে বায়তুল মোকাররম সবচেয়ে ভাল যায়গা।
ক্যামেরা বর্তমানে ৩ ধরনের।
১.ডিএসএলআর ( দাম শুরু ৩০,০০০ +) প্রফেশনাল
২. সুপার জুম ( দাম শুরু ১৫,০০০ +) মোটামুটি ভাল কাজের
৩.কম্প‌্যাক্ট বা পয়েন্ট অ্যান্ড শুট (৬,০০০+) শখ মেটানো

#পয়সা বেশি হলে ৩০,০০০+ টাকায় সরাসরি ডিএসএলআর কেনা উচিত।
# ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ এর ভিতর ক্যামেরা না কেনাই উচিত।
#এন্ট্রি লেভেলের ক্যামেরাতে ব্যাটারী লিথিয়াম-আয়ন রিচার্জেবল হতে হবে।
# এখন পারলে এইচডি মুভি রেকর্ড করা যায় এমন ক্যামেরা কিনুন।
# এক্সট্রা ১টা বা ২টা ব্যাটারী সাথে রাখুন।নিশ্চিন্ত থাকুন
# মেমরি কার্ড কিনুন ৪ গিগাবাইট
# অকেশনে যাবার আগে চার্জ নিশ্চিত করে রাতে ঘুমাতে যান।
# পিকনিকে গেলে ট্রাইপড নিলে ভালভাবে ছবি শুট করতে পারবেন।
# লেন্স ব্যাবহার করলে তার মধ্যে যেন বালু না যায় তা লক্ষ্য রাখুন।
# বর্ষাকালে লেন্স কাচের পাত্রে রাখতে পারেন।
# মেমরি কার্ড রাখুন ২টি। স্টোরেজ সমস্যা হতে পারে যেকোন সময়।
# আইএসও এবং রুল অব থার্ডস ব্যাপারটা ভালভাবে জব্দ করুন।
# মজাদার ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা অন রাখুন সবসময়(পিকনিকে)
# এসএলআর নিয়ে কিছু বলতে পারবোনা ( আমার নাই, তাই)
#নতুন ক্যামেরা কেনার সময় কি কি দিবে সাথে এবং ওয়ারেন্টি জেনে নিন।

হ্যাপি ফটোগ্রাফি ............