ল্যাপটপ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ল্যাপটপ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০১৩

ল্যাপটপে থাকা ব্রডব্যান্ড থেকেই তৈরি করুন ওয়াইফাই


আপনার ল্যাপটপে থাকা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ থেকেই তৈরি করতে পারেন তারহীন দ্রতগতির ওয়াইফাই সংযোগ। এর ফলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট-সুবিধা পেতে পারেন এবং সেটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেটেও ব্যবহার করতে পারেন। ব্রডব্যান্ড থেকে ওয়াইফাই-সুবিধা তৈরি করতে চাইলে http://biblprog.org.ua/en/connectify ঠিকানা থেকে Connectify_Hotspot নামের সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন। ইনস্টল করে নিন নিজের ল্যাপটপে। তারপর ল্যাপটপটির আশপাশে অন্য একটি ল্যাপটপ অথবা স্মার্টফোন দিয়ে ব্যবহার করুন তারবিহীন ওয়াইফাই ইন্টারনেটসেবা। এ ক্ষেত্রে যে ল্যাপটপে ব্রডব্যান্ড সংযোগ আছে, সেটি একটি রাউটার হিসেবে কাজ করবে। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পর অন্য ল্যাপটপ ও মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়ার জন্য একটি গোপন নম্বর (পাসওয়ার্ড) চাইবে, যা অ্যাডমিন হিসেবে আপনাকে বসাতে হবে ও কানেক্ট বোতামে ক্লিক করতে হবে। 
এ ক্ষেত্রে পছন্দসই একটি গোপন নম্বর দিন। এ গোপন নম্বরটি মনে রাখুন। এ ওয়াইফাই সংযোগ থেকে ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চাইলে অবশ্যই এ গোপন নম্বরটি লাগবে। এবার উপভোগ করুন ওয়াইফাই ইন্টারনেট সেবা। ডেস্কটপে এই ব্যবস্থা করতে গেলে অবশ্যই ওয়াইফাই যন্ত্র লাগবে।

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

নোটবুক বনাম নেটবুক

মোবিলিটির প্রয়োজনে আমাদের প্রয়োজন এমন এক যন্ত্র যা বহনযোগ্য হালকা, দরকারি কাজের কাজী, আর সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে সেটা চলতে পারবে অনেক্ষন। প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে ল্যাপটপ নোটবুকএই চাহিদা পূরন করলেও মানুষের দরকার আরো পোর্টেবিলিটি। তাই এসেছিলনেটবুক- আরো হালকা আরো বেশি ব্যাটারি ব্যাকাপ। যদিও খুব শিঘ্রীই বাজারে রাজত্ব করবে আইপ্যাডের মত ট্যাবলেট পিসি

নোটবুক আর নেটবুকের মধ্যে সাধারন পার্থক্য হল-
*নেটবুক অনেক হালকা ( ০.৯ কেজি থেকে ১.৪ কেজি এর মধ্যে)
*ব্যাটারী ব্যাকাপ বেশি ( সাধারনত ৬ ঘন্টা তবে ৮-৯ ঘন্টার গুলাই বেশি চলে।)
*দাম কম
*মনিটর স্ক্রীন সাইজ ছোট( ৭ইন্চ থেকে ১১.৬ ইন্চ, যদিও এখন স্ট্যান্ডার্ড হল ১০.১ ইন্চ)
*মাল্টিটাস্কিং এ ভাল না( স্লো প্রসেসরের কারনে)
*ভাল গেম খেলা যায় না, উচিতও না।
গ্রাফিক্স বা সিমুলেশন সফটওয়ার চলে 
ভিএলসি প্লেয়ার আটকায়ে আটকায়ে যায়
 *বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ব্যা
হার করা হয় ইন্টেল এটম প্রসেসর ( Click This Link)       , তবে  কিছু কিছু (১১.৬ ইন্চ মনিটর আলা গুলায় )ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয় সেলেরন বা ডুয়েল কোর প্রসেসর, সেগুলার দাম বেশি।
ডিভিডি রম থাকে না, তবে কিছু কিছু (১১.৬ ইন্চ মনিটর আলা গুলায় ) ডিভিডি রম থাকে, স্বাভাবিক ভাবে দাম অনেক বেশি।

নেটবুক আর নোটবুকের পার্থক্য দেখতে ইন্টেলের লিনক- Click This Link 
নেটবুক মূলত হালকা ধরনের কাজের জন্যই ব্যাভার করা হয়। অনেকই ব্যাকাপ হিসেবে ডেসক্টপ বা নোটবুক রাখেন। দরকারেই রাখা উচিত। কারন নেটবুকে আপনি সব কাজ করতে পারবেন না। কেনার আগে তাই আপনার হিসাব করা উচিত কি কি কারনে আপনি নেটবুক টা কিনতে চাচ্ছেন। 

এটম প্রসেসর নিয়ে কিছু কথা 
এটম প্রসেসর মূলত মোবাইল প্রেসেসর। আজকাল অনেক হ্যান্ডসেটেও এটম প্রসেসর ইউজ করা হয়, যেমন সনি-র এক্সপেরিয়া।তাই এর কাছ থেকে বেশি আশা করা ভুল। সেলেরনের চাইতে এটম অনকাংশে স্লো, তবে পাওয়ার খুব কনজিউম করে। এগুলা যখন কাজ করে না তখন পাওয়ার এত কম নেয় যে ব্যাটারি চার্য রিমেইনিং দেখায় ১৪ ঘন্টা !!! আর হ্যা এই প্রসেসরগুলা বিল্ট ইন থাকে মাদার বোর্ড এর সাথে।
ডিভিডি রম এবং অপারেটিং সিস্টেম
ডিভিডি নাই দেখে হা পিত্যেস করার কোন দরকার নাই। খুব বেশি প্রয়োজন হলে ৪-৫হাজার টাকায় ইউএসবি ডিভিডি রম কিনটে পাওয়া যায়। যারা বেশি বিজি বা সেটাপ দিতে ঝামেলা মনে করেন তাদের উচিট হবে অবশ্যই জেনুইন ওএস এক্সপি নেয়া। কারন এগুলা হার্ড ড্রাইভেই ব্যাকাপ ওএস থাকে প্রয়োজন মত ওএস রিকভার অপশনে ক্লিক করলে আপনা আপনিই সেটাপ শুরু হয়ে যায় আর ৩০মিনিটের মধ্যেই ড্রাইভার, বেসিক সফওয়ার সহ ইন্সটল হয়ে যায়। তবে আমার পরামর্শ হল সেভেন না ইউজ করা, এতে স্লো পারফরমেন্স মনে হবে। অবশ্য সেভেনের একটা বেসিক ভার্সন আছে, ওটা ভালই তবে ওটাকে সেভেনের ছায়া মনে হয় , সেভন ব্যাভারের আসল অনুভুতি আসে না।
ব্যাটারি
অবশ্যই ৬ সেল নেবেন , এতে ব্যাকআপ ৬-৮ ঘন্টা পাবেন। আর যদি ৩ সেল নেন তাহলে পাবেন মাত্র ২.৫ ঘন্টা মত। তাই দাম বেশি দিয়ে হলেও ৬ সেল নেবেন। আমি একটা এসার এস্পায়ার ওয়ান ব্যাভার করি । ব্যাকাপ ৭ঘন্টা দেয়। তবে কাজ বেশি করলে কম দেখায়। আমি ইজিলি ২ঘন্টার ৩ টা সিনেমা দেখে ফেলতে পারি।
কুলিং ফ্যান
যে কোন ল্যাপটপ কেনার সময় খায়ল রাখবেন এর কুলিং ফ্যানটা যেন সাইডের দিকে থাকে, অনেক লয়াপটপে নিচের দিকে থাকে এতে যেটা হয় সেটা হল , গরম বাতাস বেরোতে সমস্য হয়। অনেকে বিছানা বা বই এর উপরে রেখে ইউজ করেন, এটা ঠিক না। কাচ বা প্লাস্টিকের শক্ত শিটের উপর ব্যাবহার করা যায়। সবচে ভাল হল লয়াপটপ কুলার কেনা। এর দাম বেশি না। ৬০০-৩০০০টাকা। আর পায়ের উপর রেখে ইউজ করলে অনেকর ভবিষ্যত প্রজন্ম আনার ফ্যাক্টরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে 
কী বোর্ড
নেটবুকের কীবোর্ডগুলার কী সাধারনত খুব ছোট হয় বলে এতে টাইপ করতে ঝামেলা লাগে। কেনার পর ইউজ করতে সমস্যা মনে হতে পারে। আমি অবশ্য বড় সাইজের কী আছে এমন নেটবুক বেছে কিনেছি। টাইপ করতে কোন ঝামেলা লাগে না 
ব্যাগ
বেশিরভাগ নেটবুকের সাথেই কোন ব্যাগ দেয়া হয় না, তবে একটা পাউচ দেয়া হয়। অনেকেই অফিসের ব্যাগে নেটবুক নিয়ে ঘোরেন, সেখানে অবশ্যই ঐ পাউচের মধ্য লয়াপটপ রেখে তবেই অফিস ব্যাগে রাখবেন। তবে শুধু ল্যাপটপ নিয়ে ঘুরতে হলে একটা ব্যাগ কিনে নেয়া ভাল।


বাংলাদেশের বাজারে এখন যে নেটবুক গুলা পাওয়া যায় তার সাধারন স্পেকস টা হল -
এটম প্রসেসর ১.৬৬ গিহার্য
১জিবি র‌্যাম
১০.১ ইন্চ স্ক্রীন
৬ সেল লিথিয়াম ব্যাটারি
১৬০জিবি হার্ড ড্রাইভ
দামদর
কিছু চাইনিজ ব্রান্ড আজকাল পাওয়া যায় - হাছি, ফাউন্ডার। এগুলার দাম ২২০০০-২৭০০০টাকার মধ্যে
এইচপি , ডেল এগুলা ২৮০০০-৩৩০০০টাকা
এসার ২৫৫০০-৩০৫০০টাকা
আসুস লেনোভো ২৬৫০০-৩১০০০টাকা

কিছু কিছু ব্র্যানড আবার সেলেরন ( যেমন এসার) দিয়েও নিয়ে এসেছে। স্পেকস এ কেউ ২৫০জিবিও দিচ্ছে, ৩সেল ব্যাটারিও দিচ্ছে। আবার অনেকগুলায় জেনুইন উইনডোস থাকে না। ইদানিং কিছু বের হয়েছে টাচ। যদিও টাচ ব্যাবহার করতে ভয় লাগে আমার ।
তবে আমার জানামতে নেটবুক নস্ট হয় কম। আর রাফ ইউজ ভালই করা যায়।



শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

ল্যাপটপ ইউজার দের কিছু কমন সমস্যা… ……………….&…………. সমাধান

বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ এর প্রকট এই সমস্যায় মানুষের নিরবিচ্ছিন্ন কম্পিউটিং উপভোগ করার জন্য সামান্য দাম বেশি দিয়ে হলেও একটা ডেস্কটপের চেয়ে ল্যপটপ কেনাটাকেই প্রাধান্য দেয়
আর দিবেও বা না কেন, কারন ক টাকাই আর দাম বেশি পরে? ৩ ঘন্টা ব্যাকাপের জন্য আইপিএস কিনতে গেলে ডেস্কটপের যা দাম পরবে সেটা হিসাব করতে গেলে ল্যাপটপ এর দাম অনেক কম-ই মনে হবে।

আগে ডেস্কটপ ইউজ করেছে উইনডোজ সেটাপ দেয়া ডালভাত হয়ে গেছে এরকম মনে করে সেই ডালভাত ল্যাপটপের উপর প্রয়োগ করতে যান অনেকই। কিন্ত সামান্য কিছু বিষয় না জানার জন্য অনেক প্রবলেমে পরতে হয় অনেকের। আর এর ফায়দা নেয়- ল্যাপটপের সার্ভিস সেন্টার গুলা। কোনখানেই তো ১০০০টাকার নিচে কেউ সার্ভিস করে না। সেটা শুধু উইন্ডোস সেটাপ হলেও। আইডিবি-র কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা হাবে ভাবে অনেক কিছু দেখাবে, কাজের বেলায় ঠনঠন তারাও ১৫০০টাকা চেয়ে বসে শুধু উইন্ডোজের জন্য। আমার আগে ধারনা ছিল আইডিবির টেকনিক্যল লোকগুলা অনেক কিছু জানে। কিন্তু বাস্তবে তাদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি আসলে কিছুই পারেনা, শুধু সিডি ঢুকিয়ে নেক্সট নেক্সট করা ছারা। তবে রিশিত,এবিসি কম্পু এর কয়েকজনকে বেশ ভাল লেগেছে। এই কথাগুলা আসলে বলা আপনাদের সাবধান করার জন্য, কোন প্রবলেমে আপনারাই গুগলের সাহায্য নিয়ে অনক কিছু সলভ করতে পারবেন যেগুলা আইডবিতে নিলে আজগুবি সমাধান শুনবেন। উল্টা টাকাও খসবে...
সমস্যা ১:
উইনডোস ভিসতা বা সেভেন সেটআপ হয়, এক্স পি হয় না:
খুব কমন সমস্যা। এটা হয় কারন এখনকার সব ল্যাপটপেই সাটা মুড ahci mode করা থাকে। আপনার এক্স পি ভার্সনটি যদি এই মুড সাপোর্ট না করে তাহলে একটা ব্লু স্ক্রীন দিয়ে রিস্টার্ট হয়ে যাবে। ভয় পাবার কিছু নেই। আপনি একটি সাটা মুড এনাবলড সিডি দিয়ে ট্রাই করলে হয়ে যাবে। ( রিকমেন্ডেড পদ্ধতি- কারন- সাটা মুডে হার্ডিস্ক আই/ও এর স্পিড বেশি থাকে, ৩জিবি/সে)
অথবা- বায়োসে ঢুকুন। এটা ঢুকতে হলে ব্র্যান্ড ভেদে ডেল (del) কী অথবা এফ২ কী প্রেস করতে হবে।
এরপর সাটা মুড এ যেতে হবে। ahci mode টা ডিসেবল দিন। কোন কোন ব্রান্ড এ ahci mode আর IDE মুড শো করে। ওখানে IDE মুড টা সিলেক্ট করে দিন। এরপর এফ১০ কী দিয়ে সেভ করে বের হয়ে আসুন।
তারপর আপনার পুরানো এক্সপি সিডি দিয়েই যথারিতি সেটাপ দিন।

সমস্যা২
এত্ত ফাস্ট কোর সিরিজের প্রসেসর কিন্তু এক্সপিতে স্লো কেন!!
মাইক্রোসফট উইন সেভেন কে প্রমোট করার জন্য এখন সব ল্যাপটপ ম্যানুফেকচার কোম্পানিকে বাধ্য করে সেভেন দিয়ে প্রোডাকট বের করতে। তাই সব ড্রাইভার গুলা সেভেনে খুব ভাল চলে। আর ওয়েবসাইটেও ড্রাইভার গুলা সেভেন সাপোর্টেড থাকে।এক্সপির জন্য নয়। আর কোর সিরিজের ( কোরে আই৩, আই ৫, কোর৭) প্রসেসরগুলা এক্সপির চেয়ে অনেক ভাল পারফর্মেন্স দেয় সেভেনে।
বাংলাদেশে কাস্টমাররা এক্সপিতেই সুবিধা বেশি পাওয়ার কারনে দোকানগুলাতে এক্সপি দিয়ে দেয়। এগুলার ড্রাইভার অন্য মডেল ঘেটে ঘুটে কেদে কেটে বের করা। সবক্ষেত্রে সঠিক ড্রাইভার দেয়া হয় না , তাই পারফরমেনস ভাল পাওয়া যায় না।
তাই পরামর্শ হল যদি আপনার ল্যাপটপে এক্সপি-ই চালাটে হয় তাহলে ডুয়েল কোর বা কোর টু ডুয়ো প্রসেসর এর ল্যাপটপ কিনুন। কারন এগুলার এক্সপি ড্রাইভার এভেইলেবল এবং নেটেও পাওয়া যায়।

সমস্যা ৩
ড্রাইভার ইন্সটল
ল্যাপটপ কেনার সময় আমরা অনেকেই খুশিতে ল্যাপটপ পেয়েই ভুলে যাই অন্য দরকারি কথা। যেমন ড্রাইভার ডিভিডি। অনেক সময় ও এস দেবার সময় ড্রাইভার ভুলে দোকানেই রেখে চলে আসেন অনেকে।এই ভুল করা যাবে না।
একটা ড্রাইভার ডিভিডি তে যেই ড্রাইভার নেই সেই ড্রাইভারেরও সফটওয়ার দেয়া থাকে। গণ হারে অনেক ড্রাইভার দেয়া থাকে। ভুলে ওগুলা ইন্সটল করে ফেললে বিপদেই পরবেন।
তাই সবচে ভাল হল ওরিজিনাল ওএস সহ লয়াপটপ কেনা। কারন এগুলার রিকভারি হার্ডিস্কেই থাকে, যখন তখন সিডি ছাড়াই ইন্সটল করা যায়। একারনে এগুলার সাথে কোন সিডি দেয়া হয় না। নিয়ম হল এরকম উইন্ডোস সহ ল্যাপি কিনলে কেনার পরপরপই রিকভারি টি ডিভিডিতে বার্ন করে ফেলা। এটা কেনার সময় দোকান থেকে দেখে নিবেন অবশ্যই।
আর যদি পাইরেটেড ওএস দিয়ে নেন তাহলে অবশ্যই ডিভিডি ড্রাইভার থাকবে। সেখান থেকে শুধুমাত্র দরকারি ড্রাইভার গুলা আলাদা করে হার্ডিডস্সকে কপি করে দিতে বলুন কেনার সময়-ই। নইলে অপ্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি হ্যং বা স্লো এর মত সমস্যায় পরবেন। আবার যখন ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাবে- এই ড্রাইভার নিতে আপনার মিনিমাম ১০০০ টাকা শেষ হবে। কারন আপনি বুঝবেন না কোন ড্রাইভারের জন্য কোন কোন সফটওয়ার দিতে হবে।

একটা টিপস- সবসময় যেই ব্রান্ড সেইটার সার্ভিস সেন্টার থেকে সার্ভিস নেবার চেস্টা করবেন। ওয়ারেন্টি শেষ হবার আগেই আপনার ড্রাইভার ব্যকাপ বা জিগ্গাসা জেনে নিবেন অবশ্যই।

বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০

ল্যাপটপ ইউজার দের কিছু কমন সমস্যার সমাধান

বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ এর প্রকট এই সমস্যায় মানুষের নিরবিচ্ছিন্ন কম্পিউটিং উপভোগ করার জন্য সামান্য দাম বেশি দিয়ে হলেও একটা ডেস্কটপের চেয়ে ল্যপটপ কেনাটাকেই প্রাধান্য দেয়
আর দিবেও বা না কেন, কারন ক টাকাই আর দাম বেশি পরে? ৩ ঘন্টা ব্যাকাপের জন্য আইপিএস কিনতে গেলে ডেস্কটপের যা দাম পরবে সেটা হিসাব করতে গেলে ল্যাপটপ এর দাম অনেক কম-ই মনে হবে।

আগে ডেস্কটপ ইউজ করেছে উইনডোজ সেটাপ দেয়া ডালভাত হয়ে গেছে এরকম মনে করে সেই ডালভাত ল্যাপটপের উপর প্রয়োগ করতে যান অনেকই। কিন্ত সামান্য কিছু বিষয় না জানার জন্য অনেক প্রবলেমে পরতে হয় অনেকের। আর এর ফায়দা নেয়- ল্যাপটপের সার্ভিস সেন্টার গুলা। কোনখানেই তো ১০০০টাকার নিচে কেউ সার্ভিস করে না। সেটা শুধু উইন্ডোস সেটাপ হলেও। আইডিবি-র কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা হাবে ভাবে অনেক কিছু দেখাবে, কাজের বেলায় ঠনঠন তারাও ১৫০০টাকা চেয়ে বসে শুধু উইন্ডোজের জন্য। আমার আগে ধারনা ছিল আইডিবির টেকনিক্যল লোকগুলা অনেক কিছু জানে। কিন্তু বাস্তবে তাদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি আসলে কিছুই পারেনা, শুধু সিডি ঢুকিয়ে নেক্সট নেক্সট করা ছারা। তবে রিশিত,এবিসি কম্পু এর কয়েকজনকে বেশ ভাল লেগেছে। এই কথাগুলা আসলে বলা আপনাদের সাবধান করার জন্য, কোন প্রবলেমে আপনারাই গুগলের সাহায্য নিয়ে অনক কিছু সলভ করতে পারবেন যেগুলা আইডবিতে নিলে আজগুবি সমাধান শুনবেন। উল্টা টাকাও খসবে...
সমস্যা ১:
উইনডোস ভিসতা বা সেভেন সেটআপ হয়, এক্স পি হয় না:
খুব কমন সমস্যা। এটা হয় কারন এখনকার সব ল্যাপটপেই সাটা মুড ahci mode করা থাকে। আপনার এক্স পি ভার্সনটি যদি এই মুড সাপোর্ট না করে তাহলে একটা ব্লু স্ক্রীন দিয়ে রিস্টার্ট হয়ে যাবে। ভয় পাবার কিছু নেই। আপনি একটি সাটা মুড এনাবলড সিডি দিয়ে ট্রাই করলে হয়ে যাবে। ( রিকমেন্ডেড পদ্ধতি- কারন- সাটা মুডে হার্ডিস্ক আই/ও এর স্পিড বেশি থাকে, ৩জিবি/সে)
অথবা- বায়োসে ঢুকুন। এটা ঢুকতে হলে ব্র্যান্ড ভেদে ডেল (del) কী অথবা এফ২ কী প্রেস করতে হবে।
এরপর সাটা মুড এ যেতে হবে। ahci mode টা ডিসেবল দিন। কোন কোন ব্রান্ড এ ahci mode আর IDE মুড শো করে। ওখানে IDE মুড টা সিলেক্ট করে দিন। এরপর এফ১০ কী দিয়ে সেভ করে বের হয়ে আসুন।
তারপর আপনার পুরানো এক্সপি সিডি দিয়েই যথারিতি সেটাপ দিন।

সমস্যা২
এত্ত ফাস্ট কোর সিরিজের প্রসেসর কিন্তু এক্সপিতে স্লো কেন!!
মাইক্রোসফট উইন সেভেন কে প্রমোট করার জন্য এখন সব ল্যাপটপ ম্যানুফেকচার কোম্পানিকে বাধ্য করে সেভেন দিয়ে প্রোডাকট বের করতে। তাই সব ড্রাইভার গুলা সেভেনে খুব ভাল চলে। আর ওয়েবসাইটেও ড্রাইভার গুলা সেভেন সাপোর্টেড থাকে।এক্সপির জন্য নয়। আর কোর সিরিজের ( কোরে আই৩, আই ৫, কোর৭) প্রসেসরগুলা এক্সপির চেয়ে অনেক ভাল পারফর্মেন্স দেয় সেভেনে।
বাংলাদেশে কাস্টমাররা এক্সপিতেই সুবিধা বেশি পাওয়ার কারনে দোকানগুলাতে এক্সপি দিয়ে দেয়। এগুলার ড্রাইভার অন্য মডেল ঘেটে ঘুটে কেদে কেটে বের করা। সবক্ষেত্রে সঠিক ড্রাইভার দেয়া হয় না , তাই পারফরমেনস ভাল পাওয়া যায় না।
তাই পরামর্শ হল যদি আপনার ল্যাপটপে এক্সপি-ই চালাটে হয় তাহলে ডুয়েল কোর বা কোর টু ডুয়ো প্রসেসর এর ল্যাপটপ কিনুন। কারন এগুলার এক্সপি ড্রাইভার এভেইলেবল এবং নেটেও পাওয়া যায়।

সমস্যা ৩
ড্রাইভার ইন্সটল
ল্যাপটপ কেনার সময় আমরা অনেকেই খুশিতে ল্যাপটপ পেয়েই ভুলে যাই অন্য দরকারি কথা। যেমন ড্রাইভার ডিভিডি। অনেক সময় ও এস দেবার সময় ড্রাইভার ভুলে দোকানেই রেখে চলে আসেন অনেকে।এই ভুল করা যাবে না।
একটা ড্রাইভার ডিভিডি তে যেই ড্রাইভার নেই সেই ড্রাইভারেরও সফটওয়ার দেয়া থাকে। গণ হারে অনেক ড্রাইভার দেয়া থাকে। ভুলে ওগুলা ইন্সটল করে ফেললে বিপদেই পরবেন।
তাই সবচে ভাল হল ওরিজিনাল ওএস সহ ল্যাপটপ কেনা। কারন এগুলার রিকভারি হার্ডিস্কেই থাকে, যখন তখন সিডি ছাড়াই ইন্সটল করা যায়। একারনে এগুলার সাথে কোন সিডি দেয়া হয় না। নিয়ম হল এরকম উইন্ডোস সহ ল্যাপি কিনলে কেনার পরপরপই রিকভারি টি ডিভিডিতে বার্ন করে ফেলা। এটা কেনার সময় দোকান থেকে দেখে নিবেন অবশ্যই।
আর যদি পাইরেটেড ওএস দিয়ে নেন তাহলে অবশ্যই ডিভিডি ড্রাইভার থাকবে। সেখান থেকে শুধুমাত্র দরকারি ড্রাইভার গুলা আলাদা করে হার্ডিডস্সকে কপি করে দিতে বলুন কেনার সময়-ই। নইলে অপ্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি হ্যং বা স্লো এর মত সমস্যায় পরবেন। আবার যখন ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাবে- এই ড্রাইভার নিতে আপনার মিনিমাম ১০০০ টাকা শেষ হবে। কারন আপনি বুঝবেন না কোন ড্রাইভারের জন্য কোন কোন সফটওয়ার দিতে হবে।

একটা টিপস- সবসময় যেই ব্রান্ড সেইটার সার্ভিস সেন্টার থেকে সার্ভিস নেবার চেস্টা করবেন। ওয়ারেন্টি শেষ হবার আগেই আপনার ড্রাইভার ব্যকাপ বা জিগ্গাসা জেনে নিবেন অবশ্যই।

মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১০

ল্যাপটপের ব্যাটারী সমস্যা …?

ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের জন্য কমন একটা সমস্যা ব্যাটারী সমস্যা। সমাধান খোঁজতে গিয়ে একটা এপ্লিকেশন পেলাম। কিছু কিছু এপ্লিকেশন আসলেই খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আমার ল্যাপটপটি নিয়ে কিছুদিন খুবই সমস্যায় ছিলাম। এটার চার্জিং নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল। বুঝতে পারিনি সমস্যাটা কি। এটার সলিউশন নিয়া সার্চ করে ভালো একটা সফটওয়্যার পেলাম এবং ব্যবহার করে মারাত্নক উপকৃত হয়েছি। সফট্‌ওয়্যারটির নাম ব্যাটারীমন (BatteryMon) এর কাজ শুধু ল্যাপটপের ব্যাটারী নিয়ে। যেমন ধরুন- ল্যাপটপটি কেমন হারে চার্জ খরচ করছে, আমার ব্যাটারীর মডেল নং কত, এর ক্যাপাসিটি দিন দিন কত হারে কমছে,চার্জ রেট কত ইত্যাদি। সব মিলিয়ে আমার মনে হয় এটি সকল ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর অত্যন্ত প্রয়োজন, অন্তত: ব্যাটারীর যত্ন নিতে।