উইন্ডোজ XP লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
উইন্ডোজ XP লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১২

র‌্যামের বিকল্প পেনড্রাইভ

কম্পিউটারের গতি নির্ভর করে প্রসেসর এবং র‌্যামের ওপর। র‌্যামের পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ধীর হয়ে পড়ে। তবে পিসির গতি বাড়াতে পেনড্রাইভকেই র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করা যায়। আর এ জন্য উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা পেনড্রাইভটি ইউএসবি পোর্টের সাহায্যে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত স্থানে প্রবেশ শেষে Properties এ যেতে হবে। এবার Advanced ট্যাবে গিয়ে Performance এর Settings বাটনে ক্লিক করতে হবে। আবারও Advanced ট্যাবে ক্লিক করে Virtual Memory পরিবর্তন করতে হবে। সেখানে তালিকা থেকে পেনড্রাইভটিকে নির্বাচন করে Custom Size বাটনে ক্লিক করে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। এবার OKএবং Apply all settings বাটনে ক্লিক করতে হবে। আর উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারে পেনড্রাইভ প্রবেশ করিয়ে তার আইকনের ওপর রাইট বাটনে ক্লিক করে Properties এ যেতে হবে। এখন ReadyBoost ট্যাবে গিয়ে Use this Device লেখার পাশে ক্লিক করতে হবে। পরে একইভাবে ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ করে OK বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটার Restart করতে হবে।

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১

উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করুন

     উইন্ডোজ ড্রাইভ ফরমেট করে নতুন করে উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ করা অনেক ঝামেলার কাজ। কারন উইন্ডোজ এক্সপি ইনষ্টল করতে গেলে অনেক ধরনের তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে সিরিয়াল নম্বর, এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম ইত্যাদি। যা অনেক সময় বিরক্তিকর এবং সময় সাপেক্ষ হয়। এছাড়া ইন্সটলের পর মাদারবোর্ড, ল্যানকার্ড, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদির ড্রাইভার ইন্সটল করতে হয়। আমি অনেকদিন থেকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার উপায় খুজছিলাম। একটি ভাল উপায় পেয়েছি তা হচ্ছে উইন্ডোজের কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখা। আপনি যদি উইন্ডোজ এক্সপির একটি কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখেন তাহলে প্রতিবার ইনষ্টল করার সময় এসব তথ্য দিতে হবে না, আবার ড্রাইভারগুলোও অটোমেটিক পেয়ে যাবে। চাইলে আপনি আপনার পছন্দের কোন থিমও ব্যবহার করতে পারবেন।

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করুন

     উইন্ডোজ ড্রাইভ ফরমেট করে নতুন করে উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ করা অনেক ঝামেলার কাজ। কারন উইন্ডোজ এক্সপি ইনষ্টল করতে গেলে অনেক ধরনের তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে সিরিয়াল নম্বর, এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম ইত্যাদি। যা অনেক সময় বিরক্তিকর এবং সময় সাপেক্ষ হয়। এছাড়া ইন্সটলের পর মাদারবোর্ড, ল্যানকার্ড, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদির ড্রাইভার ইন্সটল করতে হয়। আমি অনেকদিন থেকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার উপায় খুজছিলাম। একটি ভাল উপায় পেয়েছি তা হচ্ছে উইন্ডোজের কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখা। আপনি যদি উইন্ডোজ এক্সপির একটি কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখেন তাহলে প্রতিবার ইনষ্টল করার সময় এসব তথ্য দিতে হবে না, আবার ড্রাইভারগুলোও অটোমেটিক পেয়ে যাবে। চাইলে আপনি আপনার পছন্দের কোন থিমও ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া আপনার দরকারী কিছু সফটওয়্যার যা সবসময় আপনি ইন্সটল করে থাকেন যেমন : মিডিয়া প্লেয়ার, ফ্লাশ প্লেয়ার, ডিরেক্স এক্স, ফক্সি রিডার, উইন্ডোজ অফিস ইত্যাদিও চাইলে উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটলের সাথেই যুক্ত করা সম্ভব। আমি এসব নিয়ে এখানে ধাপে ধাপে আলোচনা করব।

যা যা লাগবে :
১। nLite সফটওয়্যার
২। মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০
৩। উইন্ডোজ এক্সপি সিডি।

nLite সফটওয়্যার দিয়ে আপনি উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করতে পারবেন। ২.৫৪ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.nliteos.com                      থেকে ডাউন লোড করে ইনষ্টল করে নিন। এজন্য আপনার কম্পিউটারেমাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০ সংস্করণ ইনষ্টল থাকতে হবে।

# প্রথমে nLite সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং ইংরেজী ভাষা নির্বাচিত রেখে Next বাটনে ক্লিক করুন।

 

# Location the Windows installation উইন্ডো থেকে Browse বাটনে ক্লিক করে আপনার কম্পিউটারে থাকা উইন্ডোজের লোকেশন (সরাসরি সিডি থেকে হবে না) দেখিয়ে দিন তাহলে উইন্ডোজের সকল তথ্য চলে আসবে।

 

# এবার Next বাটনে ক্লিক করে আবার Next বাটনে ক্লিক করুন। Task Selection এ All বাটনে ক্লিক করে Next করুন। 

 

# Service Pack উইন্ডোতে আপনি চাইলে এক্সপির সার্ভিস প্যাক ৩ যুক্ত করতে পারেন Select বাটনে ক্লিক করে। উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাকটি দেখিয়ে দিলেই এটি ইন্ট্রিগেট হয়ে যাবে।

 

# এরপরে Next করে Hotfixes, Add-ons and Update Packs 
উইন্ডোতে নতুন Update Packs বা Add-ons যুক্ত করতে পারবেন।

 

কোথায় পাবো Hotfixes, Add-ons বা Update Packs??
১। RyanVM Post SP3 Update Pack. 
২। www.winaddons.com 
৩। Windows Updates Downloader 
৪। TheHotfixShare 
৫। MSFN 
৬। SoftwarePatch 

Windows Media Player 11                       যুক্ত করার জন্য WMP11 Integrator                    এবং W MP11 in  staller    ডাউনলোড করুন। এরপর WMP11 Integrator এর সাহায্যে উইন্ডোজ এক্সপির সাথে Windows Media Player 11 যুক্ত করুন।

Internet Explorer 7.0                যুক্ত করার জন্য IE7     ডাউনলোড করে nLite এর সাহায্যে .exe ফাইলটি যুক্ত করুন।

# এরপরে Next করে Drivers উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার (প্রিন্টার, ল্যান, গ্রাফিক্স, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদি) Insert করতে পারেন। আপনার যদি মাদারবোর্ডের সিডি বা অন্য যেকোন ড্রাইভার সিডি থাকে তবে শুধু সিডিটি দেখিয়ে দিলেই অটোমেটিকভাবে সব ড্রাইভার নিয়ে নেবে। অথবা http://driverpacks .net  /সাইট থেকে আপনি ড্রাইভার ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ইন্টেলের ড্রাইভার ডাউনলোড সাইট হচ্ছে http://downloadcenter.intel.com 

 

# এবার Next করে করে Components উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্টগুলো নির্বাচন করুন এবং Next করুন। লাল চিহ্নিত Components গুলো গুরুত্বপূর্ন তাই এগুলো Disable না করাই ভাল।

 

# এরপরে Unattended উইন্ডোর General ট্যাবে গিয়ে Product Key দিন। এটি উইন্ডোজ এক্সপির সিরিয়াল নম্বর।

 

# এবার User ট্যাবে গিয়ে User Create করুন। এখানে আপনি আপনার নাম, একাউন্টের নাম, পার্সওয়ার্ড ইত্যাদি তথ্য দিয়ে দিতে পারবেন। 

 

# Owner and Network ID ট্যাবে আপনি আপনার Computer Name এবং Workgroup দিয়ে দিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে LAN Networking করার সময় আপনার কাজে আসবে।

 

# Regional ট্যাবে গিয়ে আপনি আপনার Location, Localization, Timezone, Language group ইত্যাদি তথ্য দিয়ে দিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে ইন্সটলের সময় আপনাকে আর দিতে হবে না।

 

# এখন Next করে Options উইন্ডোর General ট্যাব থেকে প্রয়োজনবোধে বিভিন্ন অপশনস পরিবর্তন করতে পারেন।

 

# Options উইন্ডোর Patches ট্যাব থেকে Maximum unfinished simultaneous connections সেট করুন ১০০ থেকে ১০০০ এর মধ্যে। USP Port Polling Frequency এ প্রয়োজনমত USP Polling Frequency সেট করুন। Unsighned Themes Support আপনাকে 3rd Party Themes ব্যবহার করতে দেবে সেক্ষেত্রে এটি Enable রাখুন। Windows File Protection এটি আদতে সুবিধাজনক মনে হলেও এটি Disable রাখাই আমার মনে হয়েছে ভাল, কারন প্রয়োজনে অনেকসময় Windows File চেঞ্জ করার দরকার হতে পারে।

 

# এবার Next করে Tweaks উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় টোয়ীক এবং সার্ভিস নির্বাচন করুন। এগুলো হচ্ছে উইন্ডোজের বেসিক সেটিং যেমন : ডেক্সটপে মাই কম্পিউটার আইকন থাকবে কিনা, উইন্ডোতে সাইড ম্যানুতে কি কি অপসন থাকবে, কন্ট্রোল প্যানেল কিভাবে সাজানো থাকবে ইত্যাদি।

 

# এর পরে Next বাটনে ক্লিক করলে Do you want to start the process? আসবে। Yes দিয়ে দিন, তাহলেই Process শুরু হবে।

 

# প্রসেস শেষ হলে Next করলে Bootable ISO উইন্ডো আসবে। এখান থেকে আপনি সরাসরি সিডিতে রাইট করতে পারবেন বা বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে পারবেন পরবর্তিতে রাইট করার জন্য। বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে Mode এ Create Image নির্বাচন করে Label লিখে Make ISO বাটনে ক্লিক করুন।

 

# এবার নির্দিষ্ট লোকেশন দেখিয়ে Save করুন।

ব্যাস এরপরে উক্ত ইমেজ সিডিতে রাইট করলেই হয়ে গেলো আপনার কাস্টমাইজ উইন্ডোজ এক্সপি।

এরপর থেকে আরো সহজে কাস্টমাইজ এক্সপি ইনষ্টল করতে পারবেন। আর উইন্ডোজ ভিসতাকে কাস্টমাইজ করতে আপনাকে ভিলাইট (www.vlite.net )          ব্যবহার করতে হবে।


 
 মূলঃ মাসুদ সিএসই এর  সামু ব্লগ

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১১

উইন্ডোজ এক্সপি ইনস্টল করার নিয়ম

xp xp
উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার ধারণা অনেকেরই নেই। উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ বা ইনস্টল করার নিয়ম ছবিসহ একটি পিডিএফ ফাইলে ইন্টারনেটে রাখা হয়েছে। এ নিয়মাবলি বাংলায় লেখা।        এটি পাওয়া যাবে 
http://www.mediafire.com/?2h83r63hlltb5ab      ঠিকানার ওয়েবসাইটে। 



শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১১

উইনএক্সপি তে করাপটেড ফাইল যেভাবে ঠিক করবেন


উইনএক্সপি অপারেটিং সিস্টেম এ প্রবলেম হলে অনেক সময় বিভিন্ন ধরণের এরর মেসেজ দেয়। ফাইল করাপ্ট হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, যেমন- লোডশেডিং বা ভোল্টেজ আপ/ডাউন এর কারণে (যদি ইউপিএস না থাকে) হঠাৎ পিসি বন্ধ হয়ে গেলে, কোন সফটওয়ার ইনসটল/আনইন্সটল করতে গেলে, ভাইরাস এফেক্ট এর কারণে সর্বোপরি পাইরেটেড এক্সপি হলে যে কোন সময় এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে আমরা সাধারণত নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে নেই যা বেশ ঝামেলা এবং সময় সাপেক্ষ। শুধু একটি এক্সপি অপারেটিং সিসেটম এর ডিস্ক দিয়ে নীচের পদ্ধতিটি এপ্লাই করে এক্সপির ডিএলএল ফাইল এবং সিস্টেম ফাইল গুলো নতুন করে লোড করা যায় যার ফলে সময় এবং পরিশ্রম দুই বাঁচানো যেতে পারে। নতুন সেটাপ শুরু করার আগে একবার ট্রাই করে দেখুন সমাধান হয় কিনা।
কিভাবে করবেনঃ
কম্পিউটারটি স্বাভাবিক ভাবে চালু করুন। স্বাভাবিক ভাবে চালু না হলে এফ৮ চেপে সেইফমোডে চালু করুন। ডিস্কটি ড্রাইভ এ প্রবেশ করান এবং স্টার্ট থেকে রান ওপেন করুন।
রান এ লিখুন sfc /scannow এবং এন্টার দিন। স্কেনিং চালু হবে এবং উইন্ডোজের সবগুলি ফাইল স্কেন করবে এবং করাপ্টেড ফাইলগুলি অটোমেটিক রিপ্লেস করে দিবে।

সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

আপনি কি কম্পিউটারে আরবি লিখতে চান?

নানাবিধ কারণে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন তাদেরকে কখনো কখনো আরবী ভাষায় লেখা-লেখি করতে হয়। অনেকের আরবী টাইপিং পদ্ধতি যানা না থাকার কারণে আরবীতে লিখতে পারছেন না। ধারণা করা হয় যে, আরবীতে লিখতে হলে বিশেষ কোনো প্রোগ্রামের দরকার পড়ে। কিন্তু আসলে তা নয়। আপনার সাধারণ ইউন্ডোজ এক্স-পি দিয়েই খুভ সহজে আপনার কম্পিউটার থেকে আরবীতে যা খুশি লিখতে পারেন। সে জন্য আপনাকে কম্পিউটারের কিছু সহজ সেটিং পরিবর্তন করে নিতে হবে।
> প্রথমেই ষ্টার্ট মেনু থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে যান।
> কন্ট্রোল প্যানেল থেকে রেজিওনাল এন্ড লেঙ্গোয়েজ ওপশন এ ডাবল ক্লিক করুন অথব তার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে সেখান থেকে ওপেন সিলেক্ট করে ওপেন করুন।
> লেঙ্গোয়েজ এ ক্লিক করুন।
> ইনষ্টল ফাইলস ওর কম্প্লেক্স স্ক্রিপ্ট এর খালি ঘরে টিকমার্ক করুন।
> সিডি/ ডিভিডি ড্রাইভে এক্স-পি এর সিডি প্রবেশ করান।
> এপ্লাই বাটনে ক্লিক করুন।
>কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। খালি ঘরটা কিছুক্ষণের মধ্যেই ভরে যাবে।
> এবার ওকেতে ক্লিক করুন।
> কম্পিউটার রিষ্টার্ট করুন।
> এম এস ওয়ার্ড ওপেন করে তার কার্যকরিতা পরীক্ষা করে নিন।
> কি-বোর্ড থেকে আল্ট+শিফ্ট এক সাথে চাপুন।
> লক্ষ করে দেখুন আপনার কম্পিউটারের কার্সর এর উপরের দিকে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।এবার টাইপ করতে থাকুন। আশা করি আপনি এখন আরবীতে লিখতে সক্ষম হবেন।

রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

সার্চ ইন্জিন Windows 7 = Windows XP

আপনারা  জানেন windows 7 এ কোন কিছ সার্চ করতে হলে সেটি লিখলেই দ্রুত পাওয়া যায়। আপনি চাইলে windows XP তেও এই সুযোগটি নিতে পারবেন এবং এটি কাজ করবে windows 7 এর সার্চ ইন্জিনের থেকেও অনেক গুন বেশী, এমনকি কোন ফাইল হিডেন করা থাকলেও সেটি আপনি সার্চ করে খুজে পাবেন। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? না হলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। এটির সাইজ খুবই অল্প।
ডাউনলোডের পর ইনস্টল করুন অন্য সব সফটওয়ার এর মতই। ইনস্টল শেষ হলে আপনাকে রেজিস্টেসন করার কোন দরকার নেই,কারন এটি একটি ফ্রিওয়ার।
সিস্টেম ট্রে থেকে ডাবল ক্লিক করে ওপেন  করুন।untitled Windows 7 এ পারলে Windows XP তে কেন পারবেন না! অবশ্যই পারবেন। | Techtunesএবার লিখুন আপনার কাংখিত ফাইলটি এবং লেখার সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন রেজাল্ট।
u ntitled Windows 7 এ পারলে Windows XP তে কেন পারবেন না! অবশ্যই পারবেন। | Techtunes
ডাউনলোড করুন নিচে থেকে।
images Windows 7 এ পারলে Windows XP তে কেন পারবেন না! অবশ্যই পারবেন। | Techtunes

অথবা
 http://www.microsoft.com/windows/products/winfamily/desktopsearch/choose/windowssearch4.mspx?tab=Install%20It
উপরের লিংক থেকে মাইক্রোসফট এর অরিজিনাল Windows Search 4.0 For Windows XP সংগ্রহ করতে পারেন। এটি windows 7 Search এর মত কাজ করবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

শর্টকাট এক্সপি টিপস – বিরক্তিকর সব নোটিফিকেশন চিরতরে বন্ধ করুন

উইন্ডোজ এক্সপি যারা ব্যবহার করেন তাদের সবাইই দুইটি প্রচন্ড বিরক্তিকর মেসেজের সাথে পরিচিত। একটা হচ্ছে এরর মেসেজ সেন্ড আর আরেকটা হচ্ছে নোটিফিকেশন এরিয়ার বেলুন এলার্ট।
–> আর এর মধ্যে এক্সপি ব্যবহারকারীরা প্রথম মেসেজ দেখে এখন এতোটাই অভ্যস্থ হয়ে গেছেন যে এটাইকেই তারা তাদের নিয়তি হিসেবে মেনে নেন। সেটা হচ্ছে- “Send an Error Report to Microsoft”.
খুব সহজ ২টি ধাপে আপনি চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারেন এই মেসেজ-
১.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে সিস্টেম প্রোপার্টিজ থেকে এডভান্সড-এ যান।
২. এরর রিপোর্টিং ডিজাবেল করে ওকে করুন।
কাজ কিন্তু শেষ!
–> আরেকটি অতি পরিচিত এক্সপি মেসেজ- “Your computer might be at risk”। যখন তখন কোন আগমনী বার্তা বা কারন ছাড়াই উইন্ডোজ নোটিফিকেশন এর আগমনের সাথে সবারই জানাশোনা আছে বৈকি। আসুনতো কথা না বাড়িয়ে এটিকে বিদায় করে দিই।
১.নোটিফিকেশন এরিয়ার লাল সিকিউরিটি সেন্টার আইকনে ক্লিক করে সিকিউরিটি সেন্টার ওপেন করুন।বামপাশে Resources সেকশনে দেখুন সবার নিচে আছে- “Change the way Security Center alerts me”।এখানে ক্লিক করুন।
২.এলার্ট সেটিংস উইন্ডো আসবে।টিকগুলা উঠিয়ে দিলেই ঝামেলা শেষ।

শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

ঊইন্ডোজ এক্সপি-র জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু RUN কমান্ড


"উইন্ডোজ এক্সপি" অপারেটিং সিস্টেমের "run" কমান্ড ব্যবহার করেননি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু অনেকেরই অনেক কমান্ড অজানা। নীচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড দেয়া হলো। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন।

ফোল্ডার প্রপার্টিস -– control folders

ফন্টস –- control fonts

ফন্টস ফোল্ডার –- fonts

গেম কন্ট্রোলার্স –- joy.cpl

গ্রুপ পলিসি এডিটর - – gpedit.msc

হেল্প এন্ড সাপোর্ট –- helpctr

হাইপার টার্মিনাল –- hypertrm

আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড –- iexpress

ইন্ডেক্সিং সার্ভিসেস -– ciadv.msc

ইন্টারনেট কানেকশান উইজার্ড - – icwconn1

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার –- iexplore

এক্সেসিবিলিটি কন্ট্রোল -– access.cpl

এক্সেসিবিলিটি উইজার্ড –- accwiz

এড্‌ হার্ডওয়্যার উইজার্ড –- hdwwiz.cpl

এড্‌/রিমুভ প্রোগ্রাম্‌স –- appwiz.cpl

এড্‌মিনিস্ট্রেটিভ টুলস -– control admintools

অটোমেটিক আপডেট –- wuaucpl.cpl

ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সফার উইজার্ড –- fsquirt

ক্যালকুলেটর –- calc

সার্টিফিকেট্‌স –- certmgr.msc

ক্যারেক্টর ম্যাপ– - charmap

চেক্‌ ডিস্ক (ডস্‌) -– chkdsk

ক্লিপবোর্ড ভিউয়্যার –- clipbrd

কমান্ড প্রোমপ্ট -– cmd

কম্পোনেন্ট সার্ভিস –- dcomcnfg

কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট –- compmgmt.msc

কন্ট্রোল প্যানেল –- control

ইউজার একাউন্টস –- controluserpasswords2

ডেট এন্ড টাইম্‌স - timedate.cpl

ডি.ডি.ই শেয়ার্স –- ddeshare

ঢিভাইস ম্যানেজার –- devmgmt.msc

ডারেক্ট এক্স -– dxdiag

ডিস্ক ক্লিনআপ –- cleanmgr

ডিস্ক ডিফ্রাগ্মেন্ট -– dfrg.msc

ডেস্ক ম্যানেজমেন্ট –- diskmgmt.msc

ডিস্ক পার্টিশন ম্যানেজার –- diskpart

ডিস্‌প্লে প্রোপার্টিস –- control desktop

ডিস্‌প্লে প্রোপার্টিস –- desk.cpl

ড: ওয়াটসন ফর উইন্ডোজ –- drwtsn32

ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার –- verifier

ইভেন্ট ভিউয়ার - eventvwr.msc

ফাইল এন্ড সেটিংস ট্রান্সফার টুল –- migwiz

ফাইল সিগ্‌নেচার ভেরিফিকেশন টুল -– sigverif

ফাইন্ড ফাস্ট - –findfast.cpl

ইন্টারনেট কানেকশান উইজার্ড -– icwconn1

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার -– iexplore

ইন্টারনেট প্রোপার্টিস -– inetcpl.cpl

কী-বোর্ড প্রোপার্টিস –- control keyboard

লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস -– secpol.msc

লোকাল ইউজার্স এন্ড গ্রুপ্‌স -– lusrmgr.msc

উইন্ডোজ লগঅফ -– logoff

মাইক্রোসফ্‌ট চ্যাট – winchat

মাইক্রোসফ্‌ট মুভি মেকার -– moviemk

এমএস পেইন্ট -– mspaint

মাইক্রোসফ্‌ট সিন্‌ক্রোনাইজেশন জশন টুল –- mobsync

মাউস প্রোপার্টিস - control mouse

মাউস প্রোপার্টিস –- main.cpl

নেট মিটিং –- conf

নেটওয়ার্ক কানেকশন্স –- control netconnections

নেটওয়ার্ক কানেকশন্স –- ncpa.cpl

নেটওয়ার্ক সেটাপ উইজার্ড –- netsetup.cpl

নোটপেড -– notepad

অব্জেক্ট পেইজমেকার -– packager

ওডিবিসি ডাটাসোর্স এড্‌মিনিস্ট্রেটর -– odbccp32.cpl

অনস্ক্রিন কী-বোর্ড –- osk

আউটলু এক্সপ্রেস -– msimn

এমএস পেইন্ট -– pbrush

পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস - – password.cpl

পারফর্মেন্স মনিটর -– perfmon.msc

পারফর্মেন্স মনিটর -– perfmon

ফোন এন্ড মডেম অপ্‌শন্স –- telephon.cpl

ফোন ডায়ালার –- dialer

পাওয়ার কনফিগারেশন - – powercfg.cpl

প্রিন্টার্স এন্ড ফ্যাক্স –- control printers

প্রিন্টার্স ফোল্ডার -– printers

রিজিউনাল সেটিংস -– intl.cpl

রেজিষ্ট্রি এডিটর -– regedit

রেজিষ্ট্রি এডিটর -– regedit32

রিমোট ফোনবুক -– rasphone

রিমোট ডেস্কটপ -– mstsc

রিমুভাল স্টোরেজ –- ntmsmgr.msc

রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েস্ট –- ntmsoprq.msc

রেজাল্টেন্ট সেট আপ পলিসি -– rsop.msc

স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা –- sticpl.cpl

শিডিউল টাস্ক –- control schedtasks

সিকিউরিটি সেন্টার -– wscui.cpl

সার্ভিসেস –- services.msc

শেয়ার্ড ফোল্ডার –- fsmgmt.msc

উইন্ডোজ শাট্‌ডাউন করা –- shutdown

সাউন্ডস এন্ড অডিও -– mmsys.cpl

সিস্টেম কনিফগারেশন এডিটর -– sysedit

সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি –- msconfig

সিস্টেম ইনফোরমেশন -– msinfo32

সিস্টেম প্রোপার্টিস - – sysdm.cpl

টাস্ক ম্যানেজার -– taskmgr

টিসিপি টেস্টার -– tcptest

টেলনেট ক্লাইন্ট -– telnet

ইউজার একাউন্ট ম্যানেজার - – nusrmgr.cpl

ইউটিলিটি ম্যানেজার –- utilman

উইন্ডোজ এড্রেসবুক– - wab

উইন্ডোজ এড্রেস বুক ইম্পোর্ট ইউটিলিটি –- wabmig

উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার -– explorer

উইন্ডোজ ফায়ার ওয়াল –- firewall.cpl

বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১১

উইন্ডোজ এক্সপিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় Control panel-এর Add or Remove Programs থেকে কোনো সফ্টওয়্যার Uninstall করার সময় বা ভুলবশত সি ড্রাইভ থেকে যদি অপারেটিং সিস্টেমের দরকারি কোনো ফাইল ডিলিট হয়ে যায়, তাহলে কম্পিউটার ঠিকভাবে কাজ করে না বা অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল মিসিং দেখায় এবং অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কম্পিউটারকে কিছুদিন আগের অবস্থায় নিয়ে যান। অর্থাৎ আনুমানিক যে তারিখে আপনার কম্পিউটার ভালো ছিল, সেই তারিখে নিয়ে যান।
আর এটি করতে হলে প্রথমে C:\WINDOWS\System32\ Restore-এ গিয়ে rstrui.exe-তে ডবল ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটাতে Restore my computer to an earlier time নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। দেখবেন একটি কেলেন্ডার এসেছে। এখন যে তারিখে আপনার কম্পিউটার ভালো ছিল, সেই তারিখ নির্বাচন করে (শুধু বোল্ড তারিখগুলো নির্বাচন করতে পারবেন) Next-এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো আসলে আবার Next-এ ক্লিক করুন। দেখবেন, কম্পিউটার অটো রিস্টার্ট নিয়ে কাজ শেষ করার পর সফলতার বার্তা এসেছে। এখন দেখবেন, আপনার কম্পিউটারের সমস্যা ঠিক হয়ে গেছে। আর যদি তাতে ঠিক না হয়, তাহলে আবার পুনরায় অন্য কোনো তারিখ নির্বাচন করেও Restore করতে পারেন। এখন করা Restoreটি আবার আপনি Undo-ও করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১১

উইন্ডোজ এক্সপি’র ব্রাউজিং গতি আনুন

উইন্ডোজ এক্সপি’র ব্রাউজিং-এ গতি আনার জন্য একটি দারুন টিপস্। এটি আসলে একটি বাগ, যা উইন্ডোজ ২০০০ এ ছিল। এর কাজ হল Scheduled Task এর Shared File স্ক্যান করা। আপনি যখন একটি Shared Network এ কোন ফাইল দেখেন, তখন এটি ঐ কম্পিউটারের কোন Scheduled Task আছে কি না চেক করে। এই জন্য ৩০ সেকেন্ড দেরী হয়। তাই নিচের কাজটি করলে এটি আর Shared File চেক করে না। ফলে ইন্টারনেটের স্পিড কিছু হলেও বাড়ে। এজন্য Registry Editor খুলে HKEY_LOCAL_MACHINE> Software> Microsoft> Windows> Current Version>Explorer>RemoteComputer> NameSpace এ যান এবং {D6277990-4C6A- 11CF-8D87-00AA0060F5BF} এই Key টি ডিলিট করুন। এই Key টি উইন্ডোজ কে Scheduled Tasks করার Instruction দেয়।

আরও একটি উপায়

Start>Run>gpedit.msc তে যান। এবার administrative templates> network branch> QoS Packet Scheduler এ গিয়ে limit reservable bandwidth কে এনাবল করুন। এরপর “Bandwidth limit %”- এর মান ০ করে দিন। এটি counter what XP does(QoS) এর একটি অপশন, যা ডিজেবল করা থাকলেও এক্সপির জন্য ২০% Bandwidth ব্যবহার করে।
আশা করি টিপসটি কাজে লাগবে।

তৈরী করুন এক্সপি সার্ভিস প্যাক ৩ সেটআপ সিডি

আমার কাছে সার্ভিস প্যাক ৩ এর কোন সেট-আপ সিডি নেই। তাই প্রতিবার এক্সপি ইন্সটল করার পরে আলাদাভাবে সার্ভিস প্যাক ৩ ইন্সটল করতে হয়। কিন্তু নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে সহজেই সার্ভিস প্যাক ৩ এর জন্য বুটেবল সিডি বানানো যেতে পারে।
প্রথমে মাইক্রোসফটের সাইট থেকে সার্ভিস প্যাক ৩ (http://www.download.windowsupdate.com/msdownload/update/software/svpk/2008/02/windowsxp-kb936929-sp3-x86-enu_9afedbd6b2941bf568c27046d6688e6ccb5ce018.exe) এর ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
nLite(http://www.nliteos.com/download.html) সফটওয়ারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। এরপর আপনার সিডিরমে এক্সপি এর সার্ভিস প্যাক ২ সিডিটি ঢুকান।
এখন nLite সফটওয়ারটি ওপেন করে Next এ ক্লিক করলে Locating the Windows installation পেজটি আসবে। এবার ব্রাউজ করে সিডিরমের ডিস্কের পাথটি দেখিয়ে দিন।
এবার Next করলে একটি মেসেজ আসবে, ok করুন।
এখন Next করলে nLite আপনার সিডির ফাইল গুলোকে কপি করতে চাইবে। যেকোন ড্রাইভে একটি ফোল্ডার তৈরী করে তার পাথটি দেখিয়ে দিন। Next> Next করলে Task Selection page আসবে। এই পেজ থেকে Service Pack এবং Bootable ISO অপশন দুটি সিলেক্ট করে Next করুন। এখন আপনাকে আপনার সার্ভিস প্যাক ৩ এর এক্সকিউটেবল ফাইলটি দেখিয়ে (পাথ/রাস্তা) দিতে হবে। Next করলে nLite সার্ভিস প্যাক ৩ কে উইন্ডোজের সাথে ইন্টিগ্রেট করবে। এবার ok করে Next করুন।
কাজ প্রায় শেষ। এখন আমাদের একটি বুটেবল সিডি তৈরী করার জন্য একটি ইমেজ তৈরী করতে হবে। এখানে Mode হিসেবে দিন Create Image, লেবেল হিসেবে যেকোন একটি নাম দিন। এবার Make ISO তে ক্লিক করুন। ISO তৈরী হয়ে গেলে সিডিতে রাইট করে নিন। ব্যস কাজ শেষ।

বুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১১

শর্টকাট এক্সপি টিপস – বিরক্তিকর সব নোটিফিকেশন চিরতরে বন্ধ করুন

উইন্ডোজ এক্সপি যারা ব্যবহার করেন তাদের সবাইই দুইটি প্রচন্ড বিরক্তিকর মেসেজের সাথে পরিচিত। একটা হচ্ছে এরর মেসেজ সেন্ড আর আরেকটা হচ্ছে নোটিফিকেশন এরিয়ার বেলুন এলার্ট।
–> আর এর মধ্যে এক্সপি ব্যবহারকারীরা প্রথম মেসেজ দেখে এখন এতোটাই অভ্যস্থ হয়ে গেছেন যে এটাইকেই তারা তাদের নিয়তি হিসেবে মেনে নেন। সেটা হচ্ছে- “Send an Error Report to Microsoft”.
খুব সহজ ২টি ধাপে আপনি চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারেন এই মেসেজ-
১.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে সিস্টেম প্রোপার্টিজ থেকে এডভান্সড-এ যান।
২. এরর রিপোর্টিং ডিজাবেল করে ওকে করুন।
কাজ কিন্তু শেষ!
–> আরেকটি অতি পরিচিত এক্সপি মেসেজ- “Your computer might be at risk”। যখন তখন কোন আগমনী বার্তা বা কারন ছাড়াই উইন্ডোজ নোটিফিকেশন এর আগমনের সাথে সবারই জানাশোনা আছে বৈকি। আসুনতো কথা না বাড়িয়ে এটিকে বিদায় করে দিই।
১.নোটিফিকেশন এরিয়ার লাল সিকিউরিটি সেন্টার আইকনে ক্লিক করে সিকিউরিটি সেন্টার ওপেন করুন।বামপাশে Resources সেকশনে দেখুন সবার নিচে আছে- “Change the way Security Center alerts me”।এখানে ক্লিক করুন।
২.এলার্ট সেটিংস উইন্ডো আসবে।টিকগুলা উঠিয়ে দিলেই ঝামেলা শেষ।

উইন্ডোজ এক্সপিতে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে

আপনার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও ইচ্ছা করলে আপনার কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কম্পিউটার যখন পাসওয়ার্ড চাইবে তখন কিবোর্ড থেকে Ctrl+Alt চেপে ধরে পরপর দুবার Delete চাপুন। দেখবেন নতুন একটি উইন্ডো এসেছে। সেটিতে User name-এ administrator লিখে ok করুন। দেখবেন কম্পিউটারটি চালু হয়েছে। তবে আপনি যদি অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দেওয়ার সময় পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন অর্থাৎ আপনার কম্পিউটারের administrator-এর পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকে, তাহলে কম্পিউটার চালু হবে না। এ ক্ষেত্রে নতুন করে আবার অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিতে হবে। আর কম্পিউটারের Bios-এ যদি পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকে, তাহলে মাদারবোর্ডের ব্যাটারি খুলে আবার লাগালে পাসওয়ার্ড মুছে যাবে।

Windows XP সেটাপ করুন USB পেন ড্রাইভ থেকে


ইদানিং সব কম্পিউটারেই Boot from USB অপশনটা থাকে। আর আমাদের সবার কাছেই তো পেন ড্রাইভ আছে(ইদানিং নাই বলতে লজ্জা লাগে:))। আমরা জানি সিডিরমের চাইতে পেন ড্রাইভের রিড/রাইট স্পীড অনেক বেশী। তাই উইন্ডোজ এক্সপির সেটাপ যদি সিডিরমের পরিবর্তে পেন ড্রাইভ থেকে দেওয়া যায় অনেক কম সময় লাগবে। এছাড়া ও যাদের ল্যাপটপে অপটিক্যাল ড্রাইভ নস্ট(আমার নিজের ল্যাপটপে ও নষ্ট :)) তারা ও এই পদ্ধতিতে এক্সপি সেটাপ করতে পারবেন। এই জন্য প্রথমে নিচের যে কোন একটা লিংক থেকে USB_MultiBoot_10.zip ফাইলটি ডাইনলোড করুন। ডাউনলোড হয়ে গেলে যে কোন একটা ড্রাইভে আনজিপ করুন। USB_MultiBoot_10 নামে একটা ফোল্ডার তৈরী হবে। কমপক্ষে ১ গিগাবাইটের একটা খালি পেন ড্রাইভ আপনার পিসিতে সংযুক্ত করুন। মনে রাখবেন, পেন ড্রাইভটা ফরম্যাট হয়ে যাবে তাই গুরুত্বপূর্ন কোন ডাটা এতে থাকলে তা ব্যাকআপ নিয়ে নিন।

USB_MultiBoot_10 ফোল্ডারের ভেতরে USB_MultiBoot_10 নামে একটা ব্যাচ ফাইল থাকবে সেটা চালু করুন। Press any key to continue . . . লেখা একটা মেসেজ আসবে। এন্টার দিন। Enter your choice: এ P লিখে করে এন্টার দিন। এবার আপনার পেন ড্রাইভটি ফরম্যাটের অপশন আসবে Start -> Yes -> Yes -> OK -> Close দিন। সিডিরমে Windows XP সেটাপ সিডি প্রবেশ করান। এক্সপি সেটাপ অটোরান হবে তা বন্ধ করুন। Enter your choice: এ 1 লিখে করে এন্টার দিন। এক্সপি সেটাপ সিডিটি যে ড্রাইভে আছে তা সিলেক্ট করে OK দিন। Unattended Install এর একটা অপশন আসবে Yes দিন। এবার একে একে নিচের তথ্যগুলো দিন এবং প্রত্যেকটা তথ্য দেওয়ার পর OK বাটনে ক্লিক করুন।

Owner Name = Jewel(আপনার নাম)
Organization Nmae = Personal(আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম)
Product Key = xxxxx-xxxxx-xxxxx-xxxxx-xxxxx(এক্সপির সিরিয়াল নাম্বার)
Computer Name = JEWEL-PC(আপনার কম্পিউটারের নাম)
Administrator Password = xxxxxx(আপনার পছন্দমত)
Time Zone = 205 (এটা GMT+07:00 এর জন্য। GMT+06:00 এর অপশন এতে নেই তাই পরে ঠিক করে নেবেন)
Workgroup Name = WORKGROUP(আপনার পছন্দমত)
User Name = Jewel(আপনার ইউজারনেম)

যেসব তথ্য দিয়েছেন সবকিছু দেখাবে। ঠিক আছে কিনা দেখে OK ক্লিক করুন। Enter your choice: এ 2 লিখে করে এন্টার দিন। এবার আপনার পেন ড্রাইভটি কম্পিউটারের যে ড্রাইভ হিসেবে দেখাচ্ছে তা সিলেক্ট করে OK দিন। যেমন আমার পিসিতে I: ড্রাইভ। Enter your choice: এ 3 লিখে এন্টার দিন। ডিস্ক তৈরী করা শুরু হবে।

সেটাপের সময় যা খেয়াল রাখতে হবে, প্রথমবার উইন্ডোজের ডেস্কটপ না আসা পর্যন্ত পেন ড্রাইভটা খুলবেন না। অনেকের পিসিতে সেটাপ চলাকালীন প্রথম রিস্টার্টের পর hal.dll এর একটা এরর আসতে পারে। সেক্ষেত্রে পিসিকে পেন ড্রাইভ থেকে বুট করে বুট মেন্যুতে "2. and 3. Continue with GUI Mode Setup Windows XP + Start XP from HD 1" সিলেক্ট করে এন্টার দিতে হবে।

ডাউনলোড লিংক: (01) (02) (03)