কয়েকদিন আগের কথা বলি , প্রথম আলোতে একটা লেখা ছাপা হল।পরে,
ইনটারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইনটারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৩
এখন থেকে ব্লগে মুছে দেওয়া পোষ্টগুলো দেখুন সহজেই( হ্যাকিং পুষ্ট) !!!!
কয়েকদিন আগের কথা বলি , প্রথম আলোতে একটা লেখা ছাপা হল।পরে,
সোমবার, ৩ জুন, ২০১৩
গ্রামীণফোনে ফ্রি নেট ইউজ করুন
আমরা অনেকে প্রায়ই শুনে থাকি যে,গ্রামীনফোনে ফ্রি তে ইন্টারনেট চালানো যায়। তারপর ও যারা সঠিক উপায় জানে না এই অংশ শুধুমাত্র তাদের জন্য ।
গ্রামীফোনের GP MMS সেটিং দিয়ে অনেক ভাবেই ফ্রিতে ইন্টারনেট চালানো যায় । তবে এখানে দেখবো যে, কিভাবে কোন ধরনের 3rd পার্টি সফটওয়ার ছাড়াই আপনি ফ্রিতে ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারেন।
মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০১৩
ল্যাপটপে থাকা ব্রডব্যান্ড থেকেই তৈরি করুন ওয়াইফাই
আপনার ল্যাপটপে থাকা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ থেকেই তৈরি করতে পারেন তারহীন দ্রতগতির ওয়াইফাই সংযোগ। এর ফলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট-সুবিধা পেতে পারেন এবং সেটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেটেও ব্যবহার করতে পারেন। ব্রডব্যান্ড থেকে ওয়াইফাই-সুবিধা তৈরি করতে চাইলে http://biblprog.org.ua/en/connectify ঠিকানা থেকে Connectify_Hotspot নামের সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন। ইনস্টল করে নিন নিজের ল্যাপটপে। তারপর ল্যাপটপটির আশপাশে অন্য একটি ল্যাপটপ অথবা স্মার্টফোন দিয়ে ব্যবহার করুন তারবিহীন ওয়াইফাই ইন্টারনেটসেবা। এ ক্ষেত্রে যে ল্যাপটপে ব্রডব্যান্ড সংযোগ আছে, সেটি একটি রাউটার হিসেবে কাজ করবে। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পর অন্য ল্যাপটপ ও মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়ার জন্য একটি গোপন নম্বর (পাসওয়ার্ড) চাইবে, যা অ্যাডমিন হিসেবে আপনাকে বসাতে হবে ও কানেক্ট বোতামে ক্লিক করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে পছন্দসই একটি গোপন নম্বর দিন। এ গোপন নম্বরটি মনে রাখুন। এ ওয়াইফাই সংযোগ থেকে ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চাইলে অবশ্যই এ গোপন নম্বরটি লাগবে। এবার উপভোগ করুন ওয়াইফাই ইন্টারনেট সেবা। ডেস্কটপে এই ব্যবস্থা করতে গেলে অবশ্যই ওয়াইফাই যন্ত্র লাগবে।
মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
বাংলাদেশের সকল মোবাইল অপারেটরদের ইন্টারনেট প্যাকেজের খোঁজখবর
বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারের যত মাধ্যম আছে তার মধ্যে অন্যতম মোবাইল । বাংলাদেশেও কম্পিউটার এর পাশাপাশি মোবাইল এ ইন্টারনেট ব্যবহার হয়ে থাকে ব্যাপকভাবে । শুধু তাই নয় মোবাইল অপারেটরদের ইন্টারনেট পেকেজ চালু করে ডেস্কটপ কিংবা লেপটপ এও ইন্টারনেট ব্যবহার এর কমতি নেই কোনো অংশে । আমাদের দেশের মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন পেকেজ তৈরী করে রেখেছে । এসব জানা থাকলে গ্রাহক তার পছন্দ মত ইন্টারনেট পেকেজ একটিভ করে ব্যবহার করতে পারে । গ্রামীন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিঙ্ক, সিটিসেল ও টেলিটক বিভিন্নভাবে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে । পর্যায়ক্রমে আমরা সকল অপারেটরদের ইন্টারনেট সেবা সম্পর্কে জানব । প্রথমে আসি গ্রামীন ফোন সম্পর্কে …
রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১২
Cucusoft Net Guard
চরম কাজের একটা software নিয়ে আজকের পোস্টটি । এটার গুনের কথা লিখে শেষ করা যাবে না ।
software টার নাম Cucusoft Net Guard.
বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২
কিভাবে ইউটিউব (YouTube) দেখবেন..............
কি কি ইন্সটল করতে হবেঃ
১. গুগল ক্রোম ইন্সটল করা না থাকলে ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন Google Chrome
২. আই ডি এম ইন্সটল করা না থাকলে এখান থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। ভিতরে কিভাবে ক্র্যাক করতে হবে ইন্সট্রাকশন দেয়া আছে। IDM
৩. ভিডালিয়া (টর ক্লায়েন্ট) ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। Vidalia (Tor Client)
৪. গুগোল ক্রোম এর এক্সটেনশন প্রক্সি সুইচি ইন্সটল করুন। Proxy Switchy
কিভাবে ব্যাবহার করবেনঃ
১. ভিডালিয়া রান করুন

১. গুগল ক্রোম ইন্সটল করা না থাকলে ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন Google Chrome
২. আই ডি এম ইন্সটল করা না থাকলে এখান থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। ভিতরে কিভাবে ক্র্যাক করতে হবে ইন্সট্রাকশন দেয়া আছে। IDM
৩. ভিডালিয়া (টর ক্লায়েন্ট) ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। Vidalia (Tor Client)
৪. গুগোল ক্রোম এর এক্সটেনশন প্রক্সি সুইচি ইন্সটল করুন। Proxy Switchy
কিভাবে ব্যাবহার করবেনঃ
১. ভিডালিয়া রান করুন
বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১২
কোন ওয়েব ব্লক করতে চান?
"বন্ধুরা,
আমি একটি বিপদে পড়েছি, আমার ছোট বোন ফেসবুক ম্যানিয়াতে বর্তমান অর্ধপাগল প্রায়।
এ মুহুর্তে আমি আমার কম্পিউটার কে ফেসবুক বন্ধ করতে হবে।
দয়া করে কেউ যদি আমাকে একটি সমাধান দেন তবে বড়ই উপকৃত হবো।"
..........এ রকম আবেদন আজকাল প্রা্য়ই শোনা যায়, দেখা যায়; আর এর জন্য আপনি কম্পউটারে ফ্রী সফটওয়ার ব্লুকোট কে-৯ ব্যবহার করতে পারেন।
http://www1.k9webprotection.com/get-k9-web-protection-free
অথবা, কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে internet option এ যান .
আমি একটি বিপদে পড়েছি, আমার ছোট বোন ফেসবুক ম্যানিয়াতে বর্তমান অর্ধপাগল প্রায়।
এ মুহুর্তে আমি আমার কম্পিউটার কে ফেসবুক বন্ধ করতে হবে।
দয়া করে কেউ যদি আমাকে একটি সমাধান দেন তবে বড়ই উপকৃত হবো।"
..........এ রকম আবেদন আজকাল প্রা্য়ই শোনা যায়, দেখা যায়; আর এর জন্য আপনি কম্পউটারে ফ্রী সফটওয়ার ব্লুকোট কে-৯ ব্যবহার করতে পারেন।
http://www1.k9webprotection.com/get-k9-web-protection-free
অথবা, কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে internet option এ যান .
সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১১
আপনার ইন্টারনেট কানেকশনে Speed কম?বাড়িয়ে নিন স্পীড নিজেই!
বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি কমন প্রবলেম ফেইজ করে, সেটা হল ইন্টারনেট কানেকশনের স্লো স্প্রিড; কারণ এখন ও বাংলাদেশে সেই দাদার আমলের প্রযুক্তি চলছে, যাইহোক আপনি কিছু ট্রিকস অবলম্বন করে আপনার ইন্টারনেট কানেকশনের স্প্রিড বাড়াতে পারেন, দেরি না করে চলুন কাজে ঝাপিয়ে পরি।
প্রথমেই আপনার ইন্টারনেট কানেকশনটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করুণ, অতপর ট্যাঙ্কবারে সিস্টেম ট্রের কাছাকাছি নেটওয়ার্কের লোগোর উপর ক্লিক করুন, ছোট একটি উইন্ডো আসবে সেখানে আপনার বর্তমান কানেকশনটি দেখতে পাবেন, নিচের স্কিন শটটি দেখুন।
প্রথমেই আপনার ইন্টারনেট কানেকশনটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করুণ, অতপর ট্যাঙ্কবারে সিস্টেম ট্রের কাছাকাছি নেটওয়ার্কের লোগোর উপর ক্লিক করুন, ছোট একটি উইন্ডো আসবে সেখানে আপনার বর্তমান কানেকশনটি দেখতে পাবেন, নিচের স্কিন শটটি দেখুন।
সোমবার, ১৩ জুন, ২০১১
বিজ্ঞাপন ছাড়া ওয়েবব্র্রাউজ করুন
ওয়েব সাইটে ব্রাউজ করতে গেলে বিজ্ঞাপনের জন্য বেশ বিরক্তিকর লাগে, আবার কিছু কিছু বিজ্ঞাপন বেশ আপত্তিকরও বটে। এছাড়াও এসব বিজ্ঞাপনের জন্য পেজ লোড হতে তুলনামূলকভাবে বেশী সময় লাগে। তবে আপনি চাইলে আপনার ব্রাউজারে এধরনের বিজ্ঞাপন স্থায়ীভাবে বন্ধ করে রাখতে পারেন একটি এ্যাডঅন্স ব্যবহার করে। AdSweep নামের এই এ্যাডঅন্সটি গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, অপেরা, সাফারি ওয়েব ব্রাউজার সমর্থন করে। AdSweep মূলত একটি ইউজার স্ক্রিপ্ট যা CSS বেসড বিজ্ঞাপনগুলো (গুগল, ইয়াহু বা এধরনের) রোধ করতে পারে। এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করার জন্যwww.adsweep.org. সাইটে গিয়ে আপনার ব্রাউজারের উপযোগী এ্যাডঅন্সটি (User script) ডাউনলোড করে বর্ণনা মতো কনফিগার করে নিন। এরপরে ব্রাউজ করে দেখুন বিজ্ঞাপনগুলো আসছে না।
শনিবার, ৭ মে, ২০১১
উবুন্টুতে ইন্টারনেট কনফিগার করা
উবুন্টুতে ইন্টারনেট কনফিগার করা যায় দুই ভাবে।
গ্রাফিক্যাল কনফিগারেশনঃ
১। System > Preferences > Network Connections
২। Wired হতে Add বাটনে ক্লিক। Connection Name এ একটা নাম দিতে হবে (যেমন eth1)
৩। IPv4 Settings এর Method হতে Manual সিলেক্ট করতে হবে।
৪। এবার IP দেবার জন্য Add বাটনে ক্লিক করতে হবে।IP Address, Netmask, Gateway এবং DNS দিতে হবে।
৫। উবুন্টু চালু হবার পর অটোমেটিক নেটওয়ার্ক চালু হবার জন্যConnect automatically তে টিক দিতে হবে।
৬। Apply বাটনে ক্লিক করতে হবে।
টারমিনাল কনফিগারেশনঃ
১। Applications > Accessories > Terminal (অথবা Alt+F2 > gnome-terminal > Run)
২। sudo gedit /etc/network/interfaces
এবার কোন কিছু না মুছে নিছে লিখুন
auto eth1
iface eth1 inet static
address your_ip_address
netmask your_subnet_mask
gateway your_gateway
এখানে আপনার ip address, subnet mask and gateway দেবার পর save করুন।
৩। Terminal এ আবার লিখুন
sudo gedit /etc/resolv.conf
nameserver dns1_address
nameserver dns2_address (যদি একাধিক dns address থাকে)
save করে বের হয়ে আসুন। আপনার নেটওয়ার্ক কনফিগার করা শেষ। এখন আপনি Internet ব্যবহার করতে
সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১১
কিভাবে একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করবেন
বাসায় আরো একটা নতুন কম্পিউটার এসেছে আর ওটাতেও ইন্টারনেট লাইন নেওয়া দরকার ,কিন্তু যদি নতুন আর একটা লাইন নেই তাইলে ডাবল খরচ ; আর লাইনের যে স্প্রিড তাতে আরো ২টা লাইন লাগালেও খুব একটা ঝামেলা হবে না, তাই নেট ঘেটে একটা উপায় বের করলাম।
তবে যারা মোবাইল বা মডেম দ্বারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা চাইলেও এই উপায়ে অনান্য লোকাল কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করে ব্যবহার করতে পারবেন । ধরি আপনার কম্পিউটারটি আরো দুটি কম্পিউটারের সাথে ল্যানের সাহায্যে সংযোগ স্থাপন করা আছে আর আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ নিয়েছেন।এখন আপনি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস দেখে নিন।

ধরি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস হচ্ছে ১৯২.১৫২.৫২.৭৮।

প্রথমে আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ স্থাপন করুন। এরপরে সিস্টেম ট্রেতে থাকা উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন। অথবা Control Panel থেকে Network Connections এ গিয়ে উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন একটি স্টেটাস উইন্ডো আসবে। এবার General ট্যাবে থেকে Properties বাটনে ক্লিক করুন তাহলে প্রোপার্টিস উইন্ডো আসবে। এবার Advance ট্যাবে ক্লিক করে Internet Connection Sharing অংশে Allow other network users to connect through this computer’s internet connection চেক (যদি আপনার একাধিক লোকাল এরিয়ার সংযোগ থাকে তাহলে একটি ম্যাসেজ আসবে যে আপনি কোন লোকাল এরিয়াতে ইন্টারনেট শেয়ার দিবেন, আপনি আপনার পছন্দেরটি নির্বাচন করবেন।) করে Ok করুন। তাহলে Network Connections এর পরপর তিনটি ম্যাসেজ আসবে যেগুলোতে ধারাবাহিক ভাবে Ok Yes Ok করুন। এখন দেখুন আপনার কম্পিউটারের লোকাল আইপি পরিবর্তন হয়ে ১৯২.১৫২.৫২.১ হয়েছে।
নিচের ছবি দেখুন


এখন আপনি লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার আইপি ১৯২.১৫২.৫২.১ পরিবর্তন করে পূর্বের আইপি ১৯২.১৫২.৫২.৭৮ দিন এবং Ok করুন।

এবার যে কম্পিউটারে আপনি ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চান সেই কম্পিউটারের লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার Default gateway এর আইপি এড্রেস হিসাবে ১৯২.১৫২.৫২.৭৮ লিখুন। এরপরে Use the flowing DNS server addresses অপশন বাটন চেক করে Preferred DNS server এর আইপি এড্রেস হিসাবেও ১৯২.১৫২.৫২.৭৮ লিখে Ok Ok Ok করুন।

এবার দেখুন আপনার সেই কম্পিউটারেও ইন্টারনেটের সংযোগ এসেছে। এভাবে আপনি অন্য আরেকটি কম্পিউটারে সংযোগ নিতে পারনে।
এতে অবশ্য গতি কিছুটা কমে যাবে ।
তবে যারা মোবাইল বা মডেম দ্বারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা চাইলেও এই উপায়ে অনান্য লোকাল কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করে ব্যবহার করতে পারবেন । ধরি আপনার কম্পিউটারটি আরো দুটি কম্পিউটারের সাথে ল্যানের সাহায্যে সংযোগ স্থাপন করা আছে আর আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ নিয়েছেন।এখন আপনি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস দেখে নিন।
ধরি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস হচ্ছে ১৯২.১৫২.৫২.৭৮।
প্রথমে আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ স্থাপন করুন। এরপরে সিস্টেম ট্রেতে থাকা উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন। অথবা Control Panel থেকে Network Connections এ গিয়ে উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন একটি স্টেটাস উইন্ডো আসবে। এবার General ট্যাবে থেকে Properties বাটনে ক্লিক করুন তাহলে প্রোপার্টিস উইন্ডো আসবে। এবার Advance ট্যাবে ক্লিক করে Internet Connection Sharing অংশে Allow other network users to connect through this computer’s internet connection চেক (যদি আপনার একাধিক লোকাল এরিয়ার সংযোগ থাকে তাহলে একটি ম্যাসেজ আসবে যে আপনি কোন লোকাল এরিয়াতে ইন্টারনেট শেয়ার দিবেন, আপনি আপনার পছন্দেরটি নির্বাচন করবেন।) করে Ok করুন। তাহলে Network Connections এর পরপর তিনটি ম্যাসেজ আসবে যেগুলোতে ধারাবাহিক ভাবে Ok Yes Ok করুন। এখন দেখুন আপনার কম্পিউটারের লোকাল আইপি পরিবর্তন হয়ে ১৯২.১৫২.৫২.১ হয়েছে।
নিচের ছবি দেখুন
এখন আপনি লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার আইপি ১৯২.১৫২.৫২.১ পরিবর্তন করে পূর্বের আইপি ১৯২.১৫২.৫২.৭৮ দিন এবং Ok করুন।
এবার যে কম্পিউটারে আপনি ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চান সেই কম্পিউটারের লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার Default gateway এর আইপি এড্রেস হিসাবে ১৯২.১৫২.৫২.৭৮ লিখুন। এরপরে Use the flowing DNS server addresses অপশন বাটন চেক করে Preferred DNS server এর আইপি এড্রেস হিসাবেও ১৯২.১৫২.৫২.৭৮ লিখে Ok Ok Ok করুন।
এবার দেখুন আপনার সেই কম্পিউটারেও ইন্টারনেটের সংযোগ এসেছে। এভাবে আপনি অন্য আরেকটি কম্পিউটারে সংযোগ নিতে পারনে।
এতে অবশ্য গতি কিছুটা কমে যাবে ।
মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১১
মোবাইলে ইন্টারনেট, সফটওয়্যারের ফিচার ও লিংকসহ
Opera Mini: অত্যন্ত জনপ্রিয় এই মোবাইল Web ব্রাউজারটিকে আসলে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছ নেই। নিচে Opera Mini এর কিছু ফিচার তুলে ধরা হলো:
শনিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১১
ওয়েব ফিল্টারিং ও নিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট
সফটওয়্যার রিভিউ : ওয়েব ফিল্টারিং ও নিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট
তথ্য-প্রযুক্তির অব্যাহত উৎকর্ষতা পুরো বিশ্বটাকে আমাদের মুঠোয় পুরে দিয়েছে। পড়াশোনা, গবেষণা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ধর্ম-কর্ম সব চলে ইন্টারনেটে। আলো আসার আশায় তাই আমরা ইন্টারনেট তুলে দিচ্ছি আমাদের কোমলমতি শিশু-কিশোরদের হাতে। সাইবার ক্যাফে গড়ে তুলছি, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি ইন্টারনেট এ্যাক্সেস দিচ্ছি। জেগে জেগে স্বপ্ন দেখছি একটি তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর আগামী প্রজন্মের।
কিন্তু সম্প্রতি সাইবার ক্রাইম রিপোর্টগুলো আমাদের সোনালী স্বপ্নের আশু ভঙ্গনের অশনি সংকেত শোনাচ্ছে। পর্ণোগ্রাফি, হ্যাকিং, ফিসিং, অস্ত্র প্রদর্শনী, ড্রাগ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ইন্টারনেট এখন শিশু-কিশোরদের জন্য সবচেয়ে অনিরাপদ প্রযুক্তি। শিশুর কোমল মস্তিস্ক সহজেই বিকৃত করতে পারে এ প্রযুক্তি।
শিশু-কিশোরদের অবাধ যৌনাচরণ, ড্রাগ এ্যাডিকশন, ক্রিমিনাল এ্যাকটিভিটি – এ সব কিছুর জন্য অনেকটাই দায়ী বর্তমান ইন্টারনেট। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে হয়ত আমার এ দাবীটা এখনই সবাই মেনে নিতে পারবেন না। হয়ত বলবেন, ইন্টারনেটের চেয়ে হলিউড আর বলিউডের প্রভাব কম কীসে? কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান এটাই বলে যে, যত দ্রুত এ দেশে ইন্টারনেট ছড়িয়ে যাবে, তত দ্রুত এটি বলিউড-হলিউডের চেয়ে বেশি ভয়ংকর ও ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে।
ইন্টারনেটের ভালো দিক অবশ্যই আছে। কিন্তু শিশু-কিশোরের সে সব ভালো দিকগুলোতে আটকে রাখা খুব কঠিন ব্যাপার। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় ব্যবসায়িক ইন্ডাস্ট্রি হলো পর্ণো ইন্ডাস্ট্রি। সার্চ ইঞ্জিনসহ সব বড় বড় জনপ্রিয় সাইটই পর্ণো ইন্ডাস্ট্রিকে সাথে নিয়ে কাজ করে।
সব মিলিয়ে শিশু-কিশোরদের হাতে ইন্টারনেট তুলে দিতে একজন অভিভাবক হিসেবে সবসময়ই আমাদের আতঙ্কিত থাকতে হয়। আর সে জন্যই আজকের এই সফটওয়্যার রিভিউ।
এই সফটওয়ারটি দিয়ে ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা এক নেটওয়ার্কভুক্ত একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট এ্যাক্সেসে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা সম্ভব। সফটওয়্যারটির একাধিক শক্তিশালী অপশন সে নিয়ন্ত্রণকে আরো সুচারুরূপে আরোপ করতে সাহায্য করে।
নিম্নে ধাপে ধাপে সফটওয়ারটির ডাউনলোড, ইন্সটলেশন ও ব্যবহারবিধি সচিত্র তুলে ধরা হলো। আশা করি অনেকে উপকৃত হবেন।
ডাউনলোড ও ইন্সটলেশন :
ক. লিংক : http://www1.k9webprotection.com/
এই সাইটে গিয়ে ডান পাশে ‘Download k9 protection today for free’ তে ক্লিক করুন।
খ. এরপর যে পেইজ আসবে, সেখানে নাম ও ই-মেইল লিখুন।
গ. এরপর আপনার ই-মেইল ক্লায়েন্ট খুলুন। তাতে একটি ই-মেইল পাবেন।
ঘ. ই-মেইলে একটি লিংক ও পাসওয়ার্ড দেয়া থাকবে। লিংকে (Download K9 web protection) ক্লিক করুন এবং পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করুন।
ঙ. লিংকে দেয়া পেইজে গিয়ে আপনার ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমের লিংকে ক্লিক করুন।
— এরপর সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হবে।
চ. ইন্সটলেশন শুরু করার পর নিম্নের চিত্রের মতো লাইসেন্স চাওয়া হবে। সেখানে ই-মেইলে পাওয়া পাসওয়ার্ডটি লিখে দিন।
ছ. পরে নিম্নের চিত্রের মতো পাসওয়ার্ড দেয়ার অপশন আসবে। সেখানে পছন্দমত এ্যাডমিন পাসওয়ার্ড দিন। এটা পরবর্তীতে সফটওয়্যারটি খুলতে, চেঞ্জ করতে, আনইনস্টল করতে, যে কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজন হবে।
জ. এরপর ইন্সটলেশন শেষে ‘রিস্টার্ট’ করার কথা বলা হলে পিসি রিস্টার্ট করে নিন।
ব্যবহারবিধি :
ক. ডেস্কটপ থেকে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। আপনার ওয়েব ব্রাউজারে নিম্নের চিত্রের মতো তা ওপেন হবে।
খ. মাঝের বক্স ‘setup’ এ ক্লিক করুন। পাসওয়ার্ড বক্স আসলে ইন্সটলেশনের সময় যে পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন, তা দিন।
গ. সেটাপে High, Default, Moderate, Minimal, Monitor ও Custom আছে। প্রথম চারটি চার লেভেলের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। আর চতুর্থটি কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে না, তবে সব রকম ওয়েব এ্যাক্সেস মনিটর করে। যা পরে রিপোর্টে দেখা যায়।
ঘ. সর্বশেষ অপশনটি দিয়ে ইচ্ছেমতো বিভিন্ন ক্যাটাগরীর নিয়ন্ত্রণ আরোপ ও বন্ধ করা যাবে।
ঙ. বাঁ পাশ থেকে ‘Time restriction’ নির্বাচন করে সময়ভিত্তিক ইন্টারনেট এ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ‘Unrestricted’ সিলেক্ট করলে সবসময় ইন্টারনেট এ্যাক্সেস করা যাবে। তবে পূর্বে সিলেক্টকৃত ক্যাটাগরীর ওয়েবসাইট ব্লক করা থাকবে। ‘Night Guard’ দিয়ে রাতের নির্দিষ্ট সময় সব রকম ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা যাবে। ‘Custom’ দিয়ে অন্য যে কোনো সময় সব রকম ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা যাবে।
চ. বাঁ পাশ থেকে ‘Web site exceptions’ ক্লিক করে আরো কিছু অপশন ঠিক করে নিতে পারেন। কোনো ক্যাটাগরী ব্লক করার পর কোনো নির্দিষ্ট সাইটকে আন-ব্লক করতে ‘Always Allow’ এর ঘরে সাইটটি লিখে ‘Add to list’ এ ক্লিক করুন। আর কোনো নির্দিষ্ট সাইট আলাদা ভাবে ব্লক করার জন্য ‘Always block’ এ তা লিখে ‘Add to list’ এ ক্লিক করুন।
ছ. বাঁ পাশ থেকে ‘Blocking Effects’ ক্লিক করে আরো কিছু অপশন নির্বাচন করতে পারেন। ‘Bark when blocked’ ক্লিক করলে কোনো সাইট ব্লক করার সময় আওয়াজ হবে। ফলে আপনি অন্য রুমে থাকলেও আওয়াজ শুনে বুঝতে পারবেন যে আপনার শিশু কোনো ব্লকড সাইট দেখতে চাচ্ছিল।
আবার ‘Show admin options’ এ ক্লিক করলে কোনো সাইট ব্লক করার পর তাতে কিছু ‘এ্যাডমিন অপশন’ দেখানো হবে। যেমন, পাসওয়ার্ড দেয়া সাপেক্ষে সাময়িকভাবে সাইটটি ওপেন করা ইত্যাদি। বাই ডিফল্ট অপশনটা টিক দেয়া থাকে, না চাইলে টিক উঠিয়ে দিতে হবে।
‘Enable Time out’ এ টিক দিলে একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্লক সাইট খোলার চেষ্টা করা হলে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পূর্ণ ভাবে ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা থাকবে। যেমন ১০ মিনিটে কেউ ১০টি ব্লক সাইট খোলার চেষ্টা করলো, তাহলে পরবর্তী আধ ঘন্টা সব রকম ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা থাকবে। নির্দিষ্ট সময়, ব্লক সাইট সংখ্যা, এ্যাক্সেস বন্ধ রাখার সময় ইত্যাদি নিচে থেকে ঠিক করে নেয়া যাবে।
জ. বাঁ পাশ থেকে ‘URL keywords’ এ ক্লিক করে সাইট ব্লক করার জন্য আরো কিছু কী ওয়ার্ড বা শব্দ যোগ করা যাবে। যেমন, আপনি চাচ্ছেন ‘love’ সংক্রান্ত সকল সাইট ব্লক করতে। ‘ক্যাটাগরী ব্লক’ অপশনে আপনি এই ক্যাটাগরী ব্লক করেছেন, কিন্তু এতে কিছু বাংলা সাইট এখনো আনব্লক থেকে যাচ্ছে। তাহলে আপনি এখানে সেসব শব্দ যোগ করে নিতে পারেন। উদাহরণস্বরুপ আপনি ‘joubon’ লিখলে এ নামে যত সাইট থাকবে, বা এই কী ওয়ার্ডযুক্ত যত সাইট থাকবে, সব ব্লক হয়ে যাবে।
ঝ. বাঁ পাশ থেকে ‘Advanced’ এ ক্লিক করে আরো কিছু অপশন মডিফাই করতে পারেন। ‘Force safe search’ ও ‘block unsafe search’ ব্যবহার করে আপনি সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে সেফ সার্চ রেজাল্ট দেখাতে বাধ্য করতে পারেন। ফলে আপনার শিশু সার্চ ইঞ্জিনে কোনো অনুচিত শব্দ লিখে সার্চ করলেও সার্চ ইঞ্জিন তাকে নিষিদ্ধ রেজাল্ট দেখাবে না। ‘Filter secure traffic’ ব্যবহার করে https সিকিউর কানেকশনের ট্রাফিকেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যাবে। এটা টিক দিয়ে রাখাই ভালো।
ঞ. উপর থেকে ‘View internet activity’ ক্লিক করে সকল ইন্টারনেট এ্যাক্টিভিটি দেখা যাবে। আপনার শিশু কোন কোন সাইট ভিজিট করেছে বা করার চেষ্টা করেছে, সব রিপোর্ট এখানে পাবেন।
তথ্য-প্রযুক্তির অব্যাহত উৎকর্ষতা পুরো বিশ্বটাকে আমাদের মুঠোয় পুরে দিয়েছে। পড়াশোনা, গবেষণা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ধর্ম-কর্ম সব চলে ইন্টারনেটে। আলো আসার আশায় তাই আমরা ইন্টারনেট তুলে দিচ্ছি আমাদের কোমলমতি শিশু-কিশোরদের হাতে। সাইবার ক্যাফে গড়ে তুলছি, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি ইন্টারনেট এ্যাক্সেস দিচ্ছি। জেগে জেগে স্বপ্ন দেখছি একটি তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর আগামী প্রজন্মের।
কিন্তু সম্প্রতি সাইবার ক্রাইম রিপোর্টগুলো আমাদের সোনালী স্বপ্নের আশু ভঙ্গনের অশনি সংকেত শোনাচ্ছে। পর্ণোগ্রাফি, হ্যাকিং, ফিসিং, অস্ত্র প্রদর্শনী, ড্রাগ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ইন্টারনেট এখন শিশু-কিশোরদের জন্য সবচেয়ে অনিরাপদ প্রযুক্তি। শিশুর কোমল মস্তিস্ক সহজেই বিকৃত করতে পারে এ প্রযুক্তি।
শিশু-কিশোরদের অবাধ যৌনাচরণ, ড্রাগ এ্যাডিকশন, ক্রিমিনাল এ্যাকটিভিটি – এ সব কিছুর জন্য অনেকটাই দায়ী বর্তমান ইন্টারনেট। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে হয়ত আমার এ দাবীটা এখনই সবাই মেনে নিতে পারবেন না। হয়ত বলবেন, ইন্টারনেটের চেয়ে হলিউড আর বলিউডের প্রভাব কম কীসে? কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান এটাই বলে যে, যত দ্রুত এ দেশে ইন্টারনেট ছড়িয়ে যাবে, তত দ্রুত এটি বলিউড-হলিউডের চেয়ে বেশি ভয়ংকর ও ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে।
ইন্টারনেটের ভালো দিক অবশ্যই আছে। কিন্তু শিশু-কিশোরের সে সব ভালো দিকগুলোতে আটকে রাখা খুব কঠিন ব্যাপার। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় ব্যবসায়িক ইন্ডাস্ট্রি হলো পর্ণো ইন্ডাস্ট্রি। সার্চ ইঞ্জিনসহ সব বড় বড় জনপ্রিয় সাইটই পর্ণো ইন্ডাস্ট্রিকে সাথে নিয়ে কাজ করে।
সব মিলিয়ে শিশু-কিশোরদের হাতে ইন্টারনেট তুলে দিতে একজন অভিভাবক হিসেবে সবসময়ই আমাদের আতঙ্কিত থাকতে হয়। আর সে জন্যই আজকের এই সফটওয়্যার রিভিউ।
এই সফটওয়ারটি দিয়ে ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা এক নেটওয়ার্কভুক্ত একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট এ্যাক্সেসে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা সম্ভব। সফটওয়্যারটির একাধিক শক্তিশালী অপশন সে নিয়ন্ত্রণকে আরো সুচারুরূপে আরোপ করতে সাহায্য করে।
নিম্নে ধাপে ধাপে সফটওয়ারটির ডাউনলোড, ইন্সটলেশন ও ব্যবহারবিধি সচিত্র তুলে ধরা হলো। আশা করি অনেকে উপকৃত হবেন।
ডাউনলোড ও ইন্সটলেশন :
ক. লিংক : http://www1.k9webprotection.com/
এই সাইটে গিয়ে ডান পাশে ‘Download k9 protection today for free’ তে ক্লিক করুন।
খ. এরপর যে পেইজ আসবে, সেখানে নাম ও ই-মেইল লিখুন।
গ. এরপর আপনার ই-মেইল ক্লায়েন্ট খুলুন। তাতে একটি ই-মেইল পাবেন।
ঘ. ই-মেইলে একটি লিংক ও পাসওয়ার্ড দেয়া থাকবে। লিংকে (Download K9 web protection) ক্লিক করুন এবং পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করুন।
ঙ. লিংকে দেয়া পেইজে গিয়ে আপনার ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমের লিংকে ক্লিক করুন।
— এরপর সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হবে।
চ. ইন্সটলেশন শুরু করার পর নিম্নের চিত্রের মতো লাইসেন্স চাওয়া হবে। সেখানে ই-মেইলে পাওয়া পাসওয়ার্ডটি লিখে দিন।
ছ. পরে নিম্নের চিত্রের মতো পাসওয়ার্ড দেয়ার অপশন আসবে। সেখানে পছন্দমত এ্যাডমিন পাসওয়ার্ড দিন। এটা পরবর্তীতে সফটওয়্যারটি খুলতে, চেঞ্জ করতে, আনইনস্টল করতে, যে কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজন হবে।
জ. এরপর ইন্সটলেশন শেষে ‘রিস্টার্ট’ করার কথা বলা হলে পিসি রিস্টার্ট করে নিন।
ব্যবহারবিধি :
ক. ডেস্কটপ থেকে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। আপনার ওয়েব ব্রাউজারে নিম্নের চিত্রের মতো তা ওপেন হবে।
খ. মাঝের বক্স ‘setup’ এ ক্লিক করুন। পাসওয়ার্ড বক্স আসলে ইন্সটলেশনের সময় যে পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন, তা দিন।
গ. সেটাপে High, Default, Moderate, Minimal, Monitor ও Custom আছে। প্রথম চারটি চার লেভেলের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। আর চতুর্থটি কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে না, তবে সব রকম ওয়েব এ্যাক্সেস মনিটর করে। যা পরে রিপোর্টে দেখা যায়।
ঘ. সর্বশেষ অপশনটি দিয়ে ইচ্ছেমতো বিভিন্ন ক্যাটাগরীর নিয়ন্ত্রণ আরোপ ও বন্ধ করা যাবে।
ঙ. বাঁ পাশ থেকে ‘Time restriction’ নির্বাচন করে সময়ভিত্তিক ইন্টারনেট এ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ‘Unrestricted’ সিলেক্ট করলে সবসময় ইন্টারনেট এ্যাক্সেস করা যাবে। তবে পূর্বে সিলেক্টকৃত ক্যাটাগরীর ওয়েবসাইট ব্লক করা থাকবে। ‘Night Guard’ দিয়ে রাতের নির্দিষ্ট সময় সব রকম ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা যাবে। ‘Custom’ দিয়ে অন্য যে কোনো সময় সব রকম ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা যাবে।
চ. বাঁ পাশ থেকে ‘Web site exceptions’ ক্লিক করে আরো কিছু অপশন ঠিক করে নিতে পারেন। কোনো ক্যাটাগরী ব্লক করার পর কোনো নির্দিষ্ট সাইটকে আন-ব্লক করতে ‘Always Allow’ এর ঘরে সাইটটি লিখে ‘Add to list’ এ ক্লিক করুন। আর কোনো নির্দিষ্ট সাইট আলাদা ভাবে ব্লক করার জন্য ‘Always block’ এ তা লিখে ‘Add to list’ এ ক্লিক করুন।
ছ. বাঁ পাশ থেকে ‘Blocking Effects’ ক্লিক করে আরো কিছু অপশন নির্বাচন করতে পারেন। ‘Bark when blocked’ ক্লিক করলে কোনো সাইট ব্লক করার সময় আওয়াজ হবে। ফলে আপনি অন্য রুমে থাকলেও আওয়াজ শুনে বুঝতে পারবেন যে আপনার শিশু কোনো ব্লকড সাইট দেখতে চাচ্ছিল।
আবার ‘Show admin options’ এ ক্লিক করলে কোনো সাইট ব্লক করার পর তাতে কিছু ‘এ্যাডমিন অপশন’ দেখানো হবে। যেমন, পাসওয়ার্ড দেয়া সাপেক্ষে সাময়িকভাবে সাইটটি ওপেন করা ইত্যাদি। বাই ডিফল্ট অপশনটা টিক দেয়া থাকে, না চাইলে টিক উঠিয়ে দিতে হবে।
‘Enable Time out’ এ টিক দিলে একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্লক সাইট খোলার চেষ্টা করা হলে একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পূর্ণ ভাবে ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা থাকবে। যেমন ১০ মিনিটে কেউ ১০টি ব্লক সাইট খোলার চেষ্টা করলো, তাহলে পরবর্তী আধ ঘন্টা সব রকম ইন্টারনেট এ্যাক্সেস ব্লক করা থাকবে। নির্দিষ্ট সময়, ব্লক সাইট সংখ্যা, এ্যাক্সেস বন্ধ রাখার সময় ইত্যাদি নিচে থেকে ঠিক করে নেয়া যাবে।
জ. বাঁ পাশ থেকে ‘URL keywords’ এ ক্লিক করে সাইট ব্লক করার জন্য আরো কিছু কী ওয়ার্ড বা শব্দ যোগ করা যাবে। যেমন, আপনি চাচ্ছেন ‘love’ সংক্রান্ত সকল সাইট ব্লক করতে। ‘ক্যাটাগরী ব্লক’ অপশনে আপনি এই ক্যাটাগরী ব্লক করেছেন, কিন্তু এতে কিছু বাংলা সাইট এখনো আনব্লক থেকে যাচ্ছে। তাহলে আপনি এখানে সেসব শব্দ যোগ করে নিতে পারেন। উদাহরণস্বরুপ আপনি ‘joubon’ লিখলে এ নামে যত সাইট থাকবে, বা এই কী ওয়ার্ডযুক্ত যত সাইট থাকবে, সব ব্লক হয়ে যাবে।
ঝ. বাঁ পাশ থেকে ‘Advanced’ এ ক্লিক করে আরো কিছু অপশন মডিফাই করতে পারেন। ‘Force safe search’ ও ‘block unsafe search’ ব্যবহার করে আপনি সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে সেফ সার্চ রেজাল্ট দেখাতে বাধ্য করতে পারেন। ফলে আপনার শিশু সার্চ ইঞ্জিনে কোনো অনুচিত শব্দ লিখে সার্চ করলেও সার্চ ইঞ্জিন তাকে নিষিদ্ধ রেজাল্ট দেখাবে না। ‘Filter secure traffic’ ব্যবহার করে https সিকিউর কানেকশনের ট্রাফিকেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যাবে। এটা টিক দিয়ে রাখাই ভালো।
ঞ. উপর থেকে ‘View internet activity’ ক্লিক করে সকল ইন্টারনেট এ্যাক্টিভিটি দেখা যাবে। আপনার শিশু কোন কোন সাইট ভিজিট করেছে বা করার চেষ্টা করেছে, সব রিপোর্ট এখানে পাবেন।
সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১০
দারুণ একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার
উইন্ডোজ ব্যবহার করতে করতে এক সময় অনেক ভারী হয়ে যায় কারণ আমরা যখনই পিসিতে কোন একটি কাজ করি সাথে সাথে কাজটির জন্য বিভিন্ন টেম্পোরারী ফাইল তৈরী হয়। কিছু হিস্ট্রি হিসাবে, কিছু টেম্পোরারী সেভ ফাইল হিসাবে, নানারকম শর্টকাট হিসাবে ইত্যাদি আর তখন আমাদের পিসিগুলো হয়ে যায় অত্যন্ত স্লো, যা যেকোন কাজে বিরক্তির সৃষ্টি করে। আমরা যদি এই ফাইলগুলো মুছে দিতে চাই এটি হয় বিশাল ঝামেলাপূর্ণ কাজ আবার অনেকক্ষেত্রে বিপজ্জনক কারণ এতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এতে মুছে যেতে পারে। আবার আমরা কিন্তু সহজে ধরতে পারিনা যে আমাদের কম্পিউটারে একই ফাইল বার বার আছে কিনা। যখইন আমরা ইন্টারনেটে প্রবেশ করি তখন থেকে ইন্টারনেট হিস্ট্রি রেকর্ড হতে থাকে বা যে সাইটগুলো ব্রাউজ করছি তার ফাইলগুলো অনেকসময় থেকে যায়। এরকম নানা বিষয় মিলে আমাদের কম্পিউটার স্লো হয়। যাক, আমি আপনাদের একটি সফটওয়্যারের সাথে পরিচয় করাচ্ছি যা আপনার এইসকল কাজগুলো নিজেই করে দেবে অনেক সহজে। সফটওয়্যারটির নাম গ্লারি ইউটিলিটিজ প্রো এই সফটওয়্যারটিতে আপনি যা পাবেন:

> Porn cleanup
> Registry Cleaner
> Shortcuts Fixer
> Uninstall Manager
> Startup Manager
> Memory Optimizer
> Context Menu Manger
> Bs Registry Defragment
> Copy Protection
> Porn Shredder
> Porn Encrypt & decrypt
> File Undelete
> Disk Analysis
> Duplicate file finder
> Empty Folder Finder
> File Splitter & Joiner
> Process Manager
> Internet Explorer Assistant
> Windows Standard Tools
সব মিলিয়ে একরকম ভ্যারাইটিজ সুবিধা সম্পন্ন ইউটিলিটি সফটওয়্যার আপনি দ্বিতীয়টি খুজে পাবেন না। ব্যবহার করেই দেখুন। ধন্যবাদ
ডাউনলোড লিংক
> Porn cleanup
> Registry Cleaner
> Shortcuts Fixer
> Uninstall Manager
> Startup Manager
> Memory Optimizer
> Context Menu Manger
> Bs Registry Defragment
> Copy Protection
> Porn Shredder
> Porn Encrypt & decrypt
> File Undelete
> Disk Analysis
> Duplicate file finder
> Empty Folder Finder
> File Splitter & Joiner
> Process Manager
> Internet Explorer Assistant
> Windows Standard Tools
সব মিলিয়ে একরকম ভ্যারাইটিজ সুবিধা সম্পন্ন ইউটিলিটি সফটওয়্যার আপনি দ্বিতীয়টি খুজে পাবেন না। ব্যবহার করেই দেখুন। ধন্যবাদ
ডাউনলোড লিংক
বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০
জঞ্জাল মুছে সাফ,ব্রাউজ করুন নিশ্চিন্তে !!
প্রতিদিন আপনি যে ফেসবুক, ব্লগ, মেইল, ভিডিও ডাউনলোড, বইপত্তর ঘাটা, এই ওয়েব সেই ওয়েব ব্রাউস করেন, এই ব্রাউসের সাথে সাথে কিন্তু ধুলা কনার মত অনেক ছোট্ট ছোট্ট ফাইল ব্রাউসারে অটো ডাউনলোড হয়। এই গুলা জমে জমে পিসির ক্ষতি করে আর জায়গা নষ্ট করে। তো কি করা যায়? একটা ছোট্ট এবং মারাত্নক ইফেক্টীভ একদম ফ্রী সফটওয়ার সাথে রাখেন আর খেল দেখেন।
প্রথমে এই লিঙ্কে গিয়ে ডাউনলোড করেন Click this link...
মাত্র ৩.২৩ মেগাবাইট। ডাউনলোড শেষ হলে ইন্সটল দিয়ে ফেলেন। ইন্সটল দেয়ার সময় ডেস্কটপে এটার শর্টকাট রাখতে পারেন।
এবার রান করান। দেখবেন নিচের বামদিকে
Run Cleaner বাটন। ঐটা ক্লিক করুন। Clean শেষ হলে দেখবেন বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় জঞ্জাল মুছে সাফ হয়ে গেছে।
অনেক দিন ধরে জমা হলে অনেক মেগাবাইট পর্যন্ত পরিস্কার হবে। আমি পিসি এক সপ্তাহ চালালে দেখি ১০০ মেগাবাইট এর মত জায়গা সাফ হয়ে যায়। আপনি যত বেশী চালাবেন তত পিসিতে ময়লা বেশী জমে। তাই যারা পিসি বেশী চালান তাদের এইটা সাথে থাকা আরো জরুরী।
প্রথমে এই লিঙ্কে গিয়ে ডাউনলোড করেন Click this link...
মাত্র ৩.২৩ মেগাবাইট। ডাউনলোড শেষ হলে ইন্সটল দিয়ে ফেলেন। ইন্সটল দেয়ার সময় ডেস্কটপে এটার শর্টকাট রাখতে পারেন।
এবার রান করান। দেখবেন নিচের বামদিকে
Run Cleaner বাটন। ঐটা ক্লিক করুন। Clean শেষ হলে দেখবেন বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় জঞ্জাল মুছে সাফ হয়ে গেছে।
অনেক দিন ধরে জমা হলে অনেক মেগাবাইট পর্যন্ত পরিস্কার হবে। আমি পিসি এক সপ্তাহ চালালে দেখি ১০০ মেগাবাইট এর মত জায়গা সাফ হয়ে যায়। আপনি যত বেশী চালাবেন তত পিসিতে ময়লা বেশী জমে। তাই যারা পিসি বেশী চালান তাদের এইটা সাথে থাকা আরো জরুরী।
বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১০
১০০% ফ্রি 10 GB অনলাইন ষ্টোরেজ
ফ্রি আপলোড করার জন্য বেশ কিছু ওয়েব সাইট রয়েছে। এদের বেশিরভাগ ওয়েবসাইট গুলোরই নিয়ম-কানুন সহ বিভিন্ন জটিলতা বিদ্যমান। তাছাড়া ষ্টোরেজ ক্যাপাসিটি প্রবলেম তো রয়েছেই। তবে 4shared (এখানে ক্লিক করুন) এই সাইটটিতে সহজেই একাউন্ট খুলে ডকুমেন্ট আপলোড, একসেস, সেয়ার করা যায়। এই সাইটটিতে একাউন্ট খুলেই ১০গিগাবাইট ফ্রি ষ্টোরেজ ইউজ করার সুযোগ পাওয়া যায়।এতে music, video, photos, software সহজেই Upload এবং access করতে পারেন। এবং আপনার Uploadকৃত ফাইলটি Linksকরে Facebook,Twtter এর friendsদের মাঝে share করতে পারেণ। আপনার প্রয়োজণীয় ডকুমেন্ট সমূহ backup হিসেবেও রাখতে পারেণ। এছাড়াও আপনার Needed Software এইখানে Search দিয়ে ফ্রেন্ডসদের একাউন্ট থেকে sharing করতে পারেণ। এই সাইটিটর একটি শক্তিশালী সার্স ইন্জিন রয়েছে। এতে Premium Account খুলে 100 GB ব্যবহার করার সুযোগ আছে।
আপলোড-একসেস করতে জটিলতা নেই বল্লেই চলে। এই সাইটটি ব্যবহার করে উপকৃত হবেন বলে আশা করি।।।
আপলোড-একসেস করতে জটিলতা নেই বল্লেই চলে। এই সাইটটি ব্যবহার করে উপকৃত হবেন বলে আশা করি।।।
শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১০
জিপির মডেম দিয়ে চেক করুন আপনার ব্যালেন্স এবং ইন্টারনেট ব্যন্ডউইথ।
আমরা অনেকেই জিপির মডেম এবং সংযোগ ইউজ করি। আজ আমি আপনাদের সাথে একটা ছোট্ট ট্রিক্স শেয়ার করব। গ্রামীন ফোন আমাদের দেশের অন্যতম রক্তচোশা কোম্পানী।বিভিন্য ফালতু অফার এর মাধ্যমে আমাদের রক্ত জল করা পয়সা তারা শুশে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। যাই হোক তারা আমাদের মহান ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকেন,সেই সাথে তারা আমাদের একটি সুদৃশ্য মডেম কিনতে বাধ্য করেন। যাই হোক মডেম না হয় কিনলাম, কিন্তু ব্যলান্স এবং ব্যন্ডউইথ চেক করতে আমাদের ঘাম ছুটে যায়। সিম মোবাইলে ভরে তারপর চেক করতে হয়। কার্ডের মাধ্যমে রিচার্জ করা যায় না ইত্যাদি ইত্যাদি সমস্যা।,কিন্তু তাদের এই সুদৃশ্য মডেমটিতে কিন্তু সব আধুনিক ফিচার আছে নিউ জেনারেশন মডেম বলা হলেও আধুনিক অনেক ফিচার নিস্ক্রিয় রাখা হয়েছে,রাখা হয়েছে মানে কি, জিপি করে রেখেছে। জিপির স্বভাব আর কি! এত কম মুল্যে তারা আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ মডেম আমাদের দেবে না। কিছুদিন আগে এক ভাইয়ার কাছে পেলাম একটা জটিল প্লাগইনস যার দ্বারা মডেম এর ব্যলেন্স এবং ব্যন্ডউইথ জানার অপশন আনলক হয়। তাছাড়া আপনি কার্ডের মাধ্যমে রিচার্জ করতে পারবেন। তাই কথা না বলে চলুন ঝটপট ডাউনলোড করে ফেলি ছোট্ট প্লাগইনসটি।


১. প্লাগইনসটি ইন্সটল করার পর দেখবেন মডেমে USSD নামে নতুন একটি অপশন যোগ হয়েছে। ক্লিক করুন।


২. ব্যস চেক করুন আপনার ব্যলেন্স এবং ব্যন্ডউইথ, আর রিচার্জ করুন কার্ডের মাধ্যমে।
ভাল থাকবেন।ধন্যবাদ সবাই কে।
১. প্লাগইনসটি ইন্সটল করার পর দেখবেন মডেমে USSD নামে নতুন একটি অপশন যোগ হয়েছে। ক্লিক করুন।
২. ব্যস চেক করুন আপনার ব্যলেন্স এবং ব্যন্ডউইথ, আর রিচার্জ করুন কার্ডের মাধ্যমে।
ভাল থাকবেন।ধন্যবাদ সবাই কে।
রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১০
অফলাইনে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করুন!!!
আপনার প্রয়োজন হার্ডডিক্সে জায়গা আর সচল ইন্টারনেট কানেকশন। মূল কাজটি হবে ওয়েবসাইটটি আপনার কম্পিউটারে সেভ করে পরে অফলাইনে ব্রাউজ করবেন। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে ওয়েবসাইট কপিয়ার সফটওয়ার। "হেট্রেক ওয়েবসাইট কপিয়ার" এমন একটি সফটওয়ার। এটা ডাউনলোড করে ইন্সটল করে আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিন। এর পর কপি শুরু করুন। প্রসেস কমপ্লিট হলে যেখানে সাইটটি সেভ হবে সেখানে থেকে "ইনডেক্স.এইচটিএম" ফাইলটিতে ক্লিক করে ব্রাউজ করুন আপনার পছন্দের ওয়েবসাইট অফলাইনে। বিস্তারিত দেখুন এইখানে। সফটওয়ারটি ডাউনলোড করুন এইখান থেকে...
এন কম্পিউটিং- কম্পিউটিংয়ে নতুন মাত্রা!
এনকম্পিউটিং হল কম্পিউটিং জগতের নতুন একটি সংযোজন। আপনি একটি মাত্র সিপিইউ থেকে ৩০টি পর্যন্ত মনিটর বা ইউজার যুক্ত করতে পারবেন। এতে আপনার কমবে ৭৫% হার্ডওয়ার খরচ, ৭৫% ব্যবস্থাপনা খরচ এবং ৯০% ইলেকট্রিসিটি খরচ! কী অবিশ্বাস্য লাগছে! হ্যা এটা সম্ভব। যারা সাইবার ক্যাফে করতে চান অথবা কম্পিউটার নিয়ে অাউটসোর্সিং করতে চান তারা বিষয়টা নিয়ে একবার ভেবে দেখতে পারেন। যেমন আপনার ৩০ টা কম্পিউটার কিনতে কমপক্ষে ৯ লক্ষ টাকা দরকার কিন্তু এনকম্পিউটিং করলে আপনার ২-২.৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে যাবে। এখন দেখা যাক এনকম্পিউটিং কিভাবে কাজ করে-- ভিস্পেস সফটওয়ারঃ এই সফটওয়ার প্রতিটি ইউজারকে আলাদা আলাদা অ্যাপলিকেশন রান করতে সাহায্য করবে। এটা আপনি উইনডোজ বা লিনাক্স সিসটেমে ব্যবহার করতে পারবেন।
- ইউএক্সপি কমিউনিকেটর প্রটোকলঃ এই প্রটোকল প্রতিটি ইউজারের আলাদা আলাদা ইনপুট আউটপুট সিসটেমকে নির্দেশ করে। এছারা প্রতিটি কম্পিউটারের সংযোপ সিপিইউ থেকে এই প্রটোকল থেকে যায়।
- এক্সেস ডিভাইসঃ এই ডিভাইস প্রতিটি মনিটরের জন্য একটি করে লাগবে। এটার সঙ্গে মনিটর, কিবোর্ড, মাউস ইত্যাদি সংযোক্ত হবে।
তাহলে নতুন ব্যবসা শুরুর আগে একবার ভেবে দেখুন এনকম্পিউটিং করা যায় কিনা? বিস্তারিত দেখতে পারেন এইখানে...
শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১০
ইন্টারনেট শপিং সিকিউরিটি
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে প্রযুক্তিনির্ভর নানারকম সেবা আমাদের দ্বারগোড়ায় খুব সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে। এসব সেবা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়োজনে অনলাইন শপিং দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এক্ষেত্রে অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটা ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের প্রয়োজনীয়তা ও জনপ্রিয়তা যেমন বেড়ে চলছে তেমনি অন্যদিকে অনলাইন নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়ছে। আপনার নানারকম অনলাইন কার্যক্রম যতটা সম্ভব নিরাপদে সম্পাদন করতে প্রয়োজন যথাযথ পদক্ষেপ ও সচেতনতা। প্রয়োজনের তাগিদেই ইন্টারনেট শপিং-এর অগ্রগতিতে নিরাপদ শপিং-এর বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষ অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে একটা জিনিস প্রত্যাশা করে যে, তাদের টাকা যেন হ্যাকার বা কোন রকম সাইবার ক্রাইমের খপ্পরে পড়ে চুরি হয়ে না যায়। সম্প্রতি ক্রেডিট কার্ড চুরি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি মোট কথা অনলাইনে টাকা চুরির বিষয়টি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। অনেক দোকানদার এবং প্রতিষ্ঠান নীতিহীনভাবে এসব অবৈধ লেনদেনের ব্যবহার করে থাকে। এই ধরনের ঘটনা বেশ কয়েক বছর থেকেই ঘটছে। এক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা হিসেব সম্ভাব্য অনেক ক্রেতাই হারাচ্ছেন এই পদ্ধতির কারণে। অর্থাৎ অসৎ ব্যবসায়ীদের অসাধু চক্রের ফাঁদে পড়ে অনেক ক্রেতাই তাদের টাকা খুইয়েছেন। সম্প্রতিক সময়ে এনক্রেপ্ট অনলাইন ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারে পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে এবং ফলশ্রুতিতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে কেনাকাটার সুবিধা গ্রহণ করে নানা রকম পণ্য ক্রয় করছেন। এক্ষেত্রে আস্থা আবার ফিরে এসেছে এবং এই কারণে মুনাফা দিন দিন উপরের দিকে উঠছে। কোম্পানিগুলো এবং বিক্রেতাদের দ্বারা ক্রেতা সাধারণ এখন অনেকটা নির্ভয়ে তাদের ক্রেডিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য অনলাইনে স্টোর করছেন। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে প্রতারণা কার্যক্রম বিষয়ে কোম্পানিগুলোর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ। যদি আপনি অনলাইনে শপিং করেন তবে আপনার ডেবিট কার্ডের চেয়ে বরঞ্চ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করবেন। ডেবিট কার্ডের ব্যাপারে আপনি একই মাত্রার সুরক্ষানীতি গ্রহণ করবেন না এবং এটিতে কোন প্রকার ভুল হলে আপনি তা ফিরে পেতে ততটা মরিয়া হবেন না। এখন স্টোর থেকে কিছু কিনতে আপনার বিস্তারিত খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। বর্তমানে অনলাইন দোকানগুলোতে মিনিটের মধ্যে দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার বিষয়টি অত্যাবশ্যক। এক্ষেত্রে অনলাইন বিক্রেতাদের প্রয়োজন সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা। অন্যথায় তারা তাদের গ্রাহক হারাবে এবং যারা অধিকতর ভাল সেবা প্রদান করবে সেখানে গ্রাহক বেশি যাবে। একটি উৎকৃষ্ঠ উদাহরণ হচ্ছে আমাজন, এখানে অনলাইন অর্ডার প্রক্রিয়া অনেক দ্রুততার সাথে সম্পূর্ণ করা যায়। এবং যারা হচ্ছে একমাত্র কোম্পানি, যেখানে তারা ওয়ান ক্লিকে কেনাকাটা অফার করে থাকে। আমাজন খুব সতর্কতার সাথে অনলাইন কেনাকাটার বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান করে থাকে এবং পরবর্তী সময়ে আরো উন্নত সেবা দিতে তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। নিশ্চিতভাবে এতে কোন সন্দেহ নেই যে এই ধরণের সার্ভিস বেচা-কেনার ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ক্রেতারা তাদের বিভিন্ন স্টোর হতে এসব সেবা গ্রহণ করছেন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
পৃষ্ঠার উপরে আসুন