উইন্ডোজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
উইন্ডোজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০১৪

উইন্ডোজের সকল শর্টকাট


CTRL+C (কপি করুন, তবে অন্যের লিখা নিজের বলে চালাবেন না!)
CTRL+X (কেটে কপি করুন)
CTRL+V ( পেস্ট করুন, তবে তার আগে কিছু একটা কপি তো করে নিন ! ;) )
CTRL+Z (একটু আগে যে ভুলটা করলেন সেটা শুধরে নিন, মানে আগের অবস্থায় ফিরে যান)
DELETE (মুছে ফেলুন, দেশ থেকে সকল অপসংস্কৃতি ছাগুদের মুছে ফেলুন)
SHIFT+DELETE (বাছাইকৃত উপাদানগুলো চিরতরে মুছে ফেলুন, ছাগুদের SHIFT+DELETE দিয়ে ডিলিট করুন )
CTRL ( অনেকগুলো আইটেম বা উপাদান একসাথে সিলেক্ট বা বাছাই করার জন্য CTRL চেপে ধরে রাখুন তারপর শুধু মাউস দিয়ে ক্লিক করুন)
CTRL+SHIFT (শর্টকাট তৈরি করার জন্য)
F2 key (রিনেম বা পুনর্নাম নির্ধারনের জন্য চাপুন)

বুধবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১২

Pen drive এ পুরো windows xp-র CD টা bootable অবস্থায় রাখতে পারা যায়না যেটা দিয়ে সরাসরি Pen drive থেকে install করতে পারবো??

 আমার নেটবুক এ কোন DVD ROM না থাকায় আমি ওটাতে operating system load করতে ঝামেলা করতে হয়, হয় দোকানে গিয়ে বা কারো USB ROM ধার করে করতে হয়। 
Pen drive এ পুরো windows xp-র CD টা bootable অবস্থায় রাখতে পারা যায়না যেটা দিয়ে আমি সরাসরি Pen drive থেকে install করতে পারবো?? 


#*আমরা সাধারণত উইন্ডোজ ইন্সটল দিয়ে থাকি সিডি দিয়ে। এতে করে বেশ সময় লেগে যায়। কিন্তু আমরা যদি পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করে উইন্ডোজ ইন্সটল দেই তাইলে আরো কম সময়ে আপনি উইন্ডোজ ইন্সটল দিতে পারবেন। এজন্য আপনাকে আপনার পেনড্রাইভকে প্রথমেই বুটেবল করে দিতে হবে। সেজন্য আপনি নীচের পদ্ধতি অনুসরণ করুনঃ

* প্রথমে পেন-ড্রাইভটা NTFS এ ফরম্যাট করুন ।

এজন্য আপনি যদি উইন্ডোজ সেভেন ব্যাবহার করেন তাইলে শুধু ফরম্যাট দেয়ার সময় ঐখানে FAT32 এর বদলে NTFS দিয়ে ফরম্যাট করুন। ব্যাস কাজ শেষ।

* আপনার ড্রাইভে উইন্ডোস ৭ এর ডিস্ক ঢুকান ।

* Programs থেকে Accesories এ যান । Command Prompt এ রাইট বাটন ক্লিক করে Run As Administrator হিসেবে চালান ।

* কমান্ড দিনঃ

h:

( এখানে আপনার যে ড্রাইভে উইন্ডোসের ডিস্ক ঢুকিয়েছেন তার ড্রাইভ লেটার দিন )

cd h:\boot

* ধরি পেন-ড্রাইভের ড্রাইভ লেটার J: , নীচের কমান্ড দিনঃ

bootsect /nt60 J:

এখন আপনি আপনার ডিভিডি সম্পূর্ণ কপি করে পেনড্রাইভে পেষ্ট করেন। আপনার কাজ শেষ। এখন আপনি আপনার পিসিতে পেনড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজ সেটাপ দিতে পারবেন।

বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১২

ইউএসবি ডিক্সের মাধ্যমে উইন্ডোজে লগইন করা

পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড উইন্ডোজে পাসওয়ার্ড না লিখেও অটো-লগইন বা ফেস লগইন দ্বারাও লগইন করা যায়। এমনই আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে ইউএসবি ডিভাইসের মাধ্যমে লগইন করা। এজন্য ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করলেই সয়ংক্রিয়ভাবে নিধারিত ইউজারে লগইন হবে। Rohos Logon Key নামের সফটওয়্যারটি www.rohos.com/products/rohos-logon-free/ থেকে ফ্রি সংস্করণ ডাউনলোড করা যাবে।
> প্রথমে সফটওয়্যারটির ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন।
> এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Setup USB Key বাটনে ক্লিক করুন।
usb key
> এবার ইউজার নেম

বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১২

মাইক্রোসফটের অর্জিনাল সিরিয়াল নাম্বার!!!


মাইক্রোসফটের অর্জিনাল কিছু সিরিয়াল নাম্বার দিবো যা আপনাদের কাজে আসবে। মাইক্রোসফট প্রডাক্টের অর্জিনাল কিছু সিরিয়াল নাম্বার পাওয়া অনেক কঠিন একটি কাজ তাই ভাবলাম সিরিয়াল গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করি যেন আপনাদের কাজে আসে।

নিচে মাইক্রোসফট প্রডাক্টের সিরিয়াল নাম্বার গুলো দেওয়া হলো

Microsoft Office 2007
• key: KGFVY-7733B-8WCK9-KTG64-BC7D8
• key: TT3M8-H3469-V89G6-8FWK7-D3Q9Q
WindowsXP Professional

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১১

শক্তিশালী করুন উইন্ডোজ এক্সপির পাসওয়ার্ড


অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আমরা সাধারণত উইন্ডোজই বেশি ব্যবহার করি। কম্পিউটারে যাতে অন্য ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য আমরা পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। উইন্ডোজ এক্সপিতে আমরা সাধারণত ইউজার পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। এই ইউজার একাউন্টে যে পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি তা অত্যান্ত সহজেই ভাঙা যায়। তাই এই পাসওয়ার্ড আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। অন্য দিকে বায়োসে পাসওয়ার্ড দিলে তাও ভাঙা যায়। ফলে এটিও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। তাই এর থেকেও আরও কঠিন পাসওয়ার্ড দেয়া উচিত। এর জন্য উইন্ডোজ আপনাদের জন্য দিয়েছে আরো নিরাপত্তা পাসওয়ার্ড যা লগঅন স্ক্রিনে আসার আগেই সেট করা থাকে। যাক এবার কাজে আসি…....

রবিবার, ১ মে, ২০১১

শুধুমাত্র একটি সিরিয়াল কি দিয়েই উইন্ডোজ সেভেন কে জেনুইন করা

আপনি শুধুমাত্র একটি সিরিয়াল কি দিয়েই উইন্ডোজ সেভেন কে জেনুইন করতে পারেন। উইন্ডোজ সেভেন ইনস্টলেশন এর সময় যখন সিরিয়াল কি চাইবে তখন আপনি নিম্নোক্ত সিরিয়াল কি দিবেনঃ
MM7DF-G8XWM-J2VRG-4M3C4-GR27X
সিরিয়াল কি দেওয়ার পরে Next করবেন,তখন দেখাবে “This Serial Key Is Not Valid”.
লেখাটি দেখানোর পরপরই BackSpace Key চেপে সিরিয়াল কি এর ঘরটি ফাঁকা রেখে Next করুন (এর একটু পরে আপনাকে কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হতে পারে,cmd উইন্ডো খুললে অপেক্ষা করুন) এবং উইন্ডোজ ইনস্টলেশন এর অন্যান্য ধাপগুলো নিয়ম মাফিক সম্পন্ন করুন।
উইন্ডোজ পুরোপুরি ইনস্টলেশন হয়ে গেলে,Computer এর Properties অপশানে গিয়ে দেখুন আপনার উইন্ডোজ সেভেন টি পুরোপুরি জেনুইন হয়ে গিয়েছে।যদি সম্ভব হয় তবে Windows Update টা ও সম্পন্ন করে ফেলবেন।কোনও সমস্যা হবে না।

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১১

উইন্ডোস XP তে উইন্ডোস ৭ এর স্বাদ পেতে চান ?

আপনি উইন্ডোস XP ব্যাবহার করেন, কিন্তু পিসির configuration এর জন্য উইন্ডোস 7 ব্যাবহার করতে পারছেননা। তাহলে এই software টি Download করে install করুন। অনেকটা উইন্ডোস 7 এর মত হয়ে যাবে। সাইজঃ 35.40 MB
Link:
http://www.softpedia.com/get/System/OS-Enhancements/Vista-Transformation-Pack.shtml

সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০১১

উইন্ডোজে রানিং প্রোগ্রাম লুকানো

ওয়াচক্যাট ২.০ ভার্সনের একটি ফ্রি সফটওয়্যারের সাহায্যে সহজেই যে কোন চলন্ত প্রোগ্রাম লুকিয়ে রাখা যায়। সফটওয়্যারটি চালু করলে সিস্টেম ট্রেতে এর আইকন দেখা যায়। আইকনটির ওপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে সব রানিং প্রোগ্রাম দেখা যায়। এবার যেটির ওপর ক্লিক করবেন সেই উইন্ডোটি লুকিয়ে যাবে। কিন্তু ওই প্রোগ্রামটির কাজ স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকবে। আইকনটি আবার ফিরিয়ে আনতে হলে আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে নিচের দিক থেকে প্রোগ্রামের আইকনে ক্লিক করলে তা ফিরে আসবে। ১৪৭ কিলোবাইটের পোর্টেবল সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের সব ভার্সনে চলবে।

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০১১

পেন ড্রাইভ থেকে Vista, Server, Win 7 ইনস্টল করুন

 

এমন অনেক সময় হয় আমাদের সাথে, একটি সিডি/ডিভিডি কিছু দিন পরই আর কাজ করে না। আবার নতুন ডিভিডি কিনতে দৌড়া দৌড়ি করতে হয় তাই না? একবার ভাবুন কেমন হবে যদি ডিভিডি আর না কিনতে হয়? অনেক জস হবে তাই না? আজকে এমন আকটি পোর্টেবল টুল নিয়ে এসেছি যা সাইজে খুব ই ছটো কিন্তু কাজ করে বিশাল। এই সোফট দিয়ে আপনে বটেবল পেন ড্রাইভ বানিয়ে ইউন্ডস ইনস্টল করে নিতে পারবেন।

যা কিছু লাগবে
১। A USB Drive (4 GB or more)
২। Windows Vista, Server 2008 or 7 ISO image or DVD
৩। Host OS: Windows Vista (SP1 or SP2), Server 2008 or 7
কিভাবে করতে হবে দেখুন
১। Check USB drive (পেন ড্রাইব চেক করতে এখানে ক্লিক করুন)
২। Format USB drive (পেন ড্রাইভ ফরমেট করে নিলে ভালো হবে তাই এখানে ক্লিক করুন)
৩। Choose DVD or ISO image (ইমেজ করা আই,এস,ও ফাইলটা সিলেক্ট করুন অথবা আপনার কাছে ডিভিডি থাকলে সেটা সিলেক্ট করুন)
৪। Start the process to create bootable USB drive
হয়ে গেছে। এখন আপনে পেন ড্রাইভ থেকে বুক করে ইনস্টল করুন।

***Download From Here***

শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

বাংলায় উইন্ডোজ এবং ফেসবুক

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ডিফল্ট ভাষা ইংরেজি। কম্পিউটারের কমান্ডগুলোও তাই কেবল ইংরেজিতেই দিতে হয়। তবে চাইলে বাংলাতেও কমান্ড দেওয়া যায়। চাইলে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমসের ভাষা সহজেই বাংলা করে নিতে পারেন। উইন্ডোজ ভিসতা এবং অফিস ২০০৭-এর বাংলা সংস্করণ বেরিয়েছে অনেক আগেই। মাইক্রোসফটের স্থানীয় ভাষা কর্মসূচির আওতায় ভিসতা এবং অফিস ২০০৭ সংস্করণে বাংলা অনুবাদকরণের এ ফিচারটি চালু করা হয়েছে। উইন্ডোজকে বাংলাকরণে মাইক্রোসফটকে সহায়তা করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল বা বিসিসি ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। উইন্ডোজ ভিসতা ব্যবহারকারীরা প্রথমে http://bit.ly/hZI4MT ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে বাংলা ভাষার জন্য তৈরি মাইক্রোসফট ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারফেস প্যাক ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এরপর এটি কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিলেই হলো। বাংলায় চলে আসবে সব অপশন। উইন্ডোজ সেভেন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন? তাতে কি, এটিও বাংলা করে নিতে পারবেন সহজে। মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ সেভেন এখন বাংলায় ব্যবহার করতে পারবেন। তেমন কিছুই করতে হবে না। শুধু একটি ছোট্ট সফটওয়্যার ইনস্টল করলেই হলো। উইন্ডোজ সেভেন বাংলায় অনুবাদ হয়ে যাবে। http://bit.ly/win7bn থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। সামাজিক যোগাযোগটাও বাংলায় করা যেতে পারে সহজেই। বাংলায় স্ট্যাটাস লেখা আর মন্তব্য যুক্ত করার পাশাপাশি এর অপশনগুলোও বাংলায় করে নেওয়া যাবে। এর জন্য একটু সেটিংস পরিবর্তন করে নিতে হবে ব্যবহারকারীদের। ফেসবুকে লগ-ইন করে www.facebook.com/translations ঠিকানায় যেতে হবে। পেজের বামপাশে বেশকিছু অপশন পাওয়া যাবে। সেখান থেকে Preferences ক্লিক করতে হবে। এবার Translations App Language লেখার ড্রপডাউন বক্স থেকে 'বাংলা' নির্বাচন করে Update Preferences ক্লিক করতে হবে। এরপর ফেসবুক চ্যাটবক্সের বামপাশে অনুবাদের একটি ট্যাব দেখা যাবে। সেখান থেকেও বাংলা নির্বাচন করে নিতে হবে। ফেসবুকের সব অপশন মুহূর্তেই বাংলা হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

উইন্ডোজ থীম

অনেকক্ষেত্রে না বুঝেই আমরা পিসিতে বিভিন্ন থার্ড পার্টি থীম ইন্সটল করেই পিসির চেহারাই পালটে দিই। এবং মাঝে মাঝে এসব করতে গিয়ে অপারেটিং সিস্টেমের নিজের বলতে আর কিছু থাকে না। মূল দোষটা অবশ্য মাইক্রোসফটেরই। কেননা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ডিফল্টভাবে কোন থার্ড পার্টি কাস্টোমাইজেশন সাপোর্ট করে সুতরাং। তার মানে দাড়াচ্ছে কোন থার্ড পার্টি থীমকে ব্যবহার করতে হলে আগে সিস্টেমের এসব ডিফল্ট ফাইলকে মুছে নতুন ফাইল যুক্ত করতে হয়। এবং এখানেই সমস্যার শুরুটা হয়। এই সিস্টেম ফাইলের তালিকায় এক্সপ্লোরার এবং শেল৩২ ফাইলও আছে। সুতরাং যারা বোঝার তারা বুঝে গেছেন। আপনার পিসির যাবতীয় ভিজুয়াল প্রেজেন্টেশন এই ফাইলগুলা দিয়েই হয়(আরো কাজ আছে অবশ্য)। সুতরাং এখানে কোন সমস্যা হলে সিস্টেম তো সমস্যা করবেই।
সুতরাং এখন? কি করবেন আপনি? ব্যাপারটা এমন একটা অবস্থায় যে থীম ব্যবহার নিষেধ আমি বা কেউই কাউকে করতে পারে না। আপনার সারাক্ষণের সঙ্গী কম্পিউটারকে একভাবে দিনের পর দিন,বছরের পর বছর দেখাটা আসলে রীতিমতো অসম্ভব। তাহলে কিভাবে কি করা যেতে পারে সেটা নিয়ে কিছু কথা বলব এবার।
অবশ্য করনীয়
থীম সংক্রান্ত যেকোন কাজ করার আগে সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট করার কথা কখনোই ভুলবেন না। সিস্টেম রিস্টোর নিয়ে এর আগেও অনেক কথা বলা হয়েছে। সিস্টেম রিস্টোর হচ্ছে আপনার পিসির বিভিন্ন সিস্টেম ফাইল এবং সেটিংস এর সমষ্টি। সুতরাং যেকোন কাজ করার পর কোন সমস্যা হলে আপনি চাইলে পুরাতন সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট নির্বাচন করে আগের ভালো অবস্থায় ফেরত যেতে।
সাধারণত ডিফল্টভাবে অটোম্যাটিকালিই রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি হয়ে যায়। তবুও আসুন একবার অপশনগুলা চেক করে নিই।
>> উইন্ডোজ সেভেনে কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে এডভান্সড সিস্টেম সেটিংস-এ গিয়ে সিস্টেম প্রোটেকশনে যান।
>> কনফিগারে ক্লিক করে সিস্টেম প্রোটেকশন অন আছে কিনা দেখুন।এবং এর জন্য হার্ডডিস্কের বরাদ্দকৃত স্পেস-এর পরিমাণ দেখে নিন।
থীম
>> আর কনফিগারের নিচে ক্রিয়েট বাটনে ক্লিক করে একটি নাম দিয়ে খুব সহজেই আপনি যেকোন সময় সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করে নিতে পারবেন।
থীম প্রসংগঃ কি করবেন কি করবেন না কিভাবে করবেন
এবারে তাহলে বলি কিভাবে আপনি আরেকটু নিরাপদভাবে থীম ব্যবহার করতে পারেন সেটা। থীম সাধারণত বেশ কয়েক প্রকার হয়। কিছু থীমে শুধুমাত্র ওয়ালপেপার আর এক-দুইটি আইকন থাকে। আবার কিছু থীম আপনার উইন্ডোজের এক্সপ্লোরার,টাস্কবার থেকে শুরু করে মাউসের আইকন পর্যন্ত সবই পরিবর্তন করে ফেলে। এগুলাকে বলা হয় ট্রান্সফর্মেশন প্যাক। ট্রান্সফর্মেশন প্যাকগুলা আবার বিভিন্ন রকমের হয়। কোন কোন ট্রান্সফর্মেশন প্যাক-এ একটি মাত্র ফাইল থাকে। শুধু সেই ফাইলে ক্লিক করলেই সচরাচর এপ্লিকেশনের মতো করে থীম ইন্সটল হয়ে যায়। এগুলা একটু কম ঝামেলার। আবার কিছু কিছু ট্রান্সফর্মেশন প্যাক খুললে দেখবেন অনেকগুলা ফোল্ডার। এখানেই প্যাচ। সত্যিকারের ভিজুয়াল ইফেক্ট পেতে আপনাকে সবগুলা ফোল্ডারের সবগুলা ফাইলকেই জায়গামতো কপি পেষ্ট করতে হবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সিস্টেমের যাতে সংশ্লিষ্ট কিছু ফাইল রিপ্লেস করতে হয় দেখে কাজটা অতো সহজেই করা যায় না। তাই কিভাবে সিস্টেম ফাইল রিপ্লেস করতে হবে এখন তা বলছি আপনাদের-
>> ধরুন আমরা উইন্ডোজের সি ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারের সিস্টেম৩২ থেকে shell.dll ফাইলটিকে রিপ্লেস করব। এজন্য আগে আপনাকে বর্তমান শেল ফাইলটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হবে রা রিনেম করে নিতে হবে। কিন্তু সাধারণ নিয়মে আপনি তা করতে পারবেন না। এজন্য প্রথমে ফাইলে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান। সিকিউরিটি ট্যাব থেকে এডভান্সড-এ যান।

>> ওনার ট্যাবে যান। নিচের এডিটে ক্লিক করুন। এবারে আপনার উইজার একাউন্টটি নির্বাচন করে এপ্লাই  করে ওকে করুন।
>> এবারে আবার সিকিউরিটি ট্যাবে আসুন। এডিটে ক্লিক করুন।
>> আপনার ইউজার একাউন্টে ক্লিক করে ফুল কন্ট্রোলে টিক দিন। এপ্লাই ওকে করুন।
এবারে আপনি ফাইলটি কপি/ডিলিট/বা রিনেম যা ইচ্ছে তাই করতে পারবেন।
এবারে থীম ইন্সটলেশন প্রসংগ আবার। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় আপনি সব কাজ ঠিকঠাক মতোই করেছেন কিন্তু তবুও থীমের সবকিছু দেখা যাচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে থার্ড পার্টি থীম ব্যবহার বন্ধ করতে মাইক্রোসফট উইন্ডোজের ভেতর তিনটি ফাইল দিয়ে রেখেছে যারা এই সমস্যার কারণ। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আগে আপনাকে এই ফাইল তিনটার একটা বিহিত করতে হবে। এই তিনটি ফাইল হচ্ছে-
* uxtheme.dll
* themeui.dll
* themeservice.dll
যথারীতি উইন্ডোজের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে এদের অবস্থান। ম্যানুয়ালি এই ফাইলগুলাকে প্যাচ করাটা একটু কঠিন এবং বেশ ঝামেলার একটা কাজ। সেজন্য রয়েছে সহজ সমাধান। ইউনিভার্সাল থীম প্যাচার নামের টুলটির সাথে হয়তো সবারই পরিচয় আছে।
>> প্রথমেই এই সাইটটি থেকে থীম ইন্সটলার টুলটি ডাউনলোড করে নিন।
>> ডাউনলোড করে রান এজ এডমিনিস্ট্রেটর মোডে রান করান। ওকে করে ইয়েস করুন।
>> এবারে আপনি সফটওয়ারটির মূল ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। এখানে আপনি উপরোক্ত তিনটি ফাইলের নাম,ভার্সন এবং এগুলা আগেই প্যাচকৃত কিনা সে তথ্য এবং ডানে প্যাচ বাটন দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করলেই কাজ শেষ।
>> কিন্তু যদি সিস্টেম প্যাচ করার পরে কোন সমস্যা দেখতে পান তাহলে আবার টুলটি রান করে নিচের রিস্টোর বাটনে ক্লিক করলেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
এতো গেল থীম ইন্সটলেশনের প্রস্তুতির কথা। আগেই বলেছিলাম অনেক থীমেই আপনি সম্মুখীন হবেন বেশ কিছু জটিল সমস্যার। তারমধ্যে একটি হচ্ছে কাস্টোমাইজেশন প্যাক যেখানে কিনা অনেকগুলা ফাইল বা ফোল্ডার থাকে যেগুলা জায়গামতো কপি পেস্ট না করলে কাজ হবে না। সাধারণত থীমের ভেতরেই বিস্তারিত বলা থাকে তাই আমি আর সেদিকে যাব না। আমি আপনাদের জানাব কিভাবে সহজেই এতোগুলা ফাইলকে আপনি সামাল দিতে পারবেন সে উপায়।
>> এজন্য আপনার দরকার হবে উইন্ডোজ থীম ইন্সটলার নামের আরেকটি চমৎকার টুলের। প্রথমেই এই ঠিকানায় গিয়ে মাত্র ১৫০ কিলোবাইটের টুলটি নামিয়ে নিন।
>> এবারে যথারীতি এডমিনিস্ট্রেটর মোডে এটিকে রান করান। সিলেক্ট ফাইলে আপনি সর্বমোট পাঁচটি ফাইল রিপ্লেস করার অপশন দেখতে পাবেন। আপনার থার্ড পার্টি থীমের ফোল্ডারে যেসব ফাইল দেখবেন সেগুলাকে এখান থেকে ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন।
থীম ইন্সটলার
>> ইন্সটল থীমে ক্লিক করুন। এবারে এপ্লাই থীম বাটনে প্রেস করলেই থীমটি এপ্লাই হয়ে যাবে।
>> পিসিতে থাকা অন্যান্য থীমও আপনি এখান থেকেই এপ্লাই ও দরকার মতো রিমুভ করতে পারবেন। আর যথারীতি এখানেও আছে যেকোন সমস্যায় উইন্ডোজের ডিফল্ট ফাইল রিস্টোর করার অপশন।
থীমঃ ডাউনলোড
থীম নিয়ে এতোশত কথা বলার পর এবারে সবশেষে চলেই আসে থীম ডাউনলোড প্রসংগ। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে থীম নিয়ে ইন্টারনেটে আপনি অসংখ্য সাইট পাবেন। কিন্তু সব থীমই যে ভাল সে গ্যারান্টি তো আর আমি দিতে পারি না। তাই আমি একটিমাত্র সাইটের সাথেই পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি আপনাদের। এখানেই আপনি পাবেন উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতা এবং সেভেনের আকর্ষণীয় সব থীম কালেকশন।
উইন্ডোজ এক্সপি

উইন্ডোজ ভিসতা

উইন্ডোজ সেভেন

রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১০

উইন্ডোজ কম্পিউটারে পেনড্রাইভকে ব্যবহার করুন র‌্যাম হিসেবে

র‌্যানডম এক্সেস মেমোরি বা র‌্যাম পিসির হার্ডওয়্যারের একটি অপরিহার্য এবং খুবই গুরুত্বপূর্ন অংশ। র‌্যামের স্বল্পতার কারনে সাধারনত পিসি স্লো হয়ে যায়। আপনি ইচ্ছে করলে সহজেই আপনার পেনড্রাইভ অথবা যে কোন ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আপনার পিসির সার্বিক কর্মক্ষমতা এবং গতি কিছুটা হলেও বাড়বে।
mickey-mouse-usb-flash-drive
এখানে আমি দুটি পদ্ধতির কথা জানাবো। একটি উন্ডোজের যে কোন অপারেটিং সিস্টেম এ কাজ করবে এবং অপরটি শুধুমাত্র উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন এ কাজ করবে।
এর আগে কিছু বিষয় সম্পর্কে জেনে রাখা ভাল। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ কম্পিউটারের কাজের জন্য দুটি মেমোরি ব্যবহার করে:
১. Physical Memory (যা আমাদের কাছে র‌্যাম হিসেবে পরিচিত)
২. Page File (এটি একটি ভার্চুয়াল মেমোরি ফাইল, যা হার্ডডিস্ক এ স্টোর করা থাকে)
Physical Memory যখন সম্পুর্ণ হয়ে যায় তখন অতিরিক্ত মেমোরি হিসেবে Virtual Memory ব্যবহৃত হয়। উল্লেখ্য যে Physical Memory, Virtual Memory অপেক্ষা দ্রুত কাজ করে এবং Virtual Memory, Physical Memory অপেক্ষা কম গতি সম্পন্ন।
প্রথমেই সকল অপারেটিং সিস্টেম অর্থাত উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন এর পদ্ধতিটি বলি। এখানে আমি খুব সহজেই ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে Page File হিসেবে ব্যবহার করার পদ্ধতিটি বলছিঃ
  • আপনার পেনড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভটিকে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন। [ড্রাইভটি নুন্যতম ১ গিগাবাইটের হতে হবে। তবে ৪ গিগাবাইট হলে সবচেয়ে ভাল হয়]
  • My Computer আইকনে রাইট ক্লিক করুন এবং Properties এ যান। অথবা মাই কম্পিউটারে প্রবেশ করে যেকোন খালি জায়গায় রাইট বাটন ক্লিক করেও এটি করা যায়।
  • Advanced > Performance > Settings > Advanced > Change এ ক্লিক করুন।
  • এখানে ডিফল্ট হিসেবে সাধারনত No paging file সিলেক্ট করা থাকে।
syspro
  • এবার আপনার পেনড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভটি সিলেক্ট করে Custom Size এ ক্লিক করুন।
  • Initial size এবং Maximum size এ একই সংখ্যা লিখুন। আপনি যতটুকু জায়গা র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে চান এখানে সেটাই লিখতে হবে।
  • উইন্ডোজের ৫ মেগাবাইট ফ্রি জায়গার প্রয়োজন হয়। তাই Initial size এবং Maximum size এ Available Space থেকে নুন্যতম ৫ মেগাবাইট কম লিখতে হবে। অর্থাৎ আপনার পেন ড্রাইভে যতটুকু জায়গা রয়েছে তার চাইতে ৫-১০ মেগাবাইট কম লিখুন।
  • এবার Apply, OK এবং OK দিয়ে কম্পিউটারটি Restart করুন।
উল্লেখ্য যে আপনি এই পদ্ধতিতে হার্ডডিস্কের ফ্রি স্পেসকেও Page File হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এটি কম গতিসম্পন্ন হওয়ায় কমপক্ষে ৮ গিগাবাইট মেমোরি ব্যবহার করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি।
এবার উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন এর পদ্ধতিটি বলিঃ
উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন এ মাইক্রোসফট প্রযুক্তির বিশ্বে একটি নতুন প্রযুক্তির সাথে আমাদের পরিচয় করিয়েছে। তা হল Ready Boost Technology. এটির সাহায্যে পেনড্রাইভ বা যে কোন ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে কম্পিউটারের তৃতীয় মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
Ready Boost অ্যাকটিভেট করতে হলে প্রথমে আপনার পেনড্রাইভ অথবা ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন এবং নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:
  • My Computer ওপেন করুন।
  • Removable Disk Drive টির Properties এ যান।
  • Ready Boost ট্যাবটিতে ক্লিক করুন।
  • আপনি যতটুকু জায়গা মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করতে চান তা সিলেক্ট করে Ready Boost Enable করুন।
এই বিষয়গুলো লক্ষ করুন:
  • আপনি Ready Boost ব্যবহার করুন আর নাই করুন, উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন আপনার কম্পিইটারে ব্যবহারের জন্য নুন্যতম ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম থাকা প্রয়োজন। উল্লেখ্য যে, ১ গিগাবাইট র‌্যাম থাকলে ভাল হয়।
  • আপনি যখন পেনড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করবেন, তখন আপনার সিলেক্ট করা জায়গাটুকু ফাইল স্টোরেজের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন না।
  • যদি আপনার ডিভাইসটিতে Ready Boost অ্যাকটিভেট করা না যায়, তাহলে আপনার ডিভাইসটিতে Ready Boost অ্যাকটিভেট করার জন্য নুন্যতম ডাটা ট্রান্সফার রেট (২ মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড) এর ঘাটতি রয়েছে। তাই আপনার ডিভাইসটি Ready Boost সাপোর্ট করেনা।
সাধারনত সনির এম ২ মেমোরি কার্ড যা সকল সনি এরিকসন মোবাইলৈ ব্যবহৃত হয় তা Ready Boost সাপোর্ট করেনা। কারন এম ২ কার্ডের ডাটা ট্রান্সফার রেট ২ মেগাবাইটের কম। তবে এখনকার বেশিরভাগ মেমোরি কার্ড, পেনড্রাইভ এবং ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ই Ready Boost সাপোর্ট করে।
উপরে উল্লেখিত পদ্ধতিতে আপনি যে কোন উইন্ডোজ কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১০

জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)।

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহারকারী, তাদের বেশিরভাগই ব্যবহার করে থাকি মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিষ্টেম উইন্ডোজগুলোর থেকে যেকোন একটি কিংবা দুইটি। অনেকে আবার লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন।

আমরা প্রায় সবাই পাইরেটেড উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকি, যদিও এটি করা উচিৎ নয়। কারণ, অরিজিনাল উইন্ডোজ কিনতে গেলে আমাদের প্রায় অনেকেরই হয়তো ফতুর হওয়ার অবস্থা হবে। দেখা যায়, একটি কম্পিউটার কিনতে যত টাকা ব্যয় করা হয়, তার চাইতে বেশি টাকা ব্যয় করতে হয় এক অপারেটিং সিষ্টেম কেনার জন্য। এটা অনেকেরই কেনার সামর্থ্য নেই এবং এটাই স্বাভাবিক। তার ওপর যেহেতু আমাদের পাইরেটেড জিনিস কেনার এবং ব্যবহার করার সুযোগ আছে, সেহেতু অনেক টাকা ব্যয় করে অরিজিনাল জিনিসই বা কিনতে চায় কয়জন?

তবে এইসব পাইরেটেড উইন্ডোজ যে জেনুইন হবে না, এটা বলাই বাহুল্য। এবং এগুলো জেনুইন থাকে না জন্য এগুলোতে মাইক্রোসফটের বেশিরভাগ সফটওয়্যারই চালানো যায় না এবং উইন্ডোজ আপডেট করা যায় না। এছাড়া আরও অনেক ব্যাপার-স্যাপার তো আছেই। কাজেই আমরা অনেকেই কঠিন রকমের বাটপারি(!) করে আমাদের উইন্ডোজটি জেনুইন করে নিই। অনেকে হয়তো অনেকরকমভাবে তাদের উইন্ডোজ জেনুইন করে থাকেন। এই ব্লগেও অনেক পোষ্ট আছে উইন্ডোজ জেনুইন করা নিয়ে। অনেকরকম পদ্ধতিও আছে। পোষ্টগুলোর বেশিরভাগই এক্সপি নিয়ে। ভিসতার একটাও আমি খুঁজে পাইনি(থাকতেও পারে)। উইন্ডোজ সেভেনেরও একটা কঠিন রকমের পোষ্ট খুঁজে পেয়েছিলাম। সেই পোষ্টটি খুব সম্ভবতঃ উইন্ডোজ আর লিনাক্স এক করে ফেলেছিল। কারণ, গাদা গাদা কমান্ডের ব্যাপার ছিল সেই পোষ্টে। সেটা উইন্ডোজের সাথে খুব একটা মানানসই হচ্ছিল না।

যাই হোক, বাজে প্যাচাল রেখে এবার আসল কথাগুলি বলি।
আমি আপনাদের সম্মুখে এবার উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতা এবং সেভেন খুব সহজভাবে জেনুইন করার পদ্ধতিটা দেখাতে চাই। আশা করছি, আপনাদের ভালো লাগবে।



উইন্ডোজ এক্সপি
=============================================
প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows XP Activator" নামক ১.১৬ কিলোবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড করা হয়ে গেলে ফাইলটি আনজিপ করুন।


আনজিপ করার পর ফোল্ডারটি ওপেন করলে দুইটি ফাইল দেখতে পাবেন। একটি রেজিষ্ট্রি ফাইল এবং আরেকটি টেক্সট ফাইল। আপনার এক্সপি জেনুইন করার পদ্ধতিও দুইটি।


প্রথম পদ্ধতিঃ



আপনার ডাউনলোডকৃত "উইন্ডোজ এক্সপি অ্যাকটিভেটর" নামক ফোল্ডারটিতে "Add Licence To Your Windows" নামক রেজিষ্ট্রি ফাইলটি ওপেন করুন। ওপেন হলে "Yes" বাটন চাপুন এবং তারপর "OK" বাটন চাপুন। অতঃপর কম্পিউটার রিষ্টার্ট দিন। ব্যস, হয়ে গেলো আপনার উইন্ডোজ এক্সপিটি জেনুইন!!!!


দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ

আপনি যখন এক্সপি ইনষ্টল করবেন, তখন ইনষ্টল করার সময় যে সিরিয়াল চায়, সে স্থানে যদি ডাউনলোডকৃত ফোল্ডারটিতে এই "Windows XP Key" নামক টেক্সট ফাইলে যে সিরিয়ালটি আছে সেটি ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার এক্সপি জেনুইন হিসেবেই ইনষ্টল হবে। আলাদা কোন কষ্ট করে আপনার এক্সপিকে জেনুইন বানাতে হবে না।



উইন্ডোজ ভিসতা
=============================================
সবার প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows Vista Activator" নামক ১.২১ মেগাবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড হয়ে গেলে ফাইলটি আনজিপ করে নিন।


আনজিপ করার পর ফোল্ডারটি ওপেন করে দেখুন, "activation" নামে একটি ফাইল আছে। ফাইলটি ওপেন করুন।


ফাইলটি ওপেন হলে যে উইন্ডোটি আসবে, সেটার "Continue" বাটনে চাপ দিন।


তারপর যে উইন্ডোটি আসবে, সেটা থেকে আপনার পিসিতে ভিসতার যে ভার্সনটি ইনষ্টল করেছেন সেই ভার্সনটি সিলেক্ট করুন।


ভার্সনটি সিলেক্ট করে "Continue" বাটনটি চাপুন।


কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন এবং তারপর দেখুন, আপনাকে উপরের ছবিটির মত একটি উইন্ডো দেখাচ্ছে। "OK" বাটনটি চাপুন।


তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন এবং দেখুন, একটি উইন্ডো চলে এসেছে। "Finish" বাটনটি চাপুন। আপনার কম্পিউটার নিজে থেকেই রিষ্টার্ট হবে।


রিষ্টার্ট হবার পর দেখুন, আপনার উইন্ডোজ জেনুইন হিসেবে অ্যাকটিভেটেড দেখাচ্ছে!!! :) :)


বিঃদ্রঃ আপনি যখন ভিসতা অ্যাকটিভেট করবেন, তখন অনুগ্রহ করে আপনি যে ডিভিডি থেকে ভিসতা ইনষ্টল করেছেন, সেটি ডিভিডি ড্রাইভে প্রবেশ করিয়ে রাখুন। নয়তো আপনার অ্যাকটিভেশন কমপ্লিট হবে না।


ডিভিডি ড্রাইভে ভিসতার ডিভিডি না থাকলে তখন এরকম একটি উইন্ডো দেখাবে। ডিভিডি প্রবেশ করিয়ে "Continue" চাপুন। কম্পিউটার রিষ্টার্ট হয়ে গেলে তারপর ডিভিডিটি বের করে ফেলুন।

উল্লেখ্য, অনেকভাবে ভিসতা জেনুইন করা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায়, ২-৩ মাস ব্যবহার করার পর ভিসতাটি নিজে থেকেই তার জেনুইনিটি হারায়। আবার অ্যাকটিভেট করতে চাইলেও হয় না। কিন্তু এই ফাইল থেকে ভিসতা অ্যাকটিভেট করলে আপনার ভিসতা কখনোই তার জেনুইনিটি হারাবে না। সবসময়ই জেনুইন হয়ে থাকবে। :)




উইন্ডোজ সেভেন
=============================================
প্রথমে এই লিংক থেকে "Windows 7 All PlusPatch 10.0" নামক ১০ মেগাবাইট সাইজের জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিন।


যে উইন্ডোটি আসবে, সেখানকার "Yes" বাটনটি চাপুন।


এবার যে উইন্ডোটি আপনি দেখছেন, সেই উইন্ডোতে দেখুন, "Active all Edition 32bit" নামক একটি বাটন আছে। সেটিতে ক্লিক করুন।


কিছুসময় অপেক্ষা করুন এবং তারপর এরকম একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন। যেকোন কি প্রেস করুন।


আপনার কম্পিউটার নিজে থেকেই রিষ্টার্ট হবে কিংবা আপনি রিষ্টার্ট দিন। তারপর দেখুন, আপনার উইন্ডোজ সেভেন জেনুইন হয়ে গিয়েছে!!

বিঃদ্রঃ এই নিয়ম শুধুমাত্র "Windows 7 RC1, Service pack1" এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এবং এই নিয়মে উইন্ডোজ সেভেন জেনুইন করতে গেলে আপনাকে নিচের সিরিয়ালটি দিয়ে সেভেন ইনষ্টল করতে হবে।

সিরিয়ালটি হলঃ 9JBBV-7Q7P7-CTDB7-KYBKG-X8HHC
-----------------------------------------------------------------